|
লক্ষ্য ও
উদ্দেশ্য |
|
১ |
বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি এ দেশের শ্রমিক শ্রেনী ও শ্রমজীবী জনগণের
বিপ্লবী রাজনৈতিক দল। |
|
২ |
সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এই পার্টির লক্ষ্য।
|
|
৩ |
বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি মার্কসবাদ-লেনিনবাদের বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি
দ্বারা তার সকল কর্মকান্ড পরিচালনায় ও নীতিসমূহ রচনায় সচেষ্ট থাকবে।
সেক্ষেত্রে পার্টি মার্কস, এঙ্গেলস, লেনিনের চিন্তার বৈজ্ঞানিক মর্মবাণী ও
বিষয়বস্তুকে অনুসরণ ও বিকশিত করে অগ্রসর হওয়ার ধারাকে পার্টির মতাদর্শগত
ভিত্তিরূপে বিবেচনা করবে। মতাদর্শের ক্ষেত্রে পার্টি সঠিক মার্কসীয় চিন্তা
অনুসরণে যে কোন প্রকার মতান্ধতা, গোঁড়ামী, শাস্ত্রবদ্ধ চিন্তার প্রবণতা
প্রভৃতি হতে মুক্ত থাকবে এবং তত্ত্ব ও প্রয়োগের আন্ত:সম্পর্ক বিষয়ে
মার্কসীয় সূত্র অনুসারে তত্ত্ব ও প্রয়োগকে সকল সময় সৃজনশীলভাবে অগ্রসর ও
বিকশিত করতে সচেস্ট থাকবে।
|
| |
|
৪ |
এই পার্টি সমাজ বিকাশের বিপ্লবী শক্তি হিসেবে সমাজ ও সভ্যতার প্রগতিশীল
বিকাশের জন্য সকল সময়ে এবং বিভিন্নমুখী ধারায় প্রগতির সচেতন উপাদান হিসেবে
ভূমিকা পালনে সচেষ্ট থাকবে।
|
|
|
৫ |
পার্টি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখন্ডতা রক্ষায় সচেষ্ট থাকবে।
|
|
৬ |
দেশীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃত, সমাজ বিকাশের ধারার বিশিষ্টতা ও জনগণের
সামাজিক মনস্তত্ত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক
সুনির্দিষ্ট বাস্তবতাকে যথাযথভাবে বিবেচনায় নিয়ে এই পার্টি চূড়ান্ত
লক্ষ্যের পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য মার্কসবাদী-লেনিনবাদী নীতি অনুসারে
সুনির্দিষ্ট সময়ের সুনির্দিষ্ট কর্তব্য নির্ধারণ করবে। পার্টি দেশের
বিরাজমান অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক পশ্চাৎপদতা ও জনগণের
জীবনে বিদ্যমান দারিদ্র্য মোচনের জন্য, দেশবাসীর বৈষয়িক সম্পদের ও আত্মিক
শক্তির বিকাশ সাধন করার জন্য, সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং সমাজ ও
রাষ্ট্রীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে সর্বোত্তম গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা
প্রতিষ্ঠার জন্য নিরন্তর সংগ্রাম করে যাবে।
|
| |
|
৭ |
বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার, গণতন্ত্রের
মূল্যবোধ, আইনের শাসন এবং বিকশিত করার জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম পরিচালনা
করবে। বাক-শক্তি স্বাধীনতা, সংবাদপত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বহুদলীয়
রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আদর্শগত ক্ষেত্রে
বিভিন্নমুখী ধারায় আন্দোলন ও সংগ্রাম পরিচালনায় পার্টি সর্বতোভাবে নিয়োজিত
থাকবে। পার্টি জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনের ভিত্তিতে রাষ্ট্রক্ষমতায়
অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য প্রয়াস চালাবে।
|
| |
|
৮ |
এই পার্টি প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালনের অবাধ অধিকার ও
প্রত্যেকের ক্ষেত্রে বিবেকের স্বাধীনতা সুরক্ষার জন্য সব সময় সচেষ্ট থাকবে।
পার্টি কূপমন্ডূকতা, কুসংস্কার, সাম্প্রদায়িকতা, সঙ্কীর্ণতা, আঞ্চলিকতা,
স্বৈরতান্ত্রিকতা প্রভৃতি পশ্চাৎপদ ধ্যান-ধারণা ও এসবের ধারক প্রতিক্রিয়শীল
শক্তিসমূহের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে সংগ্রাম করবে এবং সুসভ্য, মানবিক,
গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল মূল্যবোধ এবং শক্তিসমূহকে দৃঢ়ভিত্তিক করতে সচেষ্ট
থাকবে।
|
| |
|
৯ |
পার্টি সকল ধর্মমতের মানুষ ও সকল জাতিসত্তার সমমর্যাদার জন্য এবং দেশের
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ও জাতীয় সংখ্যালঘু তথা ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ন্যায্য
অধিকারসমূহ সুরক্ষা করতে এবং সকল প্রকার জাতিগত ও ধর্মীয় বৈষম্য-নিপীড়নের
বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে সংগ্রাম করবে।
|
|
|
১০ |
পার্টি দেশের নারী সমাজের বিরুদ্ধে অত্যাচার, নিপীড়ন, বৈষম্য অবসানে ও
নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাবে।
|
|
১১ |
সমাজের সকল দুর্বল অংশ ও সম্প্রদায়ের উন্নয়ন, অগ্রগতি, মর্যাদা ও অধিকার
প্রতিষ্ঠার জন্য পার্টি সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে।
|
|
১২ |
পার্টি পরিবেশ, জীববৈচিত্র, মানুষ ও প্রকৃতি রক্ষায় বিকল্প উন্নয়ন ধারা
প্রতিষ্ঠাসহ বহুমুখী ও সামগ্রিক প্রয়াস চালাবে।
|
|
১৩ |
এই পার্টি সারা দুনিয়ার মানব সভ্যতার সাধারণ স্বার্থ রক্ষা ও তা অগ্রসর
করার জন্য সব সময় সচেষ্ট থাকবে। মানব মুক্তির মহতি আদর্শ সাম্যবাদে
উদ্বুদ্ধ এই পার্টি প্রাণের অস্তিত্ব বিলোপের আশঙ্কামুক্ত শান্তিপূর্ণ
বিশ্বের জন্য সংগ্রাম করে যাবে। এই লক্ষ্যে পার্টি আণবিক ও তাপ পারমানবিক
যুদ্ধের বিপদের সম্পূর্ণ অবসান, সাধারণ নিরস্ত্রীকরণ প্রভৃতির জন্য দৃঢ়ভাবে
সংগ্রাম করবে।
|
| |
|
১৪ |
পার্টি উন্নয়নশীল বিশ্বের স্বার্থ রক্ষায়, নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক
ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায়, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গণতন্ত্রায়নে এবং প্রতিটি
জাতির নিজস্ব পথ বাছাইয়ের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করবে।
|
|
১৫ |
পার্টি পৃথিবীর দেশে দেশে শোষিত-বঞ্চিত মানুষ ও নিপীড়িত জাতিসমূহের মুক্তি
সংগ্রামের প্রতি সমর্থন ও একাত্মতা প্রকাশে দ্বিধাহীন থাকবে এবঙ
সাম্রাজ্যবাদ, নয়া উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ, জায়নবাদ প্রভৃতি প্রতিক্রিয়াশীল
শক্তির বিরুদ্ধে দৃঢ় সংগ্রাম পরিচালনা করবে। পার্টি মানব সভ্যতার অগ্রগতি ও
প্রগতির ক্ষেত্রে সকল অবদান ও সাফল্যকে যথাযথ মূল্য দেবে। পার্টি জাতীয়
স্বার্থ অক্ষুন্ন রেখে প্রত্যেক জাতি ও রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব, মৈত্রী ও
সহযোগীতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করবে এবং উন্নয়নশীল বিশ্বের দেশসমূহের সঙ্গে
বিশেষত প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে
সচেষ্ট থাকবে।
|
| |
|
১৬ |
পার্টি সর্বহারার আন্তর্জাতিকবাদের সুমহান আদর্শে পরিচালিত হবে। পার্টি
প্রতিটি দেশের কমিউনিস্ট পার্টির পূর্ণ স্বাধীনতা, সমমর্যাদা ও মতের
বৈচিত্র্যের স্বীকৃতির ভিত্তিতে বিশ্বব্যাপী কমিউনিস্ট আন্দোলনের সকল
শক্তির ঐক্য-সংহতি জোরদার করার জন্য সচেষ্ট থাকবে। বিশ্বব্যাপী
সমাজতন্ত্রের শক্তি ও অবদানকে সংহত করার জন্য বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
প্রচেষ্টা চালাবে। পার্টি একই সঙ্গে বিশ্ব পরিসরে মেহনতি মানুষের আন্দোলনের
অন্যান্য অংশ এবং প্রগতিশীল ও শান্তি, স্বাধীনতা, গণতন্ত্রের স্বপক্ষের সকল
শক্তির ঐক্য ও সংহতি জোরদার করার প্রচেষ্টা চালাবে। |
| |
|
১৭ |
এই পার্টি জনগণের বিশেষত শ্রমিক শ্রণী ও শ্রমজীবী মানুষের সৃজনশীল শক্তি ও
ভূমিকার উপর আস্থাশীল থেকে তার সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করবে। এবং জনগণের
কাছ থেকে প্রতিনিয়ত শিক্ষাগ্রহণ করে তাদের আস্থাবান পার্টি হিসেবে নিজেকে
প্রতিষ্ঠিত ও বিকশিত করতে সচেষ্ট থাকবে।
|
|
১৮ |
গণতন্ত্র ও কেন্দ্রিকতা এই উভয় উপাদানের সুসমন্বয়ের মাধ্যমে পার্টি তার
সাংগঠনিক নীতি পরিচালনা করবে এবং সুশৃঙ্খল, সচেতন, বিপ্লবী রাজনৈতিক দল
হিসেবে তার কার্যাবলী পরিচালনা করবে। এই পার্টির কাজকর্ম - একাধারে একক
কেন্দ্র ও একক সাধারণ লাইনের স্বীকৃতি এবং অন্যদিকে পার্টির অভ্যন্তরে
সম্ভাব্য সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক বিধিবিধানের প্রয়োগ- এই নীতির ভিত্তিতে
পরিচালিত হবে। সংগঠনের অভ্যন্তরে পার্টি যেমন গঠনতন্ত্রের নির্দিষ্টকৃত
বিধি-বিধান অনুসারে গণতন্ত্রের চর্চা ও প্রয়োগ, চূড়ান্ত লক্ষ্য এবং শ্রেণী
ও আদর্শগত ভিত্তি অক্ষুন্ন রেখে পার্টির অভ্যন্তরে মতবৈচিত্র্যেরের সুযোগ
এবং পার্টির নীতি প্রণয়ন ও কার্যকলাপ পরিচালনায় সদস্যবৃন্দের ও সকল স্তরের
সংগঠনের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও ভূমিকা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হবে, ঠিক তেমনি
পার্টিতে কোনো শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ, উপদল, দলাদলির প্রবণতা প্রভৃতির বিরুদ্ধে
কঠোর থাকবে। পার্টি নিজেকে আমলাতান্ত্রিকতা, পদমর্যাদাজনিত অহমিকা,
স্বেচ্ছাচারী প্রবণতা, সুবিধাবাদ প্রভৃতি হতে মুক্ত রাখার জন্য সর্বদা
সচেষ্ট থাকবে।
|
| |
|
১৯ |
গঠনতন্ত্রে ঘোষিত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও বিধিবিধানের ভিত্তিতে পার্টির
রাজনৈতিক, সাংগঠনিক ও আদর্শগত ঐক্য সুদৃঢ় করার জন্য পার্টি সবসময় সচেতন
প্রয়াস চালাবে।
|
| |
|
ধারা-১৫ : |
পার্টি কংগ্রেস |
| |
১ |
পার্টি কংগ্রেস বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ সংস্থা। সাধারণভাবে
চার বছর পর পর কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয় কমিটি কমপক্ষে তিন মাসের
সময় নিয়ে কংগ্রেস আহ্বান করবে এবং কংগ্রেসের স্থান, তারিখ ও আলোচ্যসূচি
স্থির করবে। বিশেষ অবস্থায় নির্ধারিত সময়ে কংগ্রেস অনুষ্ঠান করা সম্ভব না
হলে কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে সে বিষয়ে কারণ দর্শিয়ে কংগ্রেসে রিপোর্ট
করতে হবে। |
| |
| ২ |
কেন্দ্রীয়
কমিটি প্রয়োজনবোধে দুই কংগ্রেসের মধ্যবর্তী সময়ে বিশেষ কংগ্রেস আহ্বান করতে
পারবে। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত নিয়মিত সংগ্রেসের প্রতিনিধিগণ বিশেষ কংগ্রেসের
প্রতিনিধি বলে গণ্য হবেন। |
| ৩ |
দুই কংগ্রেসের মধ্যবর্তী যে কোনো
সময়ে সংগ্রেসের এক তৃতীয়াংশ প্রতিনিধি লিখিতভাবে দাবি জানালে পার্টির বিশেষ কংগ্রেস
আহ্বান করতে হবে। কেন্দ্রীয় কমিটি এ দাবি অনুসারে বিশেষ কংগ্রেস আহ্বান না করলে এই
প্রতিনিধিগণ নিজেরাই কংগ্রেস আহ্বান করতে পারবেন। এই কংগ্রেসকে 'তলবি কংগ্রেস' বলে
অভিহিত করা হবে। তবে নিয়মিত কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে অধিকাংশ
প্রতিনিধি এই 'তলবি কংগ্রেসে' উপস্থিত না হলে কংগ্রেসের কোনো বৈধতা থাকবে না।
|
| |
| ৪ |
পার্টির সদস্য সংখ্যার ভিত্তিতে জেলা
সম্মেলন থেকে কংগ্রেসের প্রতিনিধি নির্বাচিন হবেন। নির্বাচন পদ্ধতি ও
প্রতিনিধিত্বের সংখ্যানুপাত কেন্দ্রীয় কমিটি নির্ধারণ করে দেবে। কেন্দ্রীয়
কমিটির সরাসরি পরিচালনাধীন শাখাসমূহ কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক বিশেষভাবে
নির্ধারিত সংখ্যানুপাতে কংগ্রেসের প্রতিনিধি নির্বাচন করবে। |
| |
| ৫ |
কেন্দ্রীয় কমিটে ও কন্ট্রোল
কমিশনের সদস্যবৃন্দ পদাধিকার বলে পার্টি কংগ্রেসের প্রতিনিধি হবেন। এই
সংখ্যা মোট প্রতিনিধিদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি হতে পারবে না। |
| ৬ |
কংগ্রেসের মূল দলিল কেন্দ্রীয় কমিটি
উত্থাপন করবে তা কংগ্রেস অনুষ্ঠানের কমপক্ষে দুই মাস পূর্বে সমগ্র পার্টির
মধ্যে প্রচার করবে। এই দলিল নিয়ে পার্টির প্রতিটি স্তরে আলোচনা সংগঠিত করতে
হবে। পার্টির প্রতিটি সংগঠনের এবং প্রত্যেক পার্টি সদস্যের কংগ্রেসে
প্রস্তাব পাঠাবার এবং প্রচারিত দলিলের উপর সংশোধনী পাঠাবার অধিকার থাকবে। |
| |
| ৭ |
কংগ্রেসে সভাপতিত্ব করার জন্য কংগ্রেস
শুরুতেই একটি সভাপতিমন্ডলী নির্বাচন করবে। |
|
৮ |
কংগ্রেসের দায়িত্ব ও
অধিকার হলো : |
| |
(ক) |
পার্টির মূলনীতি, কৌশল
প্রভৃতি স্থির করা। |
|
(খ)
|
কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক
উত্থাপিত রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক রিপোর্ট এবং অন্যান্য রিপোর্ট, প্রস্তাব প্রভৃতি
আলোচনা করা এবং এসব রিপোর্ট ও প্রস্তাব সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।
|
|
(গ) |
পার্টির কর্মসূচি
প্রণয়ন করা এবং প্রয়োজন হলে গঠনতন্ত্র সংশোধন করা। |
|
(ঘ) |
কংগ্রেসের পক্ষ থেকে
পার্টির কেন্দ্রীয় তহবিলের হিসাবপত্র পরীক্ষার জন্য 'অডিট কমিটি' নির্বাচন করা এবং
সেই কমিটির রিপোর্ট বিবেচনা করা। |
|
(ঙ) |
কন্ট্রোল কমিশনের
রিপোর্ট বিবেচনা করা এবং প্রয়োজন বোধে পার্টির কন্ট্রোল কমিশন নির্বাচন করা।
|
|
(চ) |
পার্টির কেন্দ্রীয়
কমিটি নির্বাচন করা। |
|
ধারা-১৬ : |
কেন্দ্রীয় কমিটি |
| |
১ |
দুই কংগ্রেসের
মধ্যবর্তী সময়ে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি হলো পার্টির সর্বোচ্চ সংস্থা।
কংগ্রেসে যেসব সাধারণ নীতি ও কার্যক্রম গৃহীত হবে তা কার্যকর করা, দুই
কংগ্রেসের মধ্যবর্তী সময়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বদান এবং পার্টির নীতি ও
গঠনতন্ত্র রক্ষা করা কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্ব। কেন্দ্রীয় কমিটি তার সমুদয়
কাজের জন্য কংগ্রেসর কাছে দায়ী থাকবে।
|
| |
|
২ |
কেন্দ্রীয় কমিটি বছরে
কমপক্ষে তিনবার কমিটি সভা করবে। সভায় পূর্ববর্তী সভার কার্যবিবরণী
অনুমোদনের জন্য উপস্থিত করতে হবে। সভায় সভাপতিমন্ডলী তার কাজের রিপোর্ট পেশ
করবে। সভা আহ্বান, নোটিশ প্রদানের সময়সীমা এবং সভা পরিচালনার প্রয়োজনীয়
নানাবিধ পদ্ধতি কেন্দ্রীয় কমিটি নিজেই স্থির করে নেবে। |
| |
|
৩ |
কেন্দ্রীয় কমিটি তার
দায়িত্ব পালনের জন্য বিভিন্ন কমিটি, সাব কমিটি, বিভাগ ও কমিশন গঠন করতে
পারবে এবং বিভিন্ন কমরেডকে বিশেষ দায়িত্ব প্রদান করতে পারবে। কেন্দ্রীয়
কমিটি তাদের কাজের নিয়মাবলী স্থির করে দেবে। |
|
৪ |
কেন্দ্রীয় কমিটি তার কাজের সুবিধার
জন্য কিছু সংখ্যক সংগঠক নিয়োগ করতে পারবে। কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সংগঠকদের
আহ্বান করা যাবে। তবে সংগঠকবৃন্দ সভার ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। |
|
৫ |
সমগ্র পার্টির মধ্যে যাতে যৌথভাবে কাজ
করার ও নেতৃত্ব দেয়ার এবং সমালোচনা-আত্মসমালোচনার রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়
সেজন্য কেন্দ্রীয় কমিটি যত্নবান হবে এবং উৎসাহ দান করবে। |
|
৬ |
পার্টির পত্রিকা ও সাহিত্য প্রকাশনার
দায়িত্ব কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে থাকবে। কেন্দ্রীয় কমিটি পার্টি পত্রিকার
সম্পাদকীয় বোর্ড ও সম্পাদক নির্বাচন করবে। |
|
৭ |
কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচিত নতুন জেলা
কমিটিসমূহ এবং কমিটিতে অথবা কমিটির কর্মকর্তার ক্ষেত্রে কোনো রদবদল হলে তা
অনুমোদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। |
|
৮ |
কেন্দ্রীয় কমিটি কোনো
এলাকাকে সাংগঠনিক জেলার মর্যাদা দিতে পারবে। প্রয়োজনবোধে কেন্দ্রীয় কমিটি
তার সরাসরি পরিচালনায় একাধিক পার্টি শাখা গঠন করতে পারবে এবং এসব শাখার
কাজের পদ্ধতি, নিয়মাবলী ও কাঠামো নির্ধারণ করে দেবে। |
| |
|
৯ |
বিশেষ বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটি
কংগ্রেসে অংশ নেয়ার জন্য কিছুসংখ্যক পর্যবেক্ষক মনোনীত করতে পারবে।
পর্যবেক্ষকগণ কংগ্রেসের আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন কিন্তু ভোটাভুটির
সময়ে ভোট দিতে পারবেন না। |
|
১০ |
কেন্দ্রীয় কমিটি
প্রয়োজনবোধে বিশেষ বিবেচনায় কাউকে কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় অথবা জাতীয়
পরিষদের সভায় আমন্ত্রণ জানাতে পারবে। |
|
১১ |
কেন্দ্রীয় কমিটি জেলা
কমিটিগুলোর কাজে সাহায্য, পরামর্শ ও নির্দেশ প্রদান করবে এবং জেলা
সম্মেলনগুলোতে কমপক্ষে একজন বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি পাঠাবে। |
|
১২ |
কেন্দ্রীয় কমিটি গণসংগঠনে কর্মরত
পার্টি সদস্য ও কর্মীদের কাজের পদ্ধতি ও মূলধারা নির্ধারণ করবে।
|
|
১৩ |
কেন্দ্রীয় কমিটি পার্টি শিক্ষার
ব্যবস্থা করবে। |
|
১৪ |
কেন্দ্রীয় কমিটি পার্টির কেন্দ্রীয়
তহবিলের হিসাব-নিকাশ রক্ষা করবে। |
|
১৫ |
কেন্দ্রীয় কমিটি
পার্টির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রক্ষা করবে। |
|
১৬ |
কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা
দান করবে এবং গঠনতন্ত্রে কোনো বিষয়ে সুস্পষ্ট উল্লেখ না থাকলে সে সম্বন্ধে
সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে। |
|
১৭ |
কেন্দ্রীয় কমিটি তার
সদস্যদের মধ্য থেকে একটি প্রেসিডিয়াম নির্বাচন করবে। সভাপতি, সাধারণ
সম্পাদক ও সহকারী সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে প্রেসিডিয়ামের সদস্য বিবেচিত
হবেন। প্রেসিডিয়ামের সদস্য সংখ্যা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সংখ্যার
এক-চতুর্থাংশের বেশি হবে না। প্রেসিডিয়াম কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষে রাজনৈতিক
ও সাংগঠনিক কাজ পরিচালনা করবে এবং উদ্যোগ গ্রহণ করবে। কেন্দ্রীয় কমিটি
প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব বন্টন করবে। |
| |
|
১৮ |
কেন্দ্রীয় কমিটি তার
সদস্যদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, প্রয়োজন বোধে একজন
সহকারী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করবে। কেন্দ্রীয় কমিটি তার কাজের সুবিধার
জন্য তার সদস্যদের মধ্য থেকে একাধিক সম্পাদক নির্বাচন করতে পারবে। |
| |
|
১৯ |
সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের
অনুপস্থিতিতে প্রেসিডিয়ামের যে কোনো সদস্যকে সাময়িকভাবে সভাপতি বা সাধারণ
সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া যাবে। |
|
২০ |
সভাপতি হবেন সংগঠনের প্রধান।
সভাপতি প্রেসিডিয়ামের যৌথ কাজে নেতৃত্ব প্রদান করবেন, প্রেসিডিয়ামের সভা
আহ্বান করবেন এবং প্রেসিডিয়াম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটির সভা আহ্বান
করবেন এবং প্রেসিডিয়ামের পক্ষে কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় রিপোর্ট পেশ করবেন। |
| |
|
২১ |
সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহকারী সাধারণ
সম্পদক, সম্পাদকবৃন্দ ও অন্য সদস্যদের কাজের সুনিদির্ষ্ট এখতিয়ার ও দায়িত্ব
কেন্দ্রীয় কমিটি স্থির করে দেবে। |
|
২২ |
কেন্দ্রীয় কমিটি তার
সদস্যদের মধ্য থেকে একজন কোষাধ্যক্ষ নির্বাচন করতে পারবে। কোষাধ্যক্ষ
নির্বাচিত হলে তিনি বা এই দায়িত্ব যার উপর ন্যস্ত হবে তিনি পার্টির জন্য
অর্থ সংগ্রহে তৎপর হবেন এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব রক্ষা করবেন। তিন মাস অন্তর
প্রেসিডিয়াম তহবিল সংক্রান্ত রিপোর্ট পরীক্ষা করবে। প্রেসিডিয়াম বছরে
কমপক্ষে একবার কেন্দ্রীয় কমিটিতে তহবিল সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করবে। |
| |
|
২৩ |
প্রেসিডিয়াম ও কেন্দ্রীয় কমিটির
সম্পাদকবৃন্দ তাদের সকল কাজের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে দায়ী থাকবেন। |
|
২৪ |
কেন্দ্রীয় কমিটি সময় সময় পার্টি
সদস্যপদ স্ক্রুটিনির জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। স্ক্রুটিনির
নিয়ম-কানুন কেন্দ্রীয় কমিটি স্থির করবে। |
|
ধারা-১৭ : |
জাতীয়
পরিষদ |
| |
১ |
কেন্দ্রীয় কমিটির সকল সদস্য ও সংগঠক,
সকল জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সাব কমিটি ও
বিভাগসমূহের সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটি মনোনীত অনূর্ধ্ব ১৫% সদস্যের
সমন্বয়ে পার্টির জাতীয় পরিষদ গঠিত হবে। |
| |
|
২ |
কেন্দ্রীয় কমিটি জাতীয় পরিষদের সভা
আহ্বান করবে। বছরে কমপক্ষে একবার জাতীয় পরিষদের সভা করতে হবে। |
|
৩ |
জাতীয় পরিষদের সভা পার্টি কংগ্রেস ও
কেন্দ্রীয় কমিটিতে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে এবং
কংগ্রেসে গৃহীত মূল রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক লাইনের ভিত্তিতে সময় উপযোগী
সুনির্দিষ্ট করণীয় সম্পর্কে কেন্দ্রীয় কমিটিকে পরামর্শ দেবে। |
| |
|
ধারা-১৮ : |
জেলা
সম্মেলন |
| |
১ |
জেলা সম্মেলন জেলা
পার্টির সর্বোচ্চ সংস্থা। জেলা কমিটি পার্টি কংগ্রেসের পূর্বে কেন্দ্রীয়
কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠান করবে। এই
সম্মেলনের প্রতিনিধি নির্বাচনের সংখ্যানুপাত এবং নিয়মাবলী কেন্দ্রীয় কমিটি
ঠিক করে দেবে। কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন নিয়ে বিশেষ জেলা সম্মেলন করা যাবে।
পূর্বতন জেলা সম্মেলনের প্রতিনিধিবৃন্দ এই বিশেষ সম্মেলনের প্রতিনিধি হবেন।
জেলা কমিটির সদস্যগণ পদাধিকার বলে জেলা সম্মেলনের প্রতিনিধি হবেন। জেলা
সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে অন্তত একজন বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত
প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। |
| |
| |
দুই কংগ্রেসের
মধ্যবর্তী সময়ে জেলা কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমতি নিয়ে অথবা কেন্দ্রীয়
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মধ্যবর্তী জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠান করতে পারবে।
মধ্যবর্তী জেলা সম্মেলন নিয়মিত জেলা সম্মেলনের নিয়মাবলী ও পদ্ধতি অনুযায়ী
সম্মেলনের জন্য নিম্নস্তরের কমিটিসমূহ থেকে প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে আসবেন।
মধ্যবর্তী জেলা সম্মেলন কংগ্রেসের প্রতিনিধি নির্বাচন ও কংগ্রেসের
আলোচ্যসূচি ছাড়া অন্য সকল দায়িত্ব পালন করবে। |
| |
২ |
জেলা সম্মেলনের অধিকার ও কর্তব্যসমূহ নিম্নরূপ
হবে : |
| |
(ক) |
জেলা সম্মেলন পরিচালনার জন্য শুরুতেই
সভাপতিমন্ডলী নির্বাচন করা। |
|
(খ) |
জেলা কমিটির রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক রিপোর্ট আলোচনা
করা এবং সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। |
|
(গ) |
কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তের সঙ্গে
সামঞ্জস্য রেখে জনতার মধ্যে জেলা পার্টির কাজের ধারা নির্ধারণ করা। |
|
(ঘ) |
কেন্দ্রীয়
কমিটি কর্তৃক প্রচারিত দলিল আলোচনা করা এবং সে সম্পর্কে মতামত গ্রহণ করা। |
|
(ঙ) |
কংগ্রেসের অনুরূপ পদ্ধতিতে জেলা কমিটির আয়-ব্যয়ের হিসাব পরীক্ষা করা। (চ) পার্টি
কংগ্রেসের প্রতিনিধি নির্বাচন করা। |
|
(ছ) |
জেলা কমিটি নির্বাচন করা। |
| ধারা-১৯ : |
জেলা
কমিটি |
| |
১ |
জেলা কমিটি দুই
সম্মেলনের মধ্যবর্তী সময়ে জেলা পার্টির কাজকর্ম পরিচালনা করবে। জেলা কমিটি
তার কাজকর্মের জন্য জেলা সম্মেলনের কাছে দায়ী থাকবে। |
|
২ |
জেলা কমিটি তার সদস্যদের মধ্য থেকে
একজন সভাপতি ও একজন সাধারণ সম্পাদক এবং প্রয়োজনে একজন সহকারী সাধারণ
সম্পাদক নির্বাচন করবে। জেলা কমিটি তার সদস্যদের মধ্য থেকে একটি
সম্পাদকমন্ডলী নির্বাচন করতে পারবে। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহকারী সাধারণ
সম্পাদক জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য হবেন। জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য সংখ্যা
জেলা কমিটির সদস্য সংখ্যার অর্ধেকের কম হবে।
|
|
৩ |
জেলা সম্পাদকমন্ডলী জেলা কমিটির পক্ষে
জেলা পার্টির দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনা করবে এবং নতুন কাজের উদ্যোগ গ্রহণ
করবে।
|
|
৪ |
সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহকারী সাধারণ
সম্পাদক, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য এবং অপরাপর সদস্যদের মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়
বিবেচনায় রেখে জেলা কমিটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব বন্টন ও কাজের এখতিয়ার স্থির
করে দেবে : |
| |
(ক) |
সভাপতি হবেন জেলা পার্টির প্রধান। তিনি
জেলা কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং জেলা কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত দায়িত্ব
পালন করবেন। |
| |
(খ) |
সভাপতির সঙ্গে পরামর্শ করে সাধারণ
সম্পাদক জেলা কমিটির সভা আহ্বান করবেন এবং জেলা পার্টির কাজকর্ম পরিচালনায় উদ্যোগী
ভূমিকা পালন করবেন। তিনি জেলা কমিটির সভায় রিপোর্ট পেশ করবেন। |
| |
(গ) |
সহকারী সাধারণ সম্পাদক সাধারণ সম্পাদকের
কাজে সাহায্য করবেন এবং তার অনুপস্থিতেতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন
করবেন। সহকারী সাধারণ সম্পাদক না থাকলে সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে
সম্পাদকমন্ডলীর অপর কাউকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের সাময়িক দায়িত্ব প্রদান করতে
হবে। |
| |
(ঘ) |
সভাপতির অনুপস্থিতিতে সম্পাদকমন্ডলীর
সদস্যদের মধ্যে কোনো একজন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে সাময়িক দায়িত্ব পালন করবেন। |
| |
৫ |
নিজ নিজ জেলায় পার্টি কংগ্রেস এবং
কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন করা, নিম্নতর পার্টি ইউনিটসমূহের
কাজ তদারক করা এবং তাদের কাজে সাহায্য করা, কেন্দ্রীয় কমিটির গৃহীত
সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে জেলার গণসংগঠনের সদস্যদের কাজে সহযোগিতা করা এবং
তাদের কাজ চেকআপ করা, পার্টি সাহিত্য ও পত্রিক জনগণের মধ্যে বিতরণ করা ও
তার হিসাব রক্ষা করা, জেলা পার্টির তহবিল গঠন করা ও তার হিসাব রক্ষা করা,
জেলা পার্টির স্কুল ও শিক্ষার ব্যবস্থা করা, জনগণের মধ্যে
রাজনৈতিক-সাংগঠনিক, আন্দোলনগত ও অন্যান্য বহুমুখী কাজ পরিচালনা করা, জেলায়
পার্টির নের্তৃত্বে শ্রেণীসংগ্রাম ও শ্রেণী আন্দোলন বিকশিত করা ইত্যাদি
জেলা কমিটির দায়িত্ব ও কাজ। |
| |
|
৬ |
জেলা কমিটিকে নিয়মিতভাবে কেন্দ্রীয়
কমিটির কাছে তার কাজকর্ম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে রিপোর্ট করতে হবে। |
|
৭ |
জেলা কমিটির কোনো পদ শূন্য হলে
কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সই পদ পূরণ করা যাবে। |
|
৮ |
জেলা কমিটি তার কাজের সুবিধার জন্য
বিভিন্ন সাব কমিটি গঠন এবং জেলা কমিটির সংগঠক নিয়োগ করতে পারবে। জেলা
কমিটির সভায় মতামত ব্রক্ত করার জন্য সংগঠকদের আমন্ত্রণ জানানো যাবে। কিন্তু
ভোটাভুটির সময় তারা ভোট দিতে পারবেন না। |
| |
|
৯ |
কোনো পার্টি সদস্যকে এক জেলা থেকে অন্য
জেলায় সদস্যপদ স্থানান্তর করতে হলে তাকে নির্ধারিত ফরমে জেলা কমিটির কাছে
আবেদন করতে হবে। জেলা কমিটির অনুমোদনসহ কেন্দ্রীয় মাধ্যমে সদস্যপদ
সংশ্লিষ্ট জেলায় স্থানান্তর করা হবে। জেলার অভ্যন্তরে এক শাখা থেকে অন্য
শাখায় সদসপদ স্থানান্তরের বিষয় জেলা কমিটি অনুমোদন করবে। |
| |
|
১০ |
জেলা কমিটি বছরে কমপক্ষে চার বার
কমিটি সভা করবে। |
|
ধারা-২০ : |
উপজেলা/ থানা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, আঞ্চলিক কমিটি |
| |
১ |
জেলা কমিটির ঠিক নিচের কমিটি হলো
উপজেলা/ থানা কমিটি। সাধারণভাবে প্রশাসনিক বিভাগ অনুসরণ করে এগুলোর সীমানা
নির্ধারণ করা যাবে। প্রয়োজনবোধে উপজেলা ও শাখার মধ্যবর্তী স্তরে ইউনযন ও
ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা যাবে। কাজের সুবিধার্থে জেলা কমিটি অঞ্চলভিত্তিক
কমিটিও গঠন করতে পারবে। কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন গ্রহণ করে অঞ্চলভিত্তক
কমিটগুলোর সীমানা নির্ধারণ করতে হবে।
|
| |
|
২ |
উপজেলা/ থানা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, আঞ্চলিক
কমিটিগুলোর সর্বোচ্চ সংস্তা হলো সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে তাদের সম্মেলন। প্রতি
দু'বছর অন্তর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এসব সম্মেলনের প্রতিনিধি নির্বাচনের
নিয়মাবলী ও পদ্ধতি জেলা কমিটি নির্ধারণ করে দেবে। সকল জেলায় যাতে একই নিয়ম
অনুসরণ করা যায় সেজন্য কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে পরামর্শ করে জেলা কমিটিসমূহ
এই নিয়ম ও পদ্ধতি স্থির করবে। জেলা কমিটির পক্ষ থেকে কমপক্ষে একজন বিশেষ
দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি এসব সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। এসব সম্মেলন
উপজেলা/ থানা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, আঞ্চলিক কমিটির নেতৃত্ব নির্বাচন করবে এবং
সম্মেলনে উত্থাপিত রিপোর্ট আলোচনা ও অনুমোদন করবে। |
| |
|
৩ |
উপজেলা/ থানা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, আঞ্চলিক
কমিটির সদস্য সংখ্যা তাদের সম্মেলনে নির্ধারিত হবে এবং সম্মেলনে কমিটির
সদস্যগণ নির্বাচিত হবেন। |
|
৪ |
উপজেলা/ থানা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, আঞ্চলিক
কমিটির কাজ অনেকটা জেলা কমিটির মতো হবে। জেলা কমিটি তাদের কাজকর্মে সহায়তা
করবে এবং নিয়মিত তদারক করবে। ঠিক একইভাবে উপজেলা/ থানা কমিটি তার অধীনস্থ
কমিটিসমূহের কাজকর্মে নিয়মিতভাবে সাহায্য ও চেকআপ করবে। এই কাজে উপজেলা/
থানা কমিটিসমূহ জেলা কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করে কাজের সমন্বয়
সাধন করবে। |
| |
|
৫ |
উপজেলা/ থানা কমিটি প্রয়োজনবোধে জেলা
কমিটির অনুরূপ কর্মকর্তা ও সম্পাদকমন্ডলী গঠন করতে পারবে। |
|
৬ |
উপজেলা/ থানা কমিটিসমূহ বছরে কমপক্ষে
ছয় বার কমিটি সভা করবে। |
| ধারা-২১ : |
পার্টি
শাখা |
| |
১ |
পার্টি শাখা হবে পার্টির বুনিয়াদি
প্রাথমিক সংস্থা। কোনো কল-কারখানা, প্রতিষ্ঠান, বাগান, খামার, গ্রাম,
এলাকা, অঞ্চল, মহল্লার পার্টি সদস্য ও প্রার্থী সদস্যদের সমন্বয়ে পার্টি
শাখা গঠিত হবে। কেন্দ্রীয় কমিটি শাখার সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করে
দেবে। কমপক্ষে তিনজন পার্টি সদস্য নিয়ে শাখা গঠিত হবে। |
|
২ |
শাখার সাধারণ সভা হবে তার সর্বোচ্চ
সংস্থা। |
|
৩ |
বিশেষ অবস্থায় পার্টির বড় বড় শাখায়
কাজের সুবিধার জন্য সদস্যদের একাধিক টিমে ভাগ করা চলবে। শাখার সাধারণ সভা
এসব টিমের পরিচালক নির্বাচন করে দেবে। এ ধরনের টিমের কাজ হবে তার সদস্যদের
মধ্যে কাজ বন্টন করে দেয়া এবং কাজের চেকআপ করা। |
|
৪ |
কমপক্ষে প্রতি মাসে একবার শাখার সাধারণ
সভা করতে হবে। সভায় সম্পাদক সকলের বিবেচনার জন্য কাজের রিপোর্ট এবং
প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। শাখার সাদারণ সভায় সদস্যদের মধ্যে কাজ বন্টন ও
কাজের চেকআপ করা হবে।
|
|
৫ |
প্রতি দু'বছর অন্তর শাখা সম্মেলন
অনুষ্ঠিত হবে। জেলা কমিটির অবগতি ও অনুমতিক্রমে বিশেষভাবে অনুষ্ঠিত শাখার
সাধারণ সভা শাখা সম্মেলন বলে বিবেচিত হবে শাখা সম্মেলনে শাখার
রাজনৈতিক-সাংগঠনিক রিপোর্ট, ভবিষ্যৎ কাজের পরিকল্পনা, কেন্দ্রীয় কমিটির
বিভিন্ন প্রস্তাব ও রিপোর্ট এবং কংগ্রেসে উত্থাপনের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির
দলিলসমূহের উপর আলোচনা ও মতামত গ্রহণ করা হবে। শাখা সম্মেলনে শাখার জন্য
একজন সম্পাদক ও প্রয়োজনবোধে একজন সহকারী সম্পাদক নির্বাচন করতে হবে। কোনো
শাখার সদস্য সংখ্যা ২০ জনের অধিক হলে সম্মেলন সেই শাখার জন্য একটি
সম্পাদকমন্ডলী গঠন করতে পারবে। জেলা কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত নিয়ম ও পদ্ধতি
অনুসারে শাখা সম্মেলন থেকে উর্ধ্বতন কমিইসমূহের সম্মেলনের প্রতিনিধি
নির্বাচন করতে হবে। উর্ধ্বতন কমিটি থেকে বিশেষভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন
প্রতিনিধি শাখা সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন। শাখা সম্মেলনে নির্বাচিত শাখা
নেতৃত্বকে জেলা কমিটির অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। |
|
|
|
৬ |
প্রযোজনবোধে কোনো শাখার সদস্য নিজের
জেলার অধীনস্থ অন্য কোনো শাখার কাজের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবেন। তবে সেখানে
তার ভোটাধিকার থাকবে না। নতুন শাখায় সংযুক্ত হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে
জেলা কমিটির লিখিত অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। |
|
৭ |
শাখার কাজ হবে নিম্নরূপ : |
| |
(ক) |
এলাকার জনগণের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংযোগ
রক্ষা করা এবং নিজস্ব এলাকায় রাজনৈতিক কার্যকলাপ সংগঠিত করা, শ্রেণী সংগ্রাম বিকশিত
করার মধ্য দিয়ে পার্টির গণভিত্তি গড়ে তোলা এবং পার্টির নীতি কার্যকর করা।
|
|
(খ) |
উর্ধ্বতন কমিটির সাধারণ নীতিমালার
ভিত্তিতে নিজস্ব এলাকার বাস্তবতায় সৃজনশীলভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও
উর্ধ্বতন কমিটির সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করা। কেন্দ্রীয়
কমিটিতে গৃহীত রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তগুলোর পক্ষে এলাকায় জনমত গড়ে তোলা এবং
জনগণকে পার্টির পতাকাতলে সমবেত করা। |
|
(গ) |
নিজ এলাকার জনগণের ও সমাজ জীবনের
বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা ধরনের সংগঠন, সংস্থা ও গণসংগঠনের কাজে অংশগ্রহণ করা।
|
|
(ঘ) |
পার্টির পত্রিকা, সাহিত্য প্রভৃতি
প্রচার করা ও বিক্রি করা এবং তার হিসাব যথাযথভাবে রক্ষা করা। |
|
(ঙ) |
শাখা সদস্যদের চাঁদা ও লেভি সংগ্রহ করা
এবং পার্টির জন্য অর্থ সংগ্রহ করা। |
|
(চ) |
শুভানুধ্যায়ী, সমর্থক, সহযোগী ও নতুন
কর্মীদের পার্টিতে টেনে আনা এবং তাদেরকে সহযোগী সদস্য হিসেবে যুক্ত করা এবং তাদের
মধ্যে অগ্রসর ও সক্রিয়দেরকে নিয়ে পার্টি গ্রুপ গঠন করা।
|
|
(ছ) |
পার্টির নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে
তৎপর থাকার পাশাপাশি এসব নীতি ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে শাখার অভিমত উপরের স্তরের
সংগঠনের কাছে প্রেরণ করা। |
|
ধারা-২২ |
পার্টি গ্রুপ ও সহযোগী সদস্য |
| |
১ |
অগ্রসর নতুন কর্মীদের নিয়ে পার্টি গ্রুপ
গঠন এবং সেসব পার্টি গ্রুপের সদস্যদের আদর্শগত ও রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত করে পার্টি
সদস্যের যোগ্য করে তোলার জন্য নিয়মিত গ্রুপ তৎপরতা পরিচালনা করা যাবে। যে কোনো শাখা
বা কমিটি এ ধরনের পার্টি গ্রুপ গঠন করতে পারবে।
|
|
|
|
২ |
পার্টিকে নানাভাবে সমর্থন করেন, পার্টির
পক্ষে প্রচার করেন, পার্টির প্রার্থীকে বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট দেন, পার্টির
সভা-সমাবেশ ও ঘোষিত কর্মসূচি ও অনুষ্ঠানে যোগ দেন, কোনো না কোনোভাবে যিনি নিজেকে
পার্টিরই একজন হিসেবে মনে করেন - এ ধরনের পার্টির শুভানুধ্যায়ী, সমর্থকদের পার্টির
সহযোগী সদস্য করা যাবে। সংগঠনের প্রসারের জন্য এবং পার্টির কাজকর্ম ও সংযোগ বিস্তৃত
করার জন্য তাদের সঙ্গে যোগসূত্রের একটি সংগঠিত ধারা চালু রাখতে হবে। যেসব পার্টি
শাখা বা কমিটি সহযোগী সদস্য পদ প্রদান করবে সেই শাখা বা কমিটিই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ
রক্ষা করবে। সহযোগী সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের নিয়ম-কানুন ও পদ্ধতি কেন্দ্রীয় কমিটি
প্রণয়ন করবে। |
| |
|
ধারা-২৩ : |
গণসংগঠনে অন্তর্ভুক্ত সদস্যগণ |
| |
১ |
গণসংগঠন ও তার কার্যকরী কমিটিতে যেসব
পার্টি সদস্য কাজ করেন তারা সেই গণসংগঠন পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় কমিটি
কর্তৃক গঠিত সাব কমিটির সাধারণ নির্দেশাবলী অনুযায়ী সংগঠিতভাবে কাজ করবেন।
সাব কমিটির নির্দেশাবলী কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। সাব
কমিটির নির্দেশ কেন্দ্রীয় কমিটির মাধ্যমে জেলা কমিটিসমূহে পাঠানো হবে।
পার্টির সদস্যবৃন্দ নিজ নিজ গণসংগঠনের ঐক্য সংহত করা, তার গণভিত্তি
প্রসারিত করা, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং গণসংগঠনের সাধীন ও গণতান্ত্রিক
কর্মধারা বিশ্বস্ততার সঙ্গে সমুন্নত রাখার জন্য সচেষ্ট থাকবেন। |
| |
|
২ |
বিশেষ বিশেষ অবস্থায় কোনো গণসংগঠনের
কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সংস্থা বা কমিটিতে কর্মরত পার্টির সকল সদস্যকে নিয়ে
পার্টি ফ্যাকশন গঠন করা যাবে। এসব ফ্যাকশন পার্টি কর্তৃক গঠিত কেন্দ্রীয়
সাব-কমিটির কাজে সাহায্য করবে। |
|
৩ |
প্রয়োজনবোধে জেলাতেও এ ধরনের সাব কমিটি
ও ফ্যাকশন গঠন করা যাবে। এই ফ্যাকশন সংশ্লিষ্ট গণসংগঠনের বিষয়ে
দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা কমিটির সদস্য বা জেলা কমিটি কর্র্তৃক গঠিত সাব কমিটি
দারা পরিচালিত হবে।
|
|
ধারা-২৪ : |
নির্বাচিত সংস্থায় কাজ |
| |
পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি জাতীয় সংসদের
নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য পার্টি প্রার্থী মনোনয়নের কেন্দ্রীয় পদ্ধতি স্থির করে
দেবে। জাতীয় সংসদে নির্বাচিত পার্টি সদস্যবৃন্দ সংসদে পার্টির সংসদীয় দল গঠন এবং
কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সংসদীয় দলের নেতা ও উপনেতা নির্বাচন করবে।
কেন্দ্রীয় কমিটি সরাসরি সংসদীয় দলের কাজকর্ম পরিচালনা ও তদারক করবে। দেশের বিভিন্ন
সংস্থায় নির্বাচিত পার্টি সদস্যদের কাজ, আচরণ ইত্যাদি সম্পর্কে কেন্দ্রীয় কমিটি
নিয়ম-নীতি স্থির করবে। |
|
ধারা-২৫ : |
কন্ট্রোল কমিশন |
| |
কন্ট্রোল কমিশন পার্টির গঠনতন্ত্রের মর্যাদা
সংরক্ষণে যত্নবান থাকবে। কমিশন পার্টি শৃঙ্খলা বিষয়ে কোনো সদস্য বা যে কোনো স্তরের
সংগঠনের অভিযোগ শুনবে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে
সুপারিশ পাঠাবে। কন্ট্রোল কমিশনের সদস্যগণ কেন্দ্রীয় কমিটি এবং জেলা কমিটিসহ
নিম্নস্তরের যে কোনো পর্যায়ের কমিটি সভায় প্রয়োজনবোধে উপস্থিত থাকতে পারবেন।
কন্ট্রোল কমিশনের কাজের বিধি-বিধান ও নিয়মাবলী কমিশন নিজেই স্থির করবে। কেন্দ্রীয়
কমিটি কন্ট্রোল কমিশনের কাজ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
|