সুশাসন: গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও নাগরিক সমাজের ভূমিকা

palo_logo

বদিউল আলম মজুমদার
প্রায় দুই বছর একটি অনির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে থাকার পর ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণের যাত্রাপথের সূচনা হয়েছে। গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অপরিহার্য, যদিও সত্যিকারের গণতান্ত্রিক শাসন কায়েম হওয়া নির্ভর করবে নির্বাচিত সরকারের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের ওপর। দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। গণতান্ত্রিক উত্তরণের এ সূচনাপর্বে অনেকেরই ভূমিকা ছিল।

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অর্থবহ নির্বাচনের কিছু পূর্বশর্ত রয়েছে। একটি যুগোপযোগী আইনি কাঠামো, নির্ভরযোগ্য ভোটার তালিকা ও যথাযথভাবে নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকা এসব পূর্বশর্তের অন্তর্ভুক্ত। এতে আরও অন্তর্ভুক্ত একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও করিৎকর্মা নির্বাচন কমিশন এবং নিরপেক্ষ সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ছাড়া সুষ্ঠু ও অর্থবহ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ রাজনৈতিক দল, নির্বাচনী মাঠে কালো টাকা ও পেশিশক্তির অনুপস্থিতি, সর্বোপরি গণসচেতনতা ও নাগরিক সক্রিয়তা। সাম্প্রতিক নির্বাচনে এসব পূর্বশর্ত পূরণে নাগরিক সমাজের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

নাগরিক সমাজের সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল গণসচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে। বিশেষত ‘সুজন’ বহুদিন থেকেই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নাগরিক সমাজের আরও ভূমিকা ছিল কতগুলো সংস্কার ধারণা তুলে ধরে এগুলো গ্রহণের লক্ষ্যে চাপ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে। এ ছাড়া নাগরিকদের বিশেষত সুজনের সোচ্চার ভূমিকা ছিল ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরি এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের দাবিতে। নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন ও সংস্কার এবং কমিশন ও সরকারের নিরপেক্ষতা, সর্বোপরি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতেও নাগরিক সমাজের ভূমিকা ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সংসদ নির্বাচনের আগে একটি বিষয় লক্ষণীয় ছিল যে ইলেকট্রনিক কিংবা প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকেরা যেখানেই গেছেন এবং যাদের সঙ্গেই কথা বলেছেন, সবাই বলেছে যে তারা সৎ-যোগ্য ব্যক্তিদের পক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে এবং তারা দুর্নীতিবাজ, দুর্বৃত্ত ও যুদ্ধাপরাধীদের ভোট দেবে না। তারা পরিবর্তনের পক্ষে এবং প্রয়োজনে ‘না’ ভোট দেবে। ভোটারদের এ ধরনের সোচ্চার কণ্ঠের পেছনে ছিল মূলত নাগরিক সমাজের সচেতনতা সৃষ্টিমূলক কার্যক্রম। উল্লেখ্য, এ ধরনের নাগরিক-সচেতনতা ও সোচ্চার কণ্ঠ আগের কোনো নির্বাচনেই দৃশ্যমান ছিল না।

নিঃসন্দেহে জনগণকে সচেতন করার এবং জনগণের কণ্ঠে ভাষা জোগানোর কাজে গণমাধ্যমের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যার পেছনে ছিল অবশ্য নিজেদের মধ্যে প্রবল প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতার হাতিয়ার হিসেবে গণমাধ্যম অনেক নতুন নতুন অনুষ্ঠান তৈরি, প্রচার ও প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং এসব অনুষ্ঠান ও প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু বহুলাংশে আসে নাগরিক সমাজের কাছ থেকে। অনেক সময় গণমাধ্যম এবং নাগরিক সংগঠনগুলোও যৌথভাবে অনুষ্ঠান বা প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু তৈরি করে। রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমও বিষয়বস্তু সৃষ্টি করে, তবে এগুলোয় সাধারণত দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিই প্রতিফলিত হয়েছে। প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবেই অনেক টক শো, সংবাদ বিশ্লেষণ ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, সে ক্ষেত্রেও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ ছিল অপরিহার্য।

নির্বাচনী বিষয়ে নাগরিক-সচেতনতা সৃষ্টির একটি প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ২০০২ সালে তৎকালীন ‘সিটিজেনস ফর ফেয়ার ইলেকশনস’-এর উদ্যোগে, বর্তমানে যা সুজন নামে পরিচিত। উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রার্থীদের থেকে তথ্য নিয়ে প্রোফাইল তৈরি করে তা ভোটারদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে প্রার্থী-ভোটারদের মুখোমুখি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

পরবর্তী সময়ে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ২০০৪ সালে সুজন একটি রাজনৈতিক সংস্কার আন্দোলনের সূচনা করে। এ প্রচেষ্টায় নির্বাচনী প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলের সংস্কার, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিরপেক্ষতা এবং প্রার্থীদের সম্পর্কে ভোটারদের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সার্বিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরে এর পক্ষে জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়। আয়োজন করা হয় অনেক গোলটেবিল বৈঠক, আলোচনা সভা,র্ যালি, মানববন্ধন ইত্যাদির। আরও আয়োজন করা হয় ছাত্রছাত্রীদের জন্য নির্বাচনী বিতর্ক ও নির্বাচনী অলিম্পিয়াডের মতো সৃজনশীল উদ্যোগ, যা ‘চ্যানেল-আই’ বিনা অর্থে জনস্বার্থে প্রচার করে। সুজনের এসব কার্যক্রম এবং আরও বহু ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রচেষ্টার ফলে পরিবর্তনের পক্ষে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি হয় এবং সংস্কার গণদাবিতে পরিণত হয়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল ২০০৫ সালে এ দাবিগুলো তাদের ‘অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি’র অন্তর্ভুক্ত করে এবং এর পক্ষে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালায়। জনগণের দাবির মুখে ড. ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বিচারপতি আজিজের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠিত হয়, ২২ জানুয়ারি ২০০৭ সালের নির্বাচন বাতিল করা হয় এবং কমিশনের সংস্কার উদ্যোগ ও কমিশনকে স্বাধীন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

পরিবর্তনের পক্ষ্যে গণসচেতনতা সৃষ্টির আরেকটি অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি হয় ভোটারদের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিয়ে উচ্চ আদালতে এক লঙ্কাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। কয়েকজন আইনজীবীর পক্ষে একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে হলফনামার মাধ্যমে প্রার্থীদের থেকে তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, আয়ের উৎস, ফৌজদারি অপরাধের ইতিহাস, তাঁদের নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের সম্পদ ও দায়-দেনার বিবরণসহ আট ধরনের তথ্য সংগ্রহ এবং গণমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে এগুলো বিতরণের নির্দেশ প্রদান করেন। আবু সাফা নামে এক কাল্পনিক ব্যক্তি, যাকে আদালতে হাজির করাও সম্ভবপর হয়নি, জালিয়াতির মাধ্যমে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। আপিল বিভাগ প্রথমে আপিল গ্রহণ করে হাইকোর্টের রায় খারিজ করে দিলেও ড. কামাল হোসেন ও তাঁর সহযোগীদের প্রবল প্রতিবাদের মুখে একই দিনে এ রায় প্রত্যাহার করে নেন। সুজনের পক্ষ থেকে জালিয়াতির তথ্য তুলে ধরা হলে আপিল বিভাগ পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। উচ্চ আদালতে অনুষ্ঠিত এসব নাটকীয় ঘটনা গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা লাভ করে, যা গণসচেতনতা সৃষ্টিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।

গণসচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরেকটি বড় অবদান রেখেছে ভোটার তালিকা নিয়ে দেশব্যাপী বিতর্ক। বিচারপতি আজিজের নেতৃত্বে গঠিত নির্বাচন কমিশন প্রণীত ভোটার তালিকায় যে বহু ভুয়া ভোটার ছিল ‘ব্রতী’ ও ‘সুজন’সহ আরও অনেক সংগঠন ও ব্যক্তি তা তুলে ধরে। ভোটার তালিকার অগ্রহণযোগ্যতা তুলে ধরার জন্য একটি ডেটাবেইস তৈরি করে পুরো তালিকা সুজনের ওয়েবসাইটে (িি.িংযঁলধহ.ড়ৎম) পোস্ট করা হয়, যা নিয়ে বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। একটি নির্ভরযোগ্য ভোটার তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে পরবর্তী সময়ে হাইকোর্টে মামলা হলে সুজনের তৈরি ডেটাবেইস আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। সুজন ছাড়া আরও কিছু ব্যক্তি ও সংগঠন ড্যামি তৈরি করে দেখায় যে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব, যার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন এ ধরনের একটি তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেয়।

সিপিডি, প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ও চ্যানেল আইয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘যোগ্য প্রার্থী’ আন্দোলন এবং দেশবরেণ্য নাগরিকদের সমন্বয়ে গঠিত ‘নাগরিক কমিটি’−দেশব্যাপী সংস্কারের পক্ষে একটি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এ আন্দোলন গণসচেতনতা সৃষ্টিতে বিরাট অবদান রাখে। ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ’সহ আরও কিছু সংগঠনের কার্যক্রমও সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।

‘দি হাঙ্গার প্রজেক্ট’, ‘ডেমক্রেসি ওয়াচ’, ‘গভর্নেন্স কোয়ালিশন’ বহুদিন থেকেই স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও কার্যকর করার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। বহু ব্যক্তি ও সংগঠনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ‘স্থানীয় সরকার গতিশীল ও শক্তিশালীকরণ কমিটি’ গঠন করা হয়। কমিটির উদ্যোগে অনেক পরামর্শসভার আয়োজন করা হয়। কমিটির এবং অন্যান্য সংগঠনের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফলেও পরিবর্তনের, বিশেষত স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি হয়। এর ফলেই জানুয়ারি মাসে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

নাগরিক সমাজের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ছিল ‘সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম’-এর পক্ষ থেকে। অনেক দিন আগেই ফোরাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি তোলে, যা পরবর্তী সময়ে জনদাবিতে পরিণত এবং জনগণের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়। বহু ব্যক্তি ও সংগঠন এ ক্ষেত্রে বড় অবদান রাখে।

সুজনের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ছিল নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করে তা লিফলেট আকারে প্রত্যেকটি নির্বাচনী এলাকায় স্বেচ্ছাব্রতীদের মাধ্যমে বিতরণ করা। একই সঙ্গে এসব তথ্য ওয়েবসাইটে (http://www.votebd.org) প্রকাশ করা হয় এবং তথ্যের সারাংশ একাধিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরা হয়। এসব তথ্য জনসচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রাখে। এ ছাড়া প্রতিটি জেলা, অনেক উপজেলা এবং ইউনিয়নে স্বেচ্ছাব্রতীদের নিয়ে গড়ে ওঠা সুজন কমিটিগুলোর উদ্যোগে ‘মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। টিআইবি, সনাকসহ আরও কিছু সংগঠনের সহযোগিতায় ৮৭টি নির্বাচনী এলাকায় এ ধরনের অনুষ্ঠান করা সম্ভব হয়। এসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রার্থীরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতিসংবলিত একটি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন। একই সঙ্গে উপস্থিত ভোটাররাও দুর্নীতিবাজ-দুর্বৃত্ত, কালো টাকার মালিক, দখলদার, ঋণখেলাপি, উগ্রবাদী, যুদ্ধাপরাধী প্রমুখকে ভোটাধিকার প্রয়োগ না করার শপথ গ্রহণ করে।

নিঃসন্দেহে বিভিন্ন সংগঠন ও নাগরিকের প্রচেষ্টায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অর্থবহ নির্বাচনের পক্ষে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি হয়। আরও জনমত সৃষ্টি হয় পরিবর্তনের পক্ষে। এ জনমতই নির্বাচনী প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার নিশ্চিত করে এবং পরবর্তী সময়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। বলা বাহুল্য যে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সৃষ্ট মহাজোট জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা সঠিকভাবে অনুধাবন করে দিনবদলের ডাক দিয়ে জাতীয় নির্বাচনে বিরাট বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ১১ এপ্রিল ২০০৯

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s