স্থানীয় সরকার: ‘পল্লীজীবনে গতিশীলতা’ কোন পথে?

বদিউল আলম মজুমদার
কল্পনা করুন, আপনি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি দরিদ্র পরিবারের মা। আপনি এবং আশপাশের আরও কয়েকটি গ্রামের ৫০-৬০ জন নারী-পুরুষ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তির ডাকে ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে এক বিকেলে একটি কর্মশালায় একত্র হয়েছেন। আলাপ শুরু হয় আপনারা ইউনিয়নকে কীভাবে দেখতে চান তা নিয়ে। একজন প্রশিক্ষিত উজ্জীবকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত ব্যাপক আলাপ-আলোচনা শেষে আপনারা ইউনিয়নকে নিয়ে আপনাদের স্বপ্ন বা প্রত্যাশা নির্ধারণ করেন।

মোটা দাগে আপনাদের নির্ধারিত প্রত্যাশা হলো কৃষি ও পল্লীজীবনে নতুন প্রাণসঞ্চার করে দারিদ্র্যমুক্ত একটি আত্মনির্ভরশীল ইউনিয়ন গড়ে তোলা। এ প্রত্যাশা অর্জনের লক্ষ্যে আপনারা ঠিক করেন যে ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শেখার সুযোগ পাবে এবং ইউনিয়নে অবস্থিত সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা হবে। এ লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে সক্রিয় করা হবে। আপনাদের ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিকটি ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে পুনরায় চালু হবে এবং এলাকার জনগণকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেবে। নিরাপদ পানির সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে সরকারের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের সহায়তায় গ্রামে গ্রামে সংরক্ষিত পুকুর নির্ধারণ এবং বৃষ্টির পানি ধরে রাখার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনারা আরও ঠিক করেন যে নারী নির্যাতন, যৌতুক, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নিরক্ষতা দূরীকরণ, পরিকল্পিত পরিবার গঠন, পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, মাদক ও ধূমপান রোধ, খোলা পায়খানা দূরীকরণ, জৈব সার ও কীটনাশক ব্যবহার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার লক্ষ্যে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সহায়তায় বেকার ছেলেমেয়েসহ আগ্রহী ব্যক্তিদের গরু মোটাতাজাকরণ, হাঁস-মুরগি চাষ, মৎস্য চাষ, শাকসবজি চাষ ইত্যাদি বিষয়ে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে, যাতে গ্রামের প্রতিটি বাড়ি একটি খামারের রূপ নিতে পারে। প্রয়োজনীয় পুঁজির জোগান ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিদের একতাবদ্ধ করে সংগঠন গড়ে তোলা হবে।

তুমুল বির্তকের পর আপনার এবং কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সবার মধ্যে এ উপলব্ধি হয় যে প্রত্যাশিত দারিদ্র্যমুক্ত আত্মনির্ভরশীল ইউনিয়ন সৃষ্টি করা সম্ভব। এ জন্য সর্বাধিক প্রয়োজন সকল ইউনিয়নবাসীর একক ও দলবদ্ধ উদ্যোগ। আরও প্রয়োজন সক্রিয়, স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ ইউনিয়ন পরিষদ। একই সঙ্গে প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সুযোগ-সুবিধাগুলো সহজলভ্য করে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। তবে একটি বিষয়ে সবাই একমত হন যে নিজেদের উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমেই প্রত্যাশিত ইউনিয়ন গঠনের কাজের সূচনা হতে হবে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আরও উপলব্ধি হয় যে সামাজিক সমস্যাগুলো দূরীকরণের জন্য বাইরের আর্থিক সহযোগিতার প্রয়োজন নেই, এর জন্য সামাজিক আন্দোলন বা প্রতিরোধই যথেষ্ট এবং এগুলো সমাধানের মাধ্যমেই কর্মসংস্থানের মতো দুরূহ সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হবে।

কর্মশালায় সিদ্ধান্ত হয় যে দারিদ্র্যমুক্ত আত্মনির্ভরশীল ইউনিয়ন গঠনের লক্ষ্যে প্রথম কাজটি হবে ছাত্রছাত্রীদের সহায়তায় স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ইউনিয়নকে নিরক্ষরমুক্ত করা। কর্মশালায় আরও সিদ্ধান্ত হয় যে ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের বাসিন্দাদের জাগিয়ে তোলার ও সংগঠিত করার লক্ষ্যে প্রতি গ্রাম থেকে একটি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক, যেমন অন্তত ১০ জন নারী-পুরুষ নিয়ে ২০০ জনকে স্বেচ্ছাব্রতী উজ্জীবক হিসেবে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা আশা করেন যে দারিদ্র্যমুক্ত আত্মনির্ভরশীল ইউনিয়ন সৃষ্টির লক্ষ্যে তাঁদের গৃহীত কার্যক্রমকে সহায়তা করতে সরকার এগিয়ে আসবে। বিশেষত, ইউনিয়ন পরিষদকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা, স্বাধীনতা ও সম্পদ দেওয়া হবে এবং ইউনিয়নে নিযুক্ত কৃষি কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবার পরিকল্পনা সহকারীসহ সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রদত্ত সেবা জনগণের কাছে দায়বদ্ধতার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তাঁদের ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে ন্যস্ত করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন, সকল প্রকার সরকারি সেবার (যেমন, বয়স্কভাতা) উপকারভোগী নির্ধারণ, সর্বোপরি ইউনিয়নের সকল কার্যক্রমে জনসম্পৃক্ততা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতি ওয়ার্ডে ‘ওয়ার্ড সভা’র আয়োজন বাধ্যতামূলক করা হবে। একই সঙ্গে এলাকার আগ্রহী ব্যক্তিদের অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে তাদের সম্পৃক্ত করে ইউনিয়ন পরিষদ স্থায়ী কমিটিগুলোকে সক্রিয় করবে। উপরনতু ‘পল্লী উন্নয়ন ব্যাংক’ সৃষ্টির মাধ্যমে ইউনিয়নে সংগঠিত জনগোষ্ঠীকে স্বল্প সুদে ঋণ, সহজশর্তে ফসল বীমা, জীবন/স্বাস্থ্য বীমা ইত্যাদি প্রদানের মাধ্যমে সরকার তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং সরকারি সম্পদে ন্যায্য প্রাপ্য তাদের কাছে পৌঁছে দেবে।

এবার কল্পনার রাজ্য থেকে বাস্তবে ফিরে আসুন। লক্ষ করুন যে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এমন একটি কর্মসূচির ঘোষণাই যেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তার ‘দিনবদলের সনদ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহারে দিয়েছে। ‘দারিদ্র্য ঘোচাও বৈষম্য রুখো’ শিরোনামের কর্মসূচিতে অঙ্গীকার করা হয় যে ‘২০১৩ সালের মধ্যে দারিদ্র্যসীমা ও চরম দারিদ্র্যের হার যথাক্রমে ২৫ ও ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। বর্তমানের ৬ দশমিক ৫ কোটি দরিদ্রের সংখ্যা ২০১৩ সালে হবে ৪ দশমিক ৫ কোটি এবং ২০২১ সালে হবে ২ দশমিক ২ কোটি।’ এসব লক্ষ্য অর্জনের ‘প্রধান কৌশল হবে কৃষি ও পল্লীজীবনে গতিশীলতা’ অর্জন বা পুনর্জাগরণ। ইশতেহারে আরও ঘোষণা দেওয়া হয় যে অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে বিগত আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে গৃহীত ‘একটি বাড়ি একটি খামার’, আদর্শ গ্রাম ইত্যাদি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে ইশতেহারে বর্ণিত দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। কারণ বারবার এ দেশের জনগণ প্রমাণ করেছে যে সামান্যতম সহযোগিতা পেলেই অনেক দুরূহ চ্যালেঞ্জ তারা মোকাবিলা করতে সক্ষম। তবে দারিদ্র্য দূরীকরণের নির্ধারিত এ লক্ষ্য গতানুগতিক প্রকল্পভিত্তিক, আমলনির্ভর কর্মসূচি ও দান-খয়রাত প্রদানের মাধ্যমে অর্জিত হবে না। শুধু উচ্চ প্রবৃদ্ধির হার অর্জন করলেও তা হবে না। এর জন্য প্রয়োজন হবে একটি গণকেন্দ্রিক উন্নয়ন ধারার। সাধারণ জনগণ, সচেতন নাগরিকসমাজ, স্বশাসিত ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টা হবে যার মূল ভিত্তি। ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সৃষ্ট একটি সামাজিক আন্দোলনই হবে এর মূল শক্তি।

উল্লেখ্য, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দারিদ্র্য দূরীকরণ: কিছু চিন্তাভাবনা (আগামী প্রকাশনী, ১৯৯৫) গ্রন্থে এমনই একটি উন্নয়ন কৌশলের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন: ‘দারিদ্র্য দূরীকরণ প্রকল্পভিত্তিক বা সমাজকল্যাণমূলক ছিটেফোঁটা অনুদান বা ঋণ বিতরণ বা খয়রাতি সাহায্য হিসেবে কর্মসূচী গ্রহণ করলে চলবে না… দারিদ্র্য যেহেতু বহুমাত্রিক একটি সমস্যা, সেহেতু শুধু দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয় এবং কর্মসংস্থান বাড়ালেই চলবে না, তার খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষমতাও বৃদ্ধি করতে হবে। বাড়াতে হবে তার অধিকার-সচেতনতা, তার সংগঠন করার ক্ষমতা, স্থানীয় পর্যায়ে স্ব-শাসিত সরকারের (Local Self-government)) কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণের মাত্রা… উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার নিশ্চয়ই আমাদেরকে অর্জন করতে হবে। কিনতু শুধু এটুকু বলাই যথেষ্ট নয়… আমাদেরকে সেই কর্মসূচি বেছে নিতে হবে দারিদ্র্য দূরীকরণের potentials যার সবচাইতে বেশি।’

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর গ্রন্থে আরও লেখেন: ‘দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য যে ধরনের উন্নয়ন-চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা দরকার, তার সামর্থ্য বা সদিচ্ছা কোনটাই এই আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্রযন্ত্রের নেই… আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্র-ব্যবস্থা নয়, একমাত্র বিকেন্দ্রীভূত রাষ্ট্র-ব্যবস্থাই দারিদ্র্য দূরীকরণের কর্মসূচী দক্ষতার সাথে বাস্তবায়ন ও তাতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে। এবং এটা করার জন্য দক্ষ প্রতিনিধিত্বশীল একটি স্থানীয় সরকার-কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।’… স্থানীয় সরকার কাঠামোর কর্মকাণ্ড আরও দক্ষভাবে পরিচালিত হবে যদি গ্রাম-পর্যায়ে সকল গ্রামবাসীদেরকে নিয়ে উন্নুক্ত গ্রাম-সভা প্রভৃতি নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে দরিদ্রদের কার্যকর অংশগ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। সমাজের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করার প্রয়োজনীয়তা আজ সবাই স্বীকার করেন।’

উপরিউক্ত ধ্যান-ধারণার আলোকে দারিদ্র্য দূরীকরণ-সংক্রান্ত দিনবদলের সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা একটি সুনির্দিষ্ট ‘পল্লীজীবনে পুনর্জাগরণ’ কর্মসূচির প্রস্তাব করছি। কর্মসূচিটির তিনটি স্তম্ভের ওপর দণ্ডায়মান। প্রথমত, ইউনিয়নের সব জনগণকে উদ্বুদ্ধ, সংগঠিত ও ক্ষমতায়িত করা, যাতে তারা হতাশা-নিরাশা-হাল ছেড়ে দেওয়া মানসিকতার ঊর্ধ্বে উঠে নিজের ভাগ্যোন্নয়নের দায়িত্ব নেয়। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও সংগঠন গড়ে তোলার মাধ্যমে তাদের সৃষ্টিশীলতা, উৎপাদনশীলতা ও নেতৃত্বকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। দ্বিতীয়ত, নারীদের ক্ষমতায়িত করা, যাঁরা গতানুগতিকভাবেই পরিবারের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় চাহিদাগুলো মেটানোর দায়িত্ব নিয়ে থাকেন কিনতু সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো ভূমিকা রাখেন না। তৃতীয়ত, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের গণকেন্দ্রিক উন্নয়ন ধারা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের ভূমিকার রূপান্তর ঘটানো, যাতে সংশ্লিষ্ট সবাই জনগণের আত্ম-উন্নয়ন প্রচেষ্টার অংশীদারে পরিণত হন। এ জন্য অবশ্য প্রয়োজন হবে মাননীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সবার পক্ষ থেকে পুরোনো মানসিকতা পরিহার এবং বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের অঙ্গীকার।

আরও সুস্পষ্টভাবে বলতে গেলে, এ কর্মসূচির কার্যকারিতা প্রদর্শনের লক্ষ্যে আমরা বছরব্যাপী একটি পাইলট প্রকল্পের প্রস্তাব করছি। প্রকল্পের অধীনে দৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি বিভাগের যেকোনো একটি জেলা থেকে দুটি উপজেলা বেছে নিয়ে সেগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, উদ্বুদ্ধকরণ এবং সংগঠিতকরণের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। একইভাবে আরও দুটি উপজেলা ‘কন্ট্রোল গ্রুপ’ হিসেবে বেছে নেওয়া হবে, যেখানে প্রথম দুটি উপজেলার মতো একই হারে সম্পদ যাবে, কিনতু গণকেন্দ্রিক উন্নয়ন প্রচেষ্টার পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হবে না। মোট ২৪টি উপজেলার সব ইউনিয়নের জন্যই ‘বেজলাইন’ তৈরি করা হবে এবং এর আলোকে ছয় মাস ও এক বছর পর কার্যক্রমের মূল্যায়ন করা হবে। এভাবে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে নিরূপিত হবে গণকেন্দ্রিক উন্নয়ন প্রচেষ্টার সফলতা, যা পরে দেশব্যাপী বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আমরা আশা করি যে দিনবদলের সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

বদিউল আলম মজুমদার: গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ১৪ মর্চ ২০০৯

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s