অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান: সরকারকে যে বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হবে

palo_logo

বদিউল আলম মজুমদার
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান সরকার গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গৃহীত ‘১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি’ বাতিল করেছে। একই সঙ্গে অতিদরিদ্রদের জন্য আরও সীমিত আকারে আরেকটি কর্মসূচি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাতিল করা ১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি বাস্তবায়ন অনেকটা সমস্যাসংকুল ছিল। তাই প্রস্তাবিত নতুন কর্মসূচিটি সফলভাবে বাস্তবায়িত করতে হলে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি।

স্নরণ করা যেতে পারে, গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে অনেকটা জরুরি ভিত্তিতে ১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে ২০ লাখ ব্যক্তির, যারা বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর (যেমন, ভিজিডি কার্ড, ভিজিএফ কার্ড, কাজের বিনিময়ে খাদ্য, টেস্ট রিলিফ, বয়স্ক-ভাতা, বিধবা-ভাতা, উপবৃত্তি ইত্যাদির) অন্তর্ভুক্ত নয়, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এটি গৃহীত হয়। গত সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসে সারা দেশে এর প্রথম দফা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ কর্মসূচির অধীনে পুকুর ও খাল খনন-পুনঃখনন, রাস্তা ও বাঁধ নির্মাণ-পুনর্নির্মাণ, জৈব সার উৎপাদন, জলাবদ্ধতা নিষ্কাশন, মাটি খনন, ময়লা-আবর্জনা দূরীকরণ, বৃক্ষরোপণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গৃহনির্মাণ, ঘাস ও সবজি উৎপাদন, জাটকা নিধন রোধ কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত ছিল। দ্বিতীয় দফা কার্যক্রম মার্চ-এপ্রিল মাসে শুরু হওয়ার কথা ছিল, যা বাতিল করা হয়েছে।

প্রথম দফায় প্রায় ১৮ লাখ ব্যক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়, যার মধ্যে প্রায় ৮১ শতাংশ ছিল পুরুষ এবং বাকি ১৯ শতাংশ নারী। মোট এক হাজার ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও ব্যয় হয় আনুমানিক ৯১৫ কোটি টাকা। এক লাখ ৪৮ হাজার প্রকল্প অনুমোদিত হলেও এক লাখ এক হাজার প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যদিও এর মধ্যে মাত্র ৫১ হাজার বা অর্ধেক সম্পন্ন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় দৈনিক ভাতা ছিল ১০০ টাকা।

পক্ষান্তরে প্রস্তাবিত নতুন কর্মসূচির পরিধি আরও সীমিত। এটি দরিদ্রতম জেলাগুলোর মাত্র ৭৮টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, বিশ্বব্যাংক ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি কর্তৃক যৌথভাবে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্যের চিত্রে’ অতিদরিদ্র এলাকা বলে চিহ্নিত ১৫টি জেলা হবে এর অন্তর্ভুক্ত। এগুলোর আশপাশের আরও কয়েকটি জেলায়ও কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটির জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় এক হাজার ১৭৬ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৫৬ কোটি টাকা প্রশাসনিক কাজে ব্যয় হবে। প্রত্যেক উপকারভোগীকে দৈনিক ৮০ টাকা হারে সাপ্তাহিক ভাতা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ১৪ লাখ ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

মাত্র ১৫ দিনের প্রস্তুতিতে শুরু করা ১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। প্রথমত, প্রস্তুতির সমস্যা। মাত্র দুই সপ্তাহের প্রস্তুতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়। দ্বিতীয়ত, উপকারভোগী চিহ্নিতকরণে সমস্যা। কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে অনেক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে যথার্থ ব্যক্তি বাদ পড়েছে এবং ‘অযোগ্য’রা এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তৃতীয়ত, কার্যক্রম চিহ্নিতকরণে সমস্যা। অনেক ক্ষেত্রে এ কর্মসূচির অধীনে যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়, তা উৎপাদনশীল বা ফলপ্রসূ ছিল না। চতুর্থত, এটি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার অভাব ছিল, যা দুর্নীতির জন্ন দিয়েছে। নিঃসন্দেহে এগুলো গুরুতর সমস্যা, তবে এ সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব।

স্নরণ রাখা প্রয়োজন, ১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচিটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বাস্তবায়িত হয়েছিল বলে এতে দলীয় প্রভাব তেমন প্রকট ছিল না। দলীয় সরকারের আমলে এ প্রভাব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্নীতির সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে। তবে রাজনৈতিক অঙ্গীকার থাকলে এ সমস্যারও সমাধান সম্ভব।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের শেষ দিকে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে দরিদ্র জনগোষ্ঠী অর্থনৈতিকভাবে দারুণ চাপের মুখে পড়ে। এ সমস্যা কিছুটা লাঘব করার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সরকার ১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি গ্রহণ করে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়। সৌভাগ্যবশত, সে ধরনের জরুরি পরিস্থিতি এখন বিরাজ করছে না। তাই যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের হাতে প্রয়োজনীয় সময় রয়েছে।

অন্য সমস্যাগুলো সমাধান করতে হলে তৃণমূলের ১৩০ বছরের বেশি পুরোনো কাঠামো ইউনিয়ন পরিষদকে সক্রিয় করা আবশ্যক। আরও আবশ্যক এর সঙ্গে জনগণকে, বিশেষত দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কার্যকরভাবে সম্পৃক্তকরণ। বর্তমান সরকার তার দিনবদলের সনদে ইতিমধ্যেই ‘ক্ষমতার বিকেন্দ্রায়ন করে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদকে শক্তিশালী করে প্রতিটি ইউনিয়ন সদরকে স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু, পরিকল্পিত পল্লী জনপদে’ পরিণত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এ ছাড়া ২০২১ সালের জন্য প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে ‘স্থানীয় সরকারকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনৈতিক কাঠামোতে আমূল পরিবর্তন সাধন করা’র, যদিও দুর্ভাগ্যবশত উপজেলা পরিষদ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে তার উল্টোটি ঘটেছে।

আমাদের প্রধানমন্ত্রীও তাঁর ১৯৯৫ সালের দারিদ্র্য দূরীকরণ: কিছু চিন্তাভাবনা গ্রন্থে স্থানীয় সরকারকে ‘স্থানীয় পর্যায়ে সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চালিকাশক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে ‘দরিদ্রদের কার্যকর অংশগ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি’র লক্ষ্যে ‘গ্রাম পর্যায়ে সব গ্রামবাসীকে উন্নুক্ত গ্রাম সভা প্রভৃতি নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত’ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। আমার মনে হয়, এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সৃষ্টির মাধ্যমেই ১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চিহ্নিত সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব।

উন্নুক্ত গ্রাম-সভায় অতি সহজেই স্বচ্ছতার ভিত্তিতে প্রস্তাবিত নতুন কর্মসূচির উপকারভোগী চিহ্নিত করা যেতে পারে। চিহ্নিত করা যেতে পারে কর্মসূচির অধীনে বাস্তবায়নযোগ্য সর্বাধিক উপযোগী কার্যক্রমগুলো। গ্রাম-সভার মাধ্যমে কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত ইউনিয়ন পরিষদের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত করা সম্ভব।

প্রকাশ্যভাবে উপকারভোগী চিহ্নিত করার জন্য একটি ছক ব্যবহার করা যেতে পারে। ছকটিতে কতগুলো ক্রাইটেরিয়া বা মানদণ্ড এবং প্রত্যেকটি মানদণ্ডের জন্য নম্বর বা পয়েন্ট থাকবে। মানদণ্ডগুলো হতে পারে: বিধবা, ভূমিহীন, অন্য কোনো আয়ের উৎস ইত্যাদি। প্রত্যেক মানদণ্ডের জন্য এক থেকে পাঁচ পর্যন্ত নম্বর থাকতে পারে। গ্রাম-সভায় উপস্থিত ভোটাররা ছকটি ব্যবহার করে প্রত্যেক প্রস্তাবিত ব্যক্তির নামের বিপরীতে নম্বর দেবে। সবচেয়ে বেশি নম্বরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই তালিকাভুক্ত হবে। এসব সভায় দরিদ্রদের উপস্থিতি অধিক হারে নিশ্চিত করা গেলে, তাদের নিজেদেরই কর্মসূচির উপকারভোগী নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে সরাসরি ভূমিকা রাখার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এভাবেই তৃণমূলে সরাসরি বা ‘অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র’ চর্চার এবং এর মাধ্যমে জনগণকে ক্ষমতায়িত করার দ্বার উন্নোচিত হবে।

উন্নুক্ত গ্রাম-সভার মাধ্যমে সর্বাধিক উপযোগী কার্যক্রমগুলোও সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব। সভায় উপস্থিত সবার মতামতের ভিত্তিতে তা করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রেও কতগুলো ক্রাইটেরিয়া বা মানদণ্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।

উন্নুক্ত গ্রাম-সভাই নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিদের, যাঁরা কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম−বস্তুত তৃণমূলেই এর চর্চা সম্ভব। ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার-চেয়ারম্যানদের সরাসরি প্রশ্ন করা যেতে পারে, তাঁদের কাছ থেকে হিসাব চাওয়া যেতে পারে এবং কাজের অগ্রগতি বুঝে নেওয়া যেতে পারে, যা ওপরের স্তরে সম্ভব নয়। একজন বিখ্যাত মার্কিন বিচারপতির মতে, দিনের আলোই সর্বোৎকৃষ্ট জীবাণুনাশক।

উল্লেখ্য, প্রতিবেশী ভারতে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে, যা আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের সমতুল্য, গ্রাম-সভার মাধ্যমে উপরিউক্ত কার্যক্রমগুলো সফলতার সঙ্গে পরিচালিত হয়। এর মাধ্যমেই তারা জনগণকে ক্ষমতায়িত করছে। আমাদের দেশেও তা করা সম্ভব। তবে আমাদের অনেক ইউনিয়নের আয়তন ও জনসংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে গ্রাম-সভার পরিবর্তে ওয়ার্ডের সব প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে ওয়ার্ড-সভার আয়োজন করা যেতে পারে। এর মাধ্যমেই ইউনিয়নের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়বে, স্থানীয়ভাবে পরিকল্পনা করা সম্ভব হবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা যাবে। একই সঙ্গে সুস্পষ্ট রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ভিত্তিতে কঠোরতা প্রদর্শন করলে কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দলবাজি ও ফায়দাবাজিও রোধ করা সম্ভব হবে।

পরিশেষে আমরা মনে করি, সরকারের প্রস্তাবিত নতুন কর্মসূচি অতিদরিদ্রদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে ১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ভুল-ত্রুটিগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা আবশ্যক। আমরা মনে করি, ইতিমধ্যেই চিহ্নিত ভুল-ত্রুটিগুলো কাটিয়ে ওঠার উৎকৃষ্টতম মাধ্যম হলো আমাদের অতিপরিচিত ইউনিয়ন পরিষদকে একটি জন-অংশগ্রহণমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্যে গ্রাম-সভা বা ওয়ার্ড-সভার আয়োজন করা। প্রতিবেশী ভারতে এ ধরনের কাঠামো বিরাজমান এবং কার্যকর। প্রস্তাবিত কর্মসূচিকে সফল করার জন্য অবশ্য নিবিড় পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়েছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদকে জনগণের কাছে একটি দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার কোনো বিকল্প নেই।

এ প্রসঙ্গে বলা আবশ্যক, সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় গৃহীত কর্মসূচিগুলো আপৎকালীন বা সাময়িক ব্যবস্থা হতে পারে, কিনতু দারিদ্র্য দূরীকরণের কার্যকর ও স্থায়ী কৌশল হতে পারে না। কারণ, ভিক্ষা-অনুদান দিয়ে ভিক্ষুক তৈরি এবং পরনির্ভরশীলতার মানসিকতা সৃষ্টি করা যায়, কিনতু মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড় করানো যায় না। রবীন্দ্রনাথের দুটো লাইন এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য: ‘তোরা পারবিনে কেউ ফুল ফোটাতে, যতই তোরা পাপড়ি টানিস, আঘাত করিস বোঁটাতে…।’ ফুলের যেমন স্বাভাবিক ধর্ম ফোটা, তেমনিভাবে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আত্মশক্তিসম্পন্ন মানুষের পক্ষেও নিজের পায়ে দাঁড়ানোই স্বাভাবিক। সরকার এবং বেসরকারি উদ্যোগগুলো এ ক্ষেত্রে মালির মতো শুধু সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতেই ভূমিকা রাখতে পারে। তবে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির অন্যতম উপাদান হতে হবে রাষ্ট্রীয় সম্পদে তাদের ন্যায্য প্রাপ্য যাতে তারা পায়, তা নিশ্চিত করা। তাহলেই তাদের সফলতা নিশ্চিত হবে।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন, সুশাসনের জন্য নাগরিক।

তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ১১ মে ২০০৯

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s