প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রদত্ত তথ্য প্রকাশের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্তত ১০০ প্রার্থীর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৩০২ ধারায় খুনের মামলা রয়েছে। প্রার্থীদের মধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ২ ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের কারাদণ্ড মওকুফ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের ২৫ শতাংশ এবং বিএনপি’র ৪৯ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বর্তমানে বিভিন্ন ফৌজদারি মামলা রয়েছে।  অনেক প্রার্থী ঋণখেলাপি এবং সরকারি ঠিকাদার। গাড়ি বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে অনেকের বিরুদ্ধে। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের ব্যক্তিগত হলফনামা পর্যালোচনা করে ‘সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক’ এই তথ্য প্রকাশ করে। গত ২৫ ডিসেম্বর, ২০০৮ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সকল তথ্য প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত তথ্যে আরো বলা হয়, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মধ্যে ৮০ শতাংশই উচ্চ শিক্ষিত এবং অধিকাংশই ব্যবসায়ী।

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ বলেন, আগে রাজনীতি অর্থনীতিকে চালাতো, এখন অর্থনীতি রাজনীতিকে চালাচ্ছে। এ কারণেই রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী প্রার্থীদের প্রাধান্য দিয়েছে। ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রার্থী তালিকায় উচ্চ শিক্ষিতদের সংখ্যা বৃদ্ধি একটি ইতিবাচক দিক। সমাগ্রিক বিচারে বিএনপি’র চেয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা তুলনামূলকভাবে ভালো বলে মন্তব্য করেন তিনি। যোগ্যতা-অযোগ্যতার মাপকাঠি প্রয়োগে নির্বাচন কমিশন দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে উল্লেখ করে জনাব এম হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, নির্বাচনে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত করা এখন ভোটারদের দায়িত্ব।

মূল প্রবন্ধটি ডাউনলোড করুন

Advertisements