মেয়র-কাউন্সিলর হওয়ার যোগ্যতা

ড. ব দি উ ল আ ল ম ম জু ম দা র
নির্বাচন কমিশন ৪টি সিটি কর্পোরেশন ও ৯টি পৌরসভার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে। দুর্ভাগ্যবশত জাতীয় পর্যায়ের মতো আমাদের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোও দুর্নীতিবাজ-দুর্বৃত্তের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, আমাদের ছয়জন সিটি মেয়রের সবার বিরুদ্ধেই গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ রয়েছে এবং এর মধ্যে পাঁচজন এখন কারাগারে রয়েছেন। স্থানীয় পর্যায়ের আরও অনেক নির্বাচিত প্রতিনিধি হয় জেল-হাজতে, না হয় পলাতক।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভবিষ্যতে যাতে দুর্নীতিবাজরা অংশগ্রহণ করতে না পারে সে লক্ষ্যে সম্প্রতি জারি করা স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) অধ্যাদেশ-২০০৮-এর ৯ ধারা ও স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) অধ্যাদেশ-২০০৮-এর ১৯ ধারায় মেয়র ও কাউন্সিলরদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার মাপকাঠি আরও কঠোর করা হয়েছে, যাতে দুর্নীতিবাজরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারে। (নতুন আইনে সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার নির্বাচিত ওয়ার্ড কমিশনারদের কাউন্সিলর এবং পৌর চেয়ারম্যানদেরও মেয়র হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে।) একই সঙ্গে প্রস্তাবিত নির্বাচনী বিধিমালায় প্রার্থীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অনেকগুলো ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানের বাধ্যবাধকতা সংশ্লিষ্ট করা হয়েছে। এছাড়াও আইনে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের জন্য সম্পত্তির হিসাব প্রদানের বিধান করা হয়েছে। একই ধরনের বিধান জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে শোনা যায়।

মেয়র ও কাউন্সিলরদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা : যে কোন ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী নাগরিক সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়র বা কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে একই ব্যক্তি একই সঙ্গে মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হতে পারবেন না। এছাড়াও সাধারণ আসনের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের নাম সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে হবে। মেয়র পদপ্রার্থীদের নাম যে কোন ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হলেই তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

কোন ব্যক্তি মেয়র বা কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হওয়ার বা মেয়র বা কাউন্সিলর পদে থাকার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি : ক. বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেন বা হারান; খ. কোন উপযুক্ত আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষিত হন; গ. দেউলিয়া ঘোষিত হন এবং সে দায় থেকে অব্যাহতি লাভ না করেন; ঘ. কোন ফৌজদারি বা নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দু’বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং মুক্তি লাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকেন; ঙ. প্রজাতন্ত্রের বা সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার বা কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের বা অন্য কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোন লাভজনক পদে সার্বক্ষণিক অধিষ্ঠিত থাকেন (প্রজাতন্ত্র কিংবা সরকারি সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষ কিংবা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে বেতন, সম্মানী কিংবা আর্থিক বা অন্য কোন সুবিধাপ্রাপ্ত পদ বা অবস্থানকে লাভজনক পদ বলে গণ্য করা হবে); চ. কোন বিদেশী রাষ্ট্র থেকে অনুদান বা তহবিল গ্রহণ করে এমন বেসরকারি সংস্থার প্রধান কার্যর্ নির্বাহী পদ থেকে পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণ বা পদচ্যুতির পর এক বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকেন; ছ. কোন সমবায় সমিতি এবং সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি ব্যতীত, সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন/পৌর এলাকায় সরকারকে পণ্য সরবরাহ করার জন্য বা সরকার কর্তৃক গৃহীত কোন চুক্তির বাস্তবায়ন বা সেবা কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য, তার নিজ নামে বা তার ট্রাস্টি হিসেবে কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের নামে বা তার সুবিধার্থে বা তার উপলক্ষে বা কোন হিন্দু যৌথ পরিবারের সদস্য হিসেবে তার কোন অংশ বা স্বার্থ আছে এমন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে থাকেন; জ. তার পরিবারের কোন সদস্য সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার কার্য সম্পাদনে বা মালামাল সরবরাহের জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন বা সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার কোন বিষয়ে তার কোন প্রকার আর্থিক স্বার্থ থাকে; ঝ. নিজস্ব বসবাসের নিমিত্তে গৃহনির্মাণ ও ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ ব্যতীত মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার তারিখের আগের এক বছরের মধ্যে কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহীত কোন ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় অনাদায়ী রাখেন (অর্থঋণ গ্রহীতা ছাড়াও যিনি বা যাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা ফার্ম Banker’s Book of Account-এ ঋণ খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত) তাদের ক্ষেত্রেও এ বিধান প্রযোজ্য হবে; ঞ. এমন কোন কোম্পানির পরিচালক বা ফার্মের অংশীদার হন, যা কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহীত কোন ঋণ বা ঋণের কোন কিস্তি মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার তারিখের আগের এক বছরের মধ্যে পরিশোধে খেলাপি হয়েছেন; ট. সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করেন এবং তা অনাদায়ী থাকে; ঠ. সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত নিরীক্ষকের প্রতিবেদন অনুযায়ী নির্ধারিত দায়কৃত অর্থ সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভাকে পরিশোধ না করেন; ড. অন্য কোন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বা জাতীয় সংসদের সদস্য হন; ঢ. কোন সরকারি বা আধা-সরকারি দফতর, কোন সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, সমবায় সমিতি বা প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের চাকরি থেকে নৈতিক স্খলন, দুর্নীতি, অসদাচরণ ইত্যাদি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে চাকরিচ্যুত, অপসারিত বা বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং তার এমন চাকরিচ্যুত, অপসারণ বা বাধ্যতামূলক অবসরের পাঁচ বছর কাল অতিক্রান্ত না হয়ে থাকে; ণ. সরকার কর্তৃক অনুদানপ্রাপ্ত কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা কোন সংস্থার সার্বক্ষণিক বা খণ্ডকালীন পদে নিয়োজিত থাকেন; ত. সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার তহবিল তসরুপের কারণে দণ্ডপ্রাপ্ত হন; থ. বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে যে কোন সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ ও ১৯২-এর অধীন (সরকারি কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি এবং নিরাপত্তা বিধানার্থে সরকারি কর্মচারীর কাছে আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য কাউকে প্
রলুব্ধ করার উদ্দেশ্যে ভীতি প্রদর্শনের জন্য) দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হন; দ. বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে যে কোন সময়ে দণ্ডবিধির ধারা ২১৩, ৩৩২, ৩৩৩ ও ৩৫৩-এর অধীন (অপরাধীকে শাস্তি থেকে লুকিয়ে রাখার জন্য উপহার ইত্যাদি গ্রহণ এবং সরকারি কর্মচারীকে তার কর্তব্য পালনে বাধাদান করার জন্য স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান, আক্রমণ ও অপরাধমূলক বল প্রয়োগের জন্য) দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত হন; ধ. জাতীয় বা আন্তর্জাতিক আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক যুদ্ধাপরাধী হিসেবে দোষী সাব্যস্ত হন এবং ন. কোন আদালত কর্তৃক ফেরারি আসামি হিসেবে ঘোষিত হন।

উল্লেখ্য, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের ক্ষেত্রে দুটি বাড়তি অযোগ্যতার মাপকাঠি প্রযোজ্য। যেমন : কোন প্রার্থী সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অত্যাবশ্যক কোন দ্রব্যের ডিলার হলে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে অযোগ্য হবেন (ধারা ৯ (জ))। একইভাবে কোন ব্যক্তির ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহীত কোন ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় অনাদায়ী থাকলে তিনিও প্রার্থী হতে পারবেন না (ধারা ৯(ট))।

তবে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন/পৌর এলাকায় সরকারকে পণ্য সরবরাহ চুক্তিতে আবদ্ধ সব ব্যক্তিই স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য হবেন না। যেমন প্রার্থী যদি চুক্তির অংশ বা স্বার্থ উত্তরাধিকার বা উইল সূত্রে প্রাপ্ত হন অথবা তিনি যদি চুক্তির নিতান্তই নির্বাহক বা ব্যবস্থাপক হন তাহলে তিনি অযোগ্য হবেন না। এছাড়াও পাবলিক কোম্পানির লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত পরিচালক বা ম্যানেজিং এজেন্ট ব্যতীত শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না। যৌথ হিন্দু পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রেও, যাদের চুক্তিতে অংশ বা স্বার্থ নেই, তাদের জন্যও এ অযোগ্যতার বিধান প্রযোজ্য হবে না।

মেয়র কাউন্সিলর পদপ্রার্থীদের জন্য হলফনামা : প্রত্যেক মেয়র বা কাউন্সিলর পদপ্রার্থীকে তার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে এই মর্মে একটি হলফনামা দাখিল করতে হবে, তিনি মেয়র বা কাউন্সিলর নির্বাচনের অযোগ্য নহেন। এ হলফনামায় তিনি অসত্য তথ্য দিয়েছেন এবং বাস্তবে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণে অযোগ্য ছিলেন তা নির্বাচন অনুষ্ঠানের তিন মাসের মধ্যে প্রমাণিত হলে তিনি পদ থেকে অপসারণযোগ্য হবেন। এছাড়াও মেয়র ও কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হওয়ার পরও কোন ব্যক্তি যদি অযোগ্য হয়ে পড়েন, তাহলেও তিনি অপসারণযোগ্য হবেন। উল্লেখ্য, সব নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরকে নির্বাচনের পরে রাজনৈতিক দলের কমিটি থেকে পদত্যাগ করতে হবে।

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) বিধিমালা, ২০০৮ ও স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) বিধিমালা, ২০০৮-এর ধারা ১২ অনুযায়ী সব প্রার্থীকে নির্ধারিত ফরমে হলফনামা দাখিল করতে হবে, যাতে নিম্নের তথ্যাদি অন্-র্ভুক্ত থাকতে হবে: ক. প্রার্থীর অর্জিত সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট সত্যায়িত কপি; খ. বর্তমানে তিনি কোন ফৌজদারি মামলায় অভিযুত্ত আছেন কিনা; গ. অতীতে তার বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা ছিল কিনা এবং তার রায়; ঘ. তার ব্যবসা/পেশার বিবরণী; ঙ. তার সম্ভাব্য আয়ের উৎস বা উৎসসমূহ; চ. তার নিজের এবং অন্য নির্ভরশীলদের সম্পদ ও দায়ের বিবরণী এবং ছ. কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তার একক বা যৌথভাবে বা তার ওপর নির্ভরশীল সদস্য কর্তৃক গৃহীত ঋণের পরিমাণ অথবা কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক হওয়ার সুবাদে ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহীত ঋণের পরিমাণ।

হলফনামার জন্য যে ছকের খসড়া তৈরি করা হয়েছে তাতে বিস্তারিত তথ্য দেয়া প্রয়োজন হবে। এসব তথ্য কমিশন ভোটারদের অবগতির জন্য প্রকাশ করবে। হলফনামায় ভুল তথ্য দিলে কিংবা এতে তথ্য গোপন করলে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র, এমনকি নির্বাচনও বাতিল হয়ে যেতে পারে। সম্পত্তির হিসাব প্রদানের ক্ষেত্রে অসত্য তথ্য দাখিল করলে তা অসদাচরণ বলে গণ্য হবে, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই হলফনামা পূরণের এবং সম্পত্তির হিসাব প্রস্’তকরণের ক্ষেত্রে সব প্রার্থীকে যথেষ্ট যত্নবান হতে হবে। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করবেন বলে আমরা আশা করি।

আমরা আরও আশা করি, নির্বাচন কমিশন প্রার্থীদের দাখিলকৃত তথ্যাদি সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতি পাতার জন্য ১০০ টাকা ফিস প্রদানের যে অযৌক্তিক বিধান করেছেন তা রহিত করবে, কারণ এর মাধ্যমে জনগণের তথ্য জানার অধিকারই ভণ্ডুল হয়ে যাবে। কমিশনকে আমরা তথ্যগুলো ওয়েবসাইটে পোস্ট করারও অনুরোধ জানাই। একই সঙ্গে অনুরোধ জানাই প্রার্থীদের প্রদত্ত তথ্যগুলোর সারাংশ তৈরি করে গণমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে এগুলো জনগণের কাছে বিতরণ করার। এমন উদ্যোগই হবে নির্বাচনে প্রার্থীদের তথ্য প্রদান সম্পর্কিত দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ (আবুল মোমেন চৌধুরী ও অন্যান্য বনাম বাংলাদেশ ও অন্যান্য, রিট পিটিশন নম্বর ২৫৬১/২০০৫)।
ড. বদিউল আলম মজুমদার : মহাসচিব, সুজন

তথ্য সূত্র: দৈনিক যুগান্তর, ২৪ জুন ২০০৮

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s