সুজনের দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন

2nd_national_convention_08‘সচেতন, অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোচচার ও সংগঠিত জনগণই গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গত ৩১ আগস্ট, ২০০৮ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক-এর দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়৷ সারা দেশের ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রায় ছয়শ জন নেতৃবৃন্দ এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন৷ সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকার সুজন নেতৃবৃন্দরা অনুষ্ঠানস্থল ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স-বাংলাদেশ-এর কাউন্সিল হলে জড়ো হতে থাকে৷ সকাল ১০.০০টায় অতিথি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও সুজন-এর জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হলে, অনুষ্ঠানস্থলে এক আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়৷ বহু আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অমিত সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ সৃষ্টি হলেও জাতি হিসেবে আজ আমরা চরম সংকটের মুখোমুখি৷ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, সুশাসনের অভাব, সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার অবনতি এবং তাদের প্রতি বঞ্চনা এই সংকটের মূল কারণ৷ এই সংকট থেকে উত্তরণ, সকল জনগণের সম-সুযোগ নিশ্চিত করা, সর্বোপরি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের লক্ষ্যে সোচচার, সক্রিয় এবং সমন্বিত অঙ্গিকার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শেষ হল সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক-এর দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলন৷ সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক আয়োজিত এ সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে সুজনের কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মোজাফ্‌ফর আহমদ-এর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন – তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জনাব মোঃ হাফিজ উদ্দিন খান ও জনাব এ এসএম শাহাজাহান, সুজন-এর কেন্দ্রিয় কমিটির সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও গবেষক জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ এবং সুজনের সহ-সম্পাদক জনাব জাকির হোসেন৷
জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের শুভ সূচনা হয়৷ উদ্বোধনী পর্বের প্রথমেই সুজন সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকারের পরিচালনায় সুজনের সাথে সম্পৃক্ত নেতৃবৃন্দসহ বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের স্মরণে এক মিনিট শোক প্রস্তাব উত্থাপন ও নীরবতা পালন করা হয়৷ এরপর সুজনের সভাপতি অধ্যাপক মোজাফ্‌ফর আহমদ উদ্বোধনী বক্তব্যে রাখেন৷ উদ্বোধনী বক্তব্যে সুজনের পটভূমি ও সারা দেশব্যাপী সুজনের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে উপস্থিত সকলকে শুভেচছা জানিয়ে তিনি বলেন, সুজন দেশের স্বার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে বলে কোন ধরণের বৈদেশিক সাহায্য গ্রহণ করে না৷ সুজন একদিনের নির্বাচনী পর্যবেক্ষণে ও একদিনের গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না৷ তাই সুজনের সব কর্মসূচির মূলে রয়েছে এই দেশের মানুষের কল্যাণ, উন্নতি, প্রগতি ও সম্প্র্রীতিমূলক সমাজ বিনির্মাণ৷ তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি রাতারাতি বদলায় না৷ রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলাবার জন্য জনগণের আর্তি ও সাহসিকতার প্রয়োজন রয়েছে৷ তিনি সোনার বাংলা গঠনে সকলকে সক্রিয় হবার আহবান জানিয়ে আরো বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন না হলে জনগণের আশা পূরণ হবে না, সেজন্য আমরা সংস্কারের দাবি করেছি৷ তিনি আরো বলেন, আজকে অনেক সংস্কার দেখতে পাচিছ কিন্তু সব দাবি এখনো পূরণ হয়েছে সেটা বলা যাবে না৷ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে সুন্দর নির্বাচনী আবহ সৃষ্টির জন্যও তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান৷ আমরা স্বচছতা, জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতামূলক নির্বাচন চাই উল্লেখ করে সুজনের বিভিন্নমুখি কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে সর্বমোট ৬৪টি জেলা ২৯০টি উপজেলা/থানা, ১৪১টি ইউনিয়ন, ৭টি পৌরসভা, ৪টি মহানগর ও ১০১টি ওয়ার্ডে সুজনের কমিটি রয়েছে৷ তিনি বলেন, এগুলোতে কর্মচাঞ্চল্যপূর্ণ রাখতে হবে৷ কর্মচাঞ্চল্য অর্থ তিনি বলেন, ধারণাকে স্বচছ করা এবং বিশ্বাস ও ধারণার সাথে গণমানুষকে সম্পৃক্ত করা৷
সিটি ও পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক হওয়া, সুষ্ঠু, নির্ভরযোগ্য ও ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন, ওয়েবসাইটে তথ্য প্রকাশ, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালীকরণ, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলসহ সার্বিক সংস্কারের স্বার্থে আন্দোলনের সূচনা করা ও ব্যাপক জনমত সৃষ্টিসহ বিভিন্ন সফল ও স্বার্থক প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এজন্য আমরা গর্ববোধ করতে পারি৷ তিনি বলেন, পরিবর্তন প্রয়োজন, এটা না হলে আমরা চরম ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাবো৷ সকলকে নিরাশ না হওয়া এবং হাল না ছাড়ার আহবান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, তাহলে আর আমাদের নাগরিকত্ব থাকবে না৷ এইবার প্রথমবারের মত প্রার্থীদের সততা, যোগ্যতার তথ্য দেয়া – এটা একটা বিরাট ইস্যুতে পরিণত হয়েছে এ বিষয়টিকে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করে বলেন, সুজন-ই এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মাইলফলক ও সদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে৷ আমরা এই দেশের প্রজা নই উল্লেখ করে সকলকে আহবান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আসুন আমরা সকলে মিলে স্ব স্ব অবস্থান থেকে রাষ্ট্রের সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যথাযথ ভূমিকা পালন করি৷ জনাব হাফিজউদ্দিন খান সুজনের বিভিন্ন অর্জনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমাদের আন্দোলন আরো দৃঢ়তর করতে হবে, যাতে আমরা আমাদের কাঙিক্ষত লক্ষ্য অর্জন করতে পারি৷ জনাব এএসএম শাহজাহান বলেন, সুজনের সৃষ্টি ১/১১ থেকে নয়, সুজন বহুদিন থেকেই সংস্কারে কথা বলে আসছে৷ আপনাদের সচেতনতা ও সক্রিয়তা এটা শুধু আপনাদের মধ্যে সীমাবদ্ধতা রাখলে চলবে না, এটাকে চারদিকে ছড়িয়ে দেবার আহবান রেখে তিনি বলেন, ভালো লোকের চুপ থাকা খারাপ লোকের দুস্কৃতির থেকেও আরো খারাপ৷
সাবেক এমপি ড. আব্দুর রাজ্জাক তার বক্তব্যে সুজনের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, দলীয় রাজনীতিকে আমরা একটি শুভ সূচনা দেখছি সুজন নিঃসন্দেহে এজন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে – এজন্য আমি ব্যক্তিগত ও দলের পক্ষ থেকে সুজনকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই৷ ব্যবসায়ি সংগঠনের নেতা জনাব আব্দুর রউফ চৌধুরী সংবিধানের ৭ অনুচেছদের কথা উল্লেখ করে বলেন, সুজনের ভূমিকাটা অত্যন্- সঠিক এবং সময়োপযোগী৷ তিনি বলেন, ক্ষমতার অধিকার যদি নাগরিক হয় তাহলে ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকার তাকে দিতে হবে৷ জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ সকলকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কেউ কেউ আজকাল মনে করছেন বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটি বোধ হয় রাজনৈতিক দলের প্রতিপক্ষ৷ কিন্তু এটা একেবারেই একটা ভুল ধারণা৷
সাবেক এমপি ড. আব্দুর রাজ্জাক তার বক্তব্যে সুজনের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, দলীয় রাজনীতিকে আমরা একটি শুভ সূচনা দেখছি সুজন নিঃসন্দেহে এজন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে – এজন্য আমি ব্যক্তিগত ও দলের পক্ষ থেকে সুজনকে আন্-রিক কৃতজ্ঞতা জানাই৷ ব্যবসায়ি সংগঠনের নেতা জনাব আব্দুর রউফ চৌধুরী সংবিধানের ৭ অনুচেছদের কথা উল্লেখ করে বলেন, সুজনের ভূমিকাটা অত্যন্- সঠিক এবং সময়োপযোগী৷ তিনি বলেন, ক্ষমতার অধিকার যদি নাগরিক হয় তাহলে ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকার তাকে দিতে হবে৷ জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ সকলকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কেউ কেউ আজকাল মনে করছেন বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটি বোধ হয় রাজনৈতিক দলের প্রতিপক্ষ৷ কিন্তু এটা একেবারেই একটা ভুল ধারণা৷
সম্মেলনে সুজন-এর ওয়েব-সাইট http://www.shujan.orghttp://www.votebd.org প্রদর্শন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে ড. বদিউল আলম মজুমদারের পরিচালনায় কর্ম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়৷ এ অধিবেশনে সম্পাদকের রিপোর্টের আলোকে সারা দেশের নেতৃবৃন্দরা আলোচনা করেন এবং তাদের অনুভূতি ও মতামত ব্যক্ত করেন৷ এ সময় উপজেলা পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কিত প্রস্তাবিত কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় এবং পর্যালোচনা সাপেক্ষে সকলের মতামত নিয়ে তা অনুমোদন করা হয়৷ অনুমোদিত এ সকল কর্মসূচির মধ্যে তথ্য সংগ্রহ, ডাটাবেজ তৈরি ও ওয়েবসাইটে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা, নির্বাচন কমিশনের সাথে এ্যাডভোকেসি করা, প্রার্থীগণ প্রদত্ত তথ্য প্রকাশ ও জনমত সৃষ্টি, জনগণ কর্তৃক তথ্য যাচাই এর উদ্যোগ গ্রহণ, সৎ ও যোগ্য প্রার্থী মনোনয়নে রাজনৈতিক দলসমূহের সঙ্গে এ্যাডভোকেসি করা; সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের সপক্ষে প্রচারাভিযান, নির্বাচোনোত্তর সহিংসতা রোধে এ্যাডেভোকেসি করা, আঞ্চলিক নাগরিক সংলাপ, গণমাধ্যমের সাথে মতবিনিময়, গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন, মানববন্ধন ও নির্বাচনী অলিম্পিয়াডের আয়োজন ইত্যাদি অন্যতম৷ দ্বিতীয় অধিবেশনে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত সুজন কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক, অভিভাবকরাও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন৷ এ সময় যারা মন্-ব্য রাখেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, নওগাঁর সরদার সালাহউদ্দিন মিন্টু, ঝিনাইগাতি উপজেলার জনাব মুকুল হোসেন, লাকসাম উপজেলার মিসেস জাহানারা বেগম, ময়মনসিংহ নান্দাইলের সম্পাদক অরবিন্দ পাল, দিনাজপুরের নূর হোসেন মিরু, বাগেরহাটের পারভীন আহমেদ, চট্টগ্রামের জনাব কবির, চাঁদপুরের আলতাফ মাহমুদ হোসেন খান, কুড়িগ্রামের গোলাম মোস্-ফা, শরিয়তপুরের আহসানুল্লাহ ইসমাইলী ব্রাক্ষণবাড়িয়ার জনাব ফজলুল করিম, যশোরের আব্দুল লতিফ, কুমিল্লা জেলার আলী আকবর মাসুম, মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, সাদিয়া আফরিন, জনাব নাসিমুল বারী, জনাব ফজলুল হক প্রমুখ৷ এছাড়া সারা দিনের বিভিন্ন পর্যায়ে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুহম্মদ জাহাঙ্গির, জনাব রফিকুল ইসলাম সরকার, জনাব হান্নান-আরা বেগম, জনাব হাফিজুর রহমান কার্জন, ডা. মোঃ আব্দুল হাই মজুমদার প্রমুখ৷
বিকেলে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল অধিবেশনে নব নির্বাচিত এগারো সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহি কমিটি ও একশত এক সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়৷ কমিটির সভাপতি হিসাবে অধ্যাপক মোজাফ্‌ফর আহমেদ ও সম্পাদক হিসাবে ড. বদিউল আলম মজুমদার পুনর্নিবাচিত হন৷ এছাড়া কার্যনির্বাহি কমিটিতে অন্যান্যদের মধ্যে আরো রয়েছেন জনাব এম হাফিজ উদ্দিন খান (সহসভাপতি), জনাব আব্দুল হক (কোষাধ্যক্ষ), জনাব জাকির হোসেন (সহ-সম্পাদক), জনাব এএসএম শাহাজাহান (নির্বাহি সদস্য), জনাব সুলতানা কামাল (নির্বাহি সদস্য), জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ (নির্বাহি সদস্য), অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ (নির্বাহি সদস্য), অধ্যাপক মাহফুজা খানম (নির্বাহি সদস্য) এবং জনাব লায়লা রহমান কবির (নির্বাহি সদস্য)৷ সারা দেশ থেকে আগত সুজনের বিভিন্ন ইউনিয়ন, জেলা, উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দরা নিজ খরচে এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন৷ এছাড়া সম্মেলনে উত্থাপিত সুজনের প্রস্তাবসমূহের প্রতি উপস্থিত সকলেই ঐকমত্য পোষণ করেন৷
বিকেলে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল অধিবেশনে নব নির্বাচিত এগারো সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহি কমিটি ও একশত এক সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়৷ কমিটির সভাপতি হিসাবে অধ্যাপক মোজাফ্‌ফর আহমেদ ও সম্পাদক হিসাবে ড. বদিউল আলম মজুমদার পুনর্নিবাচিত হন৷ এছাড়া কার্যনির্বাহি কমিটিতে অন্যান্যদের মধ্যে আরো রয়েছেন জনাব এম হাফিজ উদ্দিন খান (সহসভাপতি), জনাব আব্দুল হক (কোষাধ্যক্ষ), জনাব জাকির হোসেন (সহ-সম্পাদক), জনাব এএসএম শাহাজাহান (নির্বাহি সদস্য), জনাব সুলতানা কামাল (নির্বাহি সদস্য), জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ (নির্বাহি সদস্য), অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ (নির্বাহি সদস্য), অধ্যাপক মাহফুজা খানম (নির্বাহি সদস্য) এবং জনাব লায়লা রহমান কবির (নির্বাহি সদস্য)৷ সারা দেশ থেকে আগত সুজনের বিভিন্ন ইউনিয়ন, জেলা, উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দরা নিজ খরচে এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন৷ এছাড়া সম্মেলনে উত্থাপিত সুজনের প্রস্তাবসমূহের প্রতি উপস্থিত সকলেই ঐকমত্য পোষণ করেন৷

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s