স্থানীয় সরকার: অন্তত এক বছরের জন্য অধ্যাদেশগুলো অনুমোদন করুন

বদিউল আলম মজুমদার
দিন বদলের প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। দিন বদল করতে হলে অবশ্যই আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং রাষ্ট্রে সুশাসন কায়েম করতে হবে। আর গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে এর শেকড় আরও গভীরে নিয়ে যেতে হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষের দোরগোড়ার সরকারগুলোকে জন-অংশগ্রহণ ও স্বচ্ছ-জবাবদিহিমূলক করতে হবে−বস্তুত জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার চর্চা তৃণমূলেই সম্ভব। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে দারিদ্র্য দূরীকরণ, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, জনঅংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার চর্চার সমস্যা একই সুতায় গাঁথা এবং এগুলো থেকে উত্তরণের জন্য স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার কোনো বিকল্প নেই।

আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাঁর দারিদ্র্য দূরীকরণ: কিছু চিন্তা ভাবনা শীর্ষক গ্রন্থে সঠিকভাবেই বলেছেন, ‘দারিদ্র্য দূরীকরণ প্রকল্পভিত্তিক বা সমাজকল্যাণমূলক, ছিটেফোঁটা অনুদান বা ঋণ বিতরণ বা খয়রাতি সাহায্য হিসেবে কর্মসূচি গ্রহণ করলে চলবে না বাড়াতে হবে তার অধিকার-সচেতনতা, তার সংগঠন করার ক্ষমতা, স্থানীয় পর্যায়ে স্ব-শাসিত সরকারের (Local Self-government) কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণের মাত্রা।’

স্থানীয় সরকারের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও লিখেন, “ইতিপূর্বে ‘স্থানীয় সরকার’ গড়ার প্রচেষ্টা বিভিন্ন সময়ে দেখা গেলেও কার্যত তা কেন্দ্রীয় সরকারের সম্প্রসারিত শাখায় পর্যবসিত হয়েছিল এবং অনেক ক্ষেত্রেই স্থানীয় সরকারকে সরকারি দলের রাজনৈতিক প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া যেমন একটি দিক, স্থানীয় সংগঠনের প্রতিনিধিদের অধিকার-সম্প্রসারণও তেমনি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমি এখানে যে স্থানীয় সরকারের কথা বলছি, তা হবে স্থানীয় পর্যায়ে সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চালিকাশক্তি। এর জন্য চাই স্থানীয় সরকার কাঠামোর প্রতিনিধিত্বশীলতা ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্তি, কেন্দ্রীয় সরকার ও আমলাতন্ত্রের প্রভাববলয়ের বাইরে এর স্ব-অধিকার প্রয়োগের ক্ষমতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে স্বাবলম্বিতা অর্জনের নিশ্চয়তা।”

দেশের অধিকাংশ সচেতন নাগরিকেরও একই আকাঙ্ক্ষা। কিনতু আমাদের আশঙ্কা যে আমাদের মহান জাতীয় সংসদ স্থানীয় সরকার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে আমরা গণমাধ্যমের সূত্রে জেনেছি, তা এ আকাঙ্ক্ষাকে অপূর্ণই রেখে দেবে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশের পরিবর্তে ১৯৯৮ সালের উপজেলা আইন, দুটি ভাইস চেয়ারম্যানের পদের বিধান যুক্ত করে পুনর্বহালের সুপারিশ করা হবে। স্মরণ করা যেতে পারে, ১৯৯৮ সালের উপজেলা আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫-এর অধীন একক আঞ্চলিক এলাকা হইতে নির্বাচিত সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য পরিষদের উপদেষ্টা হইবেন এবং পরিষদ উপদেষ্টার পরামর্শ গ্রহণ করিবেন।’ অর্থাৎ আইনের এ বিধানটি কার্যকর হলে উপজেলা পরিষদ সংসদ সদস্যদের কর্তৃত্বে পরিচালিত হবে। এ ধরনের ব্যবস্থা−আমার বিনীত নিবেদন−আমাদের সংবিধানের পরিপন্থীই হবে না, এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হবে। একই সঙ্গে এটি হবে ক্ষমতার বিভাজননীতির (principles of separation of powers) সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

অনেকেরই জানা আছে, আমাদের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নীতিনির্ধারণী বিষয়ে সংসদীয় বিতর্কে অংশগ্রহণ, আইন প্রণয়ন ও সংশোধন এবং পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটির মাধ্যমে প্রশাসনের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ আইন প্রণয়ন কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত। উল্লেখ্য, সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যে প্রতিষ্ঠানকে সাংবিধানিকভাবে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সে প্রতিষ্ঠানের শুধু সে দায়িত্বই পালন করার কথা। তাই মাননীয় সংসদ সদস্যদের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব দিলে তা হবে সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এটি হবে সংবিধানের ৫৯(১) অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। স্থানীয় সরকারসংক্রান্ত সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ‘আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশে স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।’ সংসদ সদস্যরা অবশ্যই আইনানুযায়ী নির্বাচিত, তবে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জন্য নয়। তাঁরা জাতীয় দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য−তাঁরা জাতীয় নেতৃত্ব।

সংসদ সদস্যদের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের কুদরত-ই-এলাহী বনাম বাংলাদেশ মামলার [৪৪ ডিএলআর (এডি)(১৯৯২)] রায়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। বিজ্ঞ আদালত তাঁর সর্বসম্মত রায়ে বলেছেন, ‘যদি সরকারি কর্মকর্তা কিংবা তাঁদের তল্পিবাহকদের স্থানীয় সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে সেগুলোকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বলা যাবে না।’ সংসদ সদস্যদের সম্পৃক্ততায় সৃষ্ট স্থানীয় সরকারের ক্ষেত্রেও একই যুক্তি প্রযোজ্য হবে বলে অনেকের ধারণা। কারণ এটি হবে সংবিধানবহির্ভূত একটি তথাকথিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান।

আধুনিক রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় সব ক্ষমতাকে বিভাজিত করে নির্বাহী বিভাগ, আইন পরিষদ বা পার্লামেন্ট ও বিচার বিভাগের ওপর ন্যস্ত করা হয়। এর লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগে ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্সেস’ বা ভারসাম্য সৃষ্টি করা, যাতে কোনো বিভাগেই বাড়াবাড়ি করতে না পারে। ক্ষমতার বিভাজননীতি আমাদের সংবিধানেরও মৌলিক কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত। সংসদ সদস্যদের ওপর স্থানীয় সরকারের কর্তৃত্ব দেওয়া হলে তাঁরা নির্বাহী বিভাগের কাজে জড়িত হবেন, যা হবে ক্ষমতার বিভাজননীতির সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। এভাবে তাঁরা স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নৈতিক অধিকার হারাবেন।

এ ছাড়া আমাদের আশঙ্কা, আইনের মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের স্থানীয় সরকারের কর্তৃত্ব দেওয়া হলে তা হবে ‘কালারেবল লেজিসলেশন’ বা বিকৃত আইন। প্রত্যক্ষভাবে যা করা যায় না, পরোক্ষভাবে তা করলে তাকে কালারেবল লেজিসলেশন বলা হয়। সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের অধীনে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা করে উপজেলা পরিচালনার দায়িত্ব দিলে তা বিকৃত আইন না হয়ে পারে না।

স্থানীয় উন্নয়নকাজে যুক্ত করার লক্ষ্যে সংসদ সদস্যদের ভারতের মতো বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে আমি আগে লিখেছি (প্রথম আলো, ২৪ জানুয়ারি, ২০০৮)। আমি আরও লিখেছি আমেরিকার ‘পোর্ক-ব্যারাল’ স্কিম সম্পর্কে, যার পুনরাবৃত্তি নিষ্প্রয়োজন। তবে সংসদ সদস্যদের উন্নয়নে যুক্ত হওয়ার সম্পর্কে আমেরিকার সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানদের ‘কনস্টিটিউয়েন্সি সার্ভিস’-এর উদাহরণ তুলে ধরা হয়। তবে কনস্টিটিউয়েন্সি সার্ভিসের মাধ্যমে নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রয়োজনে সহায়তা দেওয়া হয়−এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের কোনো কাজে আইনপ্রণেতারা জড়িত হন না। আর স্থানীয় উন্নয়নকাজে সম্পৃক্ত হলে যদি নির্বাচনে জেতা যেত, তাহলে মহাজোটের পরিবর্তে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় থাকত এবং বিএনপির সাবেক ১২৯ জন সংসদ সদস্য যাঁরা গত নির্বাচনেও অংশ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে মাত্র ১৫ জন বিজয়ী হতেন না।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় উন্নয়নে সংসদ সদস্যদের যুক্ত করার পক্ষে যুক্তি হিসেবে আমেরিকার পোর্ক ব্যারাল স্কিমের উদাহরণ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে আইনপ্রণেতাদের নির্বাচনী এলাকায় আইনগতভাবে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এগুলো তাঁদের নিজেদের নামে বরাদ্দ হয় না এবং তাঁরা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কোনোরূপ হস্তক্ষেপও করেন না। আর কনস্টিটিউয়েন্সি সার্ভিসের মাধ্যমে নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রয়োজনে সহায়তা দেওয়া হয়−এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের কোনো কাজে আইনপ্রণেতারা জড়িত হন না।

সম্প্রতি দাবি উঠেছে সংসদ সদস্যদের অফিস প্রদানের। নিঃসন্দেহে সব ধরনের সরঞ্জামসহ তাঁদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা করা আবশ্যক। আরও আবশ্যক তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ লোকবলের সংস্থান। কিনতু এ অফিস সংসদ ভবনে কিংবা এর আশপাশে স্থাপন করাই যুক্তিযুক্ত হবে। উপজেলা পর্যায়ে তা স্থাপন করা হলে তাতে দুটি সম্ভাব্য পরিণতি হবে বলে আমাদের ধারণা। কিছু কিছু উপজেলায় সংসদ সদস্য, নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতাদের সমন্বয়ে একটি ‘এমপি সরকার’ গঠিত হবে। এ ধরনের এমপি রাজত্ব গত জোট সরকারের আমলে বিরাজমান প্রশাসনিক কাঠামোকে সম্পূর্ণ অকার্যকর করে ফেলে এবং দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়নসহ সব অপকর্মের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। আবার অনেক উপজেলায় চরম দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হবে, কারণ সংসদ সদস্যরা স্বাভাবিকভাবেই চাইবেন, যাতে ভবিষ্যতে তাঁদের কোনো প্রতিপক্ষ গড়ে না উঠতে পারে।

১৯৯৮ সালের উপজেলা আইনকে পুনর্বহাল করার বিরুদ্ধে আরেকটি বড় যুক্তি হলো, এর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের ওপর আমলাতন্ত্রের খবরদারি পুনঃ প্রতিষ্ঠিত হবে। আইনের ৫০ ও ৫১ ধারায় উপজেলা পরিষদের কার্যক্রমের তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া আইনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বায়ত্ত শাসন ও ক্ষমতা খর্বকারী আরও অনেক বিধান রয়েছে। আমলাতন্ত্রের অযাচিত হস্তক্ষেপ ও রাজনৈতিকভাবে হয়রানি রোধকল্পে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ থেকে এসব বিধান রহিত করা হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের প্রতি অন্যায় আচরণ রোধ এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে অধিক সম্পদ দেওয়ার পথ সুগম করার লক্ষ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে ‘স্থানীয় সরকার কমিশন’। উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের বিএনপি সরকার এবং ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গঠিত দুটি কমিশনই এ ধরনের একটি কাঠামো সৃষ্টির সুপারিশ করে। তাই স্থানীয় সরকার কমিশনকে বিলুপ্ত করার যৌক্তিকতা অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়।

পরিশেষে এটি সুস্পষ্ট যে সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়নের কাজে যুক্ত করা হলে, স্থানীয় সরকার সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণই থেকে যাবে। এটি হবে সংবিধানের নগ্ন লঙ্ঘন, আদালতের রায়ের পরিপন্থী, স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন বিস্তারের সহায়ক ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টির উৎস। আমাদের আশঙ্কা, এর অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হবে উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থবিরতা, দারিদ্রের ব্যাপকতা ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অকার্যকারিতা। এ অবস্থায় অন্তত এক বছরের জন্য অধ্যাদেশগুলো অনুমোদন করার এবং এক বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে এগুলোকে পরিবর্তন-পরিবর্ধন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য নীতিনির্ধারকের কাছে সবিনয় অনুরোধ জ্ঞাপন করছি।

ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন−সুশাসনের জন্য নাগরিক।
তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s