রাজনীতি নিয়ে শুধু রাজনীতিবিদেরাই কি মাথা ঘামাবেন

বদিউল আলম মজুমদার

দুই নেত্রীকে এক টেবিলে বসানোর উদ্যোগ নেওয়ার কারণে একজন বর্ষীয়ান আইনজীবী ও একজন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে রাজনীতিতে নাক গলানোর অভিযোগ উঠেছে। আমরা নিজেরাও, যারা নির্দলীয় অবস্থান থেকে বহুদিন ধরে রাজনৈতিক সংস্কার এবং রাজনীতিতে সৎ ও জনকল্যাণে নিবেদিতদের নেতৃত্বের পক্ষে সোচ্চার কণ্ঠ−অনেকবার তিরস্কারের শিকার হয়েছি এবং নিজের চরকায় তেল দেওয়ার জন্য অনেকের কাছ থেকে উপদেশ পেয়েছি। এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরোক্ষ হুমকিরও সম্মুখীন হয়েছি। আবার অনেক সময় আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতায় সন্দেহ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমর্থক বলে আমরা আখ্যায়িতও হয়েছি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মিথ্যা অপপ্রচার এবং অহেতুক আক্রমণের মুখেও পড়েছি। এসব প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য আমাদের মতো প্রতিবাদী ও পরিবর্তনকামী কণ্ঠকে রুদ্ধ করা।

রাজনীতি নিয়ে ভাবার ও কথা বলার অধিকার কি শুধু রাজনীতিবিদদেরই? তাঁরা কি এ ব্যাপারে ঠিকাদারিত্ব নিয়েছেন? চার্লস ড্যাগল একবার বলেছিলেন, ‘ওয়ার ইজ টু ইম্পরটেন্ট টু বি লেফট টু দ্য জেনারেলস’−অর্থাৎ যুদ্ধ এত গুরুত্বপূর্ণ যে যা শুধু জেনারেলদের হাতে ছেড়ে দেওয়া যায় না। সেরূপ রাজনীতি নিয়ে কথা বলার অধিকারও কি শুধু রাজনীতিবিদদের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত।

অবশ্যই রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন রাজনীতিবিদেরা। এ গুরুদায়িত্ব তাঁদেরই যাঁরা জনসেবা ও মানবকল্যাণকে ব্রত হিসেবে নিয়েছেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়, যে পদ্ধতিতে জনগণের সম্মতির শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়, রাজনীতিবিদেরাই জনপ্রতিনিধি হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করবেন। এ ক্ষেত্রে তাঁরা অবশ্য পেশাজীবী ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ ব্যক্তিদের সহায়তা নিতে পারেন। তবে ‘প্রতিনিধিত্বশীল’ গণতন্ত্রের পরিবর্তে ‘অংশগ্রহণমূলক’ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রশাসনের সব স্তরেও জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা আবশ্যক। আর এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে শক্তিশালী ও কার্যকর স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমেই তা করা সম্ভব। আমাদের সংবিধান সে ধরনের নির্দেশনাই দিয়েছে।

তবে সাধারণ নাগরিকও রাজনীতিতে অংশ নিয়ে এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ নিতে পারেন। এটি তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার। রাজনীতি নিয়ে মতপ্রকাশ করা অবশ্য তাঁর সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার−তাঁর বাকস্বাধীনতার অংশ, স্বাধীন দেশের নাগরিক হওয়ার প্রতীক। একই সঙ্গে নাগরিকের রয়েছে রাজনীতিকে সুস্থপথে পরিচালিত করার লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়ার অধিকার। তাই রাজনীতিবিদ ও সাধারণ নাগরিকের অধিকার অনেকাংশেই অভিন্ন।

রাজনীতি হলো মানবকল্যাণ সাধনের পরীক্ষিত পদ্ধতি। এটিকে ‘আর্ট অব কম্প্রোমাইজ’ বা সমঝোতায় পৌঁছার কলাকৌশল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায়ই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নীতিনির্ধারণী ও নীতি বাস্তবায়নসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছা যায়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তাসহ নাগরিকের জীবনের সব ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। তাই এগুলো নিয়ে মাথা ঘামানো নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত। প্রসঙ্গত, একটি স্বাধীন দেশে নাগরিকের শুধু অধিকারই থাকে না, তার দায়িত্ব-কর্তব্যও থাকে। রাজনীতিকে কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে অবদান রাখা যার অন্যতম। আর এ লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়াও এ দায়িত্ব-কর্তব্যের আওতাভুক্ত। তাই যত বেশিসংখ্যক নাগরিক রাজনৈতিক সচেতনতা বোধের ভিত্তিতে মতামত প্রকাশ ও কার্যকর উদ্যোগ নেবেন, রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের জন্য তত বেশি মঙ্গলকর। আর সোচ্চার ও সক্রিয় নাগরিকেরা যত বেশি দলনিরপেক্ষ হন, রাষ্ট্রে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ তত বেশি সুগম হয়। কারণ, দলনিরপেক্ষ ব্যক্তিরা সাধারণত ক্ষুদ্র স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে বিবেকের তাড়নায় কথা বলেন। তাঁরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ান। তাঁরা ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে ‘প্রেসার গ্রুপ’ হিসেবে কাজ করেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। দাতা কিংবা অন্য কোনো স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বার্থ রক্ষার পরিবর্তে তাঁরা রাষ্ট্র ও নাগরিকের কল্যাণের বিবেচনাতেই এমন উদ্যোগ নেন। নির্দলীয় সচেতন ব্যক্তিরা, মিডিয়া ও বেসরকারি কিছু প্রতিষ্ঠান, এক কথায় সচেতন নাগরিক সমাজ সাধারণত এমন উদ্যোগ নেয়। আর তাদের প্রচলিত ভাষায় ‘সিভিল সোসাইটি’ বা ‘সুশীল সমাজ’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। কিনতু দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশে সুশীল সমাজ শব্দদ্বয়কে একটি গালিতে পরিণত করা হয়েছে−প্রতিবাদী এবং পরিবর্তনকামীদের কণ্ঠ রোধ করার লক্ষ্যেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্বার্থান্বেষীদের পক্ষ থেকে তা করা হয়েছে। ‘উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে’ চাপানোর এ এক নগ্ন অপচেষ্টা!

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশে নির্দলীয় সচেতন নাগরিক সমাজের অবস্থা খুবই নাজুক। ১৯৯০ সালেও একটি অত্যন্ত সজীব ও সক্রিয় সচেতন নাগরিক সমাজ আমাদের দেশে বিরাজমান ছিল, যারা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা রেখেছিল। কিনতু দুর্ভাগ্যবশত গত দেড় দশকে তাদের সংখ্যা এবং কার্যকারিতা ক্রমাগতভাবে বিলুপ্ত হতে থাকে।

নির্দলীয় সচেতন নাগরিক সমাজের করুণ অবস্থার জন্য দায়ী মূলত আমাদের নষ্ট রাজনীতির আগ্রাসন। গত দেড় দশকে আমাদের রাজনীতি হয়ে পড়েছে দলবাজি ও ফায়দাবাজির আখড়া। রাজনৈতিক দল গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য, কিনতু দলবাজি ও ফায়দাবাজি ন্যায়নীতির পরিপন্থী এবং অপশাসনের নগ্ন হাতিয়ার। দলীয় বিবেচনায় সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং দলের প্রতি অনুগতদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা ন্যায়পরায়ণতার পরিবর্তে ফায়দা হিসেবে প্রদান আমাদের নির্দলীয় নাগরিক সমাজের বর্তমান অবস্থার জন্য অনেকাংশে দায়ী। যেমন দলীয় বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি কর্মকর্তাদের পদোন্নতি প্রদান, মিডিয়ার লাইসেন্স প্রদান ইত্যাদির ফলে আমাদের গণতান্ত্রিক শাসনামলে দলনিরপেক্ষ ব্যক্তিরা ব্যাপকভাবে বঞ্চিত হয়েছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে চাপের মুখে পড়েছেন। অর্থাৎ নিরপেক্ষ থাকার ‘মূল্য’ আমাদের সমাজে ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে অনেক বিবেকবান ব্যক্তি নিষ্ত্রিকয় এবং নিশ্চুপ হয়ে গেছেন, আবার অনেকে নিজের অস্তিত্বের স্বার্থেই প্রধান দলগুলোর একটিতে যোগ দিয়েছেন। ফলে অধিকাংশ সচেতন নাগরিকই বর্তমানে দলের প্রতি অনুগত হয়ে পড়েছেন এবং এ কারণে ‘শুধুমাত্র শিশু ও পাগল ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নন’ বলে অনেকে দাবি করেন। ফায়দা প্রদানের মাধ্যমে সৃষ্ট চেইন দলের প্রতি অন্ধ আনুগত্য সৃষ্টি করেছে এবং জাতিকে আজ চরমভাবে বিভক্ত করে ফেলেছে। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের গণতান্ত্রিক শাসনামলের এটি একটি বড় নেতিবাচক অবদান, যা জাতি হিসেবে আমাদের অগ্রযাত্রাকে প্রবলভাবে বাধাগ্রস্ত করছে।

আমাদের দেশের বেসরকারি সংগঠনগুলোও অনেক ক্ষেত্রে দলবাজির শিকারে পরিণত হয়েছে। ফলে অনেক বেসরকারি সংগঠনের বিরুদ্ধেই এখন দলীয় আনুগত্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া আমাদের অনেক বেসরকারি সংগঠন এখন দাতাদের ঠিকাদারে পরিণত হয়েছে এবং দাতাদের চিহ্নিত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতেই পরিচালিত হচ্ছে। তাই এসব সংগঠনের পক্ষেও অনেক সময় দলনিরপেক্ষভাবে এবং পুরোপুরি জনস্বার্থে কাজ করা সম্ভবপর হয়ে ওঠে না।

আমাদের প্রতিবেশী ভারতের দিকে তাকালে আমরা নির্দলীয় নাগরিক সমাজের অবদান সুস্পষ্টভাবে দেখতে পাই। ভারতের শিক্ষক, সাংবাদিক, আইনজীবী ও অন্যান্য পেশাজীবীর প্রতিবাদী কণ্ঠের কারণেই সে দেশে অনেক অন্যায় কাজ প্রতিহত এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি সংগঠনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। যেমন, নির্বাচনের প্রার্থীদের সম্পর্কে ভোটারদের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকারের লড়াই ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের একদল অধ্যাপকের নেতৃত্বে সৃষ্ট ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস’-এর দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। ভারতীয় তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও ‘লোক সত্তা’সহ অনেক বেসরকারি সংগঠন অনন্য ভূমিকা রেখেছে। ফলে ভারতে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে এবং সুশাসন কায়েমের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতিশোধপরায়ণ হওয়ার পরিবর্তে এসব প্রতিবাদী কণ্ঠকে সরকার উৎসাহিত করে এবং ভারতীয় রাজনীতিবিদেরা শ্রদ্ধার সঙ্গে তাদের সঙ্গে আচরণ করেন।

কিনতু দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশে পরিস্থিতি যেন সম্পূর্ণ বিপরীত। অতীতে রাজতন্ত্রের আমলে যুদ্ধক্ষেত্রে বিপর্যয়ের সংবাদ বহনকারী দূতকে হত্যা করা হতো বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এমনকি সত্য বলার জন্য সক্রেটিসকেও হেমলক বিষপান করে মৃত্যুবরণ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। মৃত্যুর আগে তাঁর উচ্চারিত বাক্য দুটি অত্যন্ত প্রণিধানযোগ্য−‘বিদায়ের সময় এসেছে, আমি মৃত্যুবরণ করব, আর তুমি বেঁচে থাকবে। কোনটি উত্তম সৃষ্টিকর্তাই জানেন।’ আমাদের সমাজেও এমনই ‘কিল দ্য ম্যাসেঞ্জার’-এর বা দুঃসংবাদ বহনকারীকে শত্রু ভাবার সংস্কৃতি এখনো বিদ্যমান রয়েছে বলে মনে হয়। অর্থাৎ আমাদের বাস্তবতায় যাঁরাই রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে অযোগ্যতা ও অপশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হন, তাঁরাই ক্ষমতাসীনদের এবং অন্যান্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আক্রমণের শিকার হন।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে এটি সুস্পষ্ট যে রাজনীতিবিদদের মতো সর্বস্তরের নাগরিকদেরও রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামানোর ও কথা বলার এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে সুসংহত করার ক্ষেত্রে অবদান রাখার অধিকার রয়েছে। যে দেশে এ অধিকার বেশি প্রয়োগ করা হয়, সে দেশেই অন্যায়-অবিচার কম হয় এবং গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেওয়ার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথ নিষ্কণটক হয়। তাই নির্দলীয় নাগরিক সমাজের বর্তমান দুরবস্থা আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও নাগরিক অধিকারের প্রতি চরম হুমকিস্বরূপ। আর এ অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে বের করা আজ আমাদের জন্য জরুরি। তাই ‘সুজন−সুশাসনের জন্য নাগরিক’-এর পক্ষ থেকে আমরা সারা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নির্দলীয় নাগরিকদের সংগঠিত করার চেষ্টা করছি এবং আশার কথা যে ইতিমধ্যে সমাজের সর্বস্তরের কয়েক সহস্র ব্যক্তি সুজনের পতাকাতলে সমবেত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রাণিকুলের পরিবর্তনের ইতিহাস পর্যালোচনা করে বিখ্যাত বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন বলেছেন, ?It is not the strongest species that survived, nor the most intelligent, but the one most responsive to change.? (প্রাণিকুলে সবচেয়ে শক্তিশালী কিংবা সবচেয়ে বুদ্ধিমানেরা টিকে থাকেনি, বরং পরিবর্তনের সঙ্গে যারা খাপ খাওয়াতে পেরেছে, তারাই টিকে রয়েছে।) পরিবর্তন না ঘটলে এভাবে জাতি হিসেবে আমরা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ সংকটের মধ্যে নিপতিত হব। তাই আজ আমাদের জন্য ‘সোশ্যাল ডারউইনিজম’ বা সামাজিক ডারউইনবাদের চর্চা অত্যন্ত জরুরি।

ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন−সুশাসনের জন্য নাগরিক।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ১১ অক্টোবর ২০০৮

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s