সুশাসন: গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে প্রধান বাধা দুর্নীতি

palo_logo

বদিউল আলম মজুমদার
শোনা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসছে। এসব পরিবর্তনের লক্ষ্য হবে, কমিশনের ওপর, বিশেষত তদন্ত, মামলা দায়ের ও প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সরকারের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। আমরা আশা করি যে সরকার এ অনাকাঙ্ক্ষিত কাজ থেকে বিরত থাকবে। কারণ আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা হলো, দুর্নীতি সত্যিকারের গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে প্রধান প্রতিবন্ধক। এ ছাড়া দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করার যেকোনো ধরনের পদক্ষেপ হবে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের পরিপন্থী।

২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে ‘দিনবদলের সনদ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহারে মোটা দাগে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি অগ্রাধিকার চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো: ১. দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রতিরোধ এবং বিশ্বমন্দা মোকাবিলায় সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ, ২. দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, ৩. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যার সমাধান, ৪. দারিদ্র্য ঘোচাও ও বৈষম্য রোখোর ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন, ও ৫. সুশাসন প্রতিষ্ঠাকরণ। অর্থাৎ দুর্নীতি দমন সরকারের দ্বিতীয় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার।

দিনবদলের সনদে দুর্নীতির ক্ষেত্রে সরকারের সুস্পষ্ট অঙ্গীকারগুলো হলো: ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে শক্তিশালী করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। ক্ষমতাধরদের বার্ষিক সম্পদ বিবরণ দিতে হবে। রাষ্ট্র ও সমাজের সব স্তরের ঘুষ, দুর্নীতি উচ্ছেদ, অনোপার্জিত আয়, ঋণখেলাপি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, কালো টাকা ও পেশিশক্তি প্রতিরোধ ও নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি দপ্তরে গণ-অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নাগরিক সনদ উপস্থাপন করা হবে। সরকারি কর্মকাণ্ডের ব্যাপকভাবে কম্পিউটারায়ন করে দুর্নীতির পথ বন্ধ করা হবে।’

দুর্নীতি নির্মূলের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাননীয় অর্থমন্ত্রী জানুয়ারি মাসে সব সাংসদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের বাৎসরিক সম্পদবিবরণী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে প্রদান ও জনগণের অবগতির জন্য তা প্রকাশে সরকারের সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা এ উদ্যোগকে আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই এবং এসব তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় আছি। তথ্য প্রকাশ ও তা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ‘সুজন−সুশাসনের জন্য নাগরিক’-এর পক্ষ থেকে আমরা সরকারকে সহায়তা করতেও আগ্রহী।

আমরা আশা করি যে সরকার অনতিবিলম্বে সমাজের সব স্তরের ঘুষ ও দুর্নীতি উচ্ছেদ এবং অনুপার্জিত আয়, ঋণখেলাপি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, কালো টাকা ও পেশিশক্তি প্রতিরোধ ও নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ জন্য অবশ্য প্রয়োজন হবে অন্যান্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি, সরকারের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক, দুর্নীতি দমন কমিশনকে সত্যিকারার্থে স্বাধীন, শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। তবে আমাদের আশঙ্কা, তদন্ত, মামলা দায়ের ও প্রত্যাহারসহ যেকোনো ধরনের সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, সরকারের এ প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হবে না।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে গৃহীত ‘জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশনে’ (United Nations Convention against Corruption) স্বাক্ষর করেছে। এই স্বাক্ষরের মাধ্যমে সরকার দুর্নীতি প্রতিরোধ, এর বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনের আওতায় যথাযথ তদন্ত এবং অপরাধীদেরকে শাস্তি দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। তাই দুর্নীতি দমন কার্যক্রমে কোনো ধরনের শিথিলতা আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারেরও পরিপন্থী হবে।

এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, দুর্নীতি দমন কমিশনের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভিন্ন কারণে গত কয়েক মাসে যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, এর ফলে দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার ইতিমধ্যে পিছিয়ে পড়েছে। তাই কমিশনকে সত্যিকারভাবে স্বাধীন, শক্তিশালী ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া আজ অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাপারে কালক্ষেপণ করার কোনো অবকাশ নেই।

সত্যিকারের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করার জন্যও দুর্নীতি নির্মূল জরুরি। তেল আর জল যেমন একসঙ্গে মেশে না, তেমনি দুর্নীতি এবং গণতন্ত্রও সহাবস্থান করতে পারে না। বরং সর্বব্যাপী দুর্নীতি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে তোলে এবং তা ভেঙে পড়ে। আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতাই তার জাজ্বল্যমান প্রমাণ। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের বর্তমান অস্থিতিশীল অবস্থার জন্যও দুর্নীতিই প্রধানত দায়ী বলে অনেকে মনে করেন। জুলফিকার আলী ভুট্টোর ভাতিজি ফাতিমা ভুট্টো সম্প্রতি বলেছেন, ‘ওরে আহাম্মক, পাকিস্তানের সমস্যা তালেবান নয়, দুর্নীতি।’ [‘পাকিস্তান: বিপন্ন মানুষ আর রক্তমাখা আতরের কথা’, ফারুক ওয়াসিফ, প্রথম আলো, ১৯ মে ২০০৯]।

গণতন্ত্র হলো নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা−নির্বাচনই গণতন্ত্র নয়, এটি গণতান্ত্রিক যাত্রাপথের সূচনা করে মাত্র। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যদি জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে, তাহলেই সত্যিকারের গণতান্ত্রিক উত্তরণ সম্ভব। কিনতু দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজে রক্ষকেরাই ভক্ষকে পরিণত হয় এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নিজেদের ও সহযোগীদের কল্যাণেই সরকার পরিচালনা করে এবং নিজেরাই লাভবান হয়। এ প্রক্রিয়ায় ‘রাজনীতির দুর্নীতিকীকরণ’এবং ‘দুর্নীতির রাজনৈতিকীকরণ’ সাধিত হয়। আর এ ধরনের অন্যায় ও অনৈতিকতা টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে সরকারকে দমন-পীড়ন থেকে শুরু করে ভোট-ডাকাতির মতো গর্হিত কাজে লিপ্ত হতে হয়। এ অবস্থাকে কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বলা যায় না−এটি দুর্নীতির আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা একটি স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এ ছাড়া এ ধরনের বলপ্রয়োগ ও শোষণমূলক ব্যবস্থা বেশিদিন টিকিয়েও রাখা যায় না।

বাংলাদেশের মানুষ এখনো ভোলেনি এরশাদ-আমলের ‘হোন্ডা-ডান্ডা-গুণ্ডার’ দৌরাত্ম্যের কথা। এগুলো ভোটের সময় ব্যবহৃত হতো ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির রাজত্ব যাতে টিকে থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য। আর এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠকে স্তিমিত করার জন্যই স্বৈরাচারী পন্থা অবলম্বন করা হতো। পরম পরাক্রমশালী এরশাদের পতনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে এ ধরনের অন্যায় ব্যবস্থা চিরস্থায়ী হয় না।

দুর্ভাগ্যবশত একই ধরনের অভিজ্ঞতার−যদিও আরও করুণভাবে−পুনরাবৃত্তি ঘটেছে গত দেড় দশকে। গণরোষের মুখে এরশাদের পতনের পর আমাদের নির্বাচিত সরকারগুলো রাষ্ট্রের সব স্তর থেকে দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন নির্মূলের কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে দুর্নীতি ক্যান্সারের মতো রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে লাগামহীনভাবে বিস্তৃত হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায়ই তা ঘটেছে।

বস্তুত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনীতি আর দুর্নীতি আমাদের দেশে বহুলাংশে সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং দেশে একটি লুটপাটতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। লুটপাটতন্ত্র কোনোভাবেই গণতন্ত্র নয়, বরং তা গণতন্ত্রের ভয়াবহ প্রতিপক্ষ। আর এ লুটপাটতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখার সব নগ্ন অপচেষ্টাই ১১ জানুয়ারি ২০০৭ তারিখের জরুরি অবস্থা জারি, ২২ জানুয়ারির নির্বাচন স্থগিত তথা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার অন্যতম কারণ। অর্থাৎ ক্ষমতা নয়, ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা হারানোর ভয়ই গত দুই বছরের দুঃখময় ঘটনাবলির জন্য মূলত দায়ী।

লুটপাটতন্ত্রকে বংশপরম্পরায় টিকিয়ে রাখার জন্যই জোট সরকারের আমলে সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বাড়িয়ে নিজেদের সুবিধার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় কারসাজি করা হয়, যাতে ক্ষমতাসীনদের পছন্দের ব্যক্তি প্রধান উপদেষ্টার পদে আসীন হতে পারেন। এ উদ্যোগ ভণ্ডুল হলে সংবিধানকে পদদলিত করে একজন আজ্ঞাবহ রাষ্ট্রপতিকে প্রধান উপদেষ্টা করা হয়। নির্বাচন কমিশনে দলীয় ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়। সরকারি কর্মকমিশনকে দুর্নীতি ও দলবাজির আখড়ায় পরিণত করা হয়। অনাকাঙ্ক্ষিত নিয়োগের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে কলুষিত করা হয়।

এসব অনাকাঙ্ক্ষিত কারসাজির ফলে পুরো গণতান্ত্রিক কাঠামোই দুর্বল হয়ে পড়ে এবং একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আর এরই পরিণতি ১১ জানুয়ারির পট-পরিবর্তন এবং পরবর্তী দুই বছরের দুঃখজনক ঘটনাবলি। সর্বগ্রাসী সীমাহীন দুর্নীতি এবং এ ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার গর্হিত প্রচেষ্টা থেকে যার উৎপত্তি। তাই দুর্নীতির মূলোৎপাটন করতে না পারলে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আবারও ঝুঁকির মুখোমুখি হবে এবং আমরা একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকেই অগ্রসর হতে পারি।

এ প্রসঙ্গে জোট সরকারের অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়নের সীমাহীন বিস্তৃতির ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ক্ষমতাসীন সরকার ২০০৪ সালে একটি আইন প্রণয়ন করে। কিনতু কমিশনার নিয়োগ, বিধি প্রণয়ন, জনবল কাঠামো অনুমোদন নিয়ে নানা ধরনের গড়িমসি ইত্যাদি কমিশনকে অকার্যকর করে ফেলে। সেদিন যদি সত্যিকার অর্থেই একটি স্বাধীন ও কার্যকর দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করা হতো এবং এটি দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করত, তাহলে অনেক ক্ষমতাধর ব্যক্তি দুর্নীতিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত হতে পারতেন না এবং আমাদের গত কয়েক বছরের ইতিহাসই হয়তো অন্য রকম হতো। যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতো এবং ক্ষমতাসীনেরা বড় ধরনের নির্বাচনী বিপর্যয় এড়াতে পারত। অনেককেই হয়তো জেলজুলুমের শিকার হতে হতো না।

বলা বাহুল্য, দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেই শুধু অকার্যকর করে না, জনগণের মনে এক ভয়াবহ হীনম্মন্যতাবোধ সৃষ্টি করে এবং জাতির অগ্রযাত্রাকে করে দারুণভাবে ব্যাহত। বস্তুত সর্বশরীরে বিস্তৃত ক্যান্সার যেমন ব্যক্তির প্রাণশক্তিকে নিঃশেষ করে ফেলে, তেমনিভাবে সর্বব্যাপী দুর্নীতিও একটি জাতিকে ক্রমাগতভাবে দুর্বল করে এবং এর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের ক্ষেত্রেও তা-ই ঘটেছে। সর্বব্যাপী ও সর্বগ্রাসী দুর্নীতির কারণে বহু ক্ষেত্রে আমাদের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাস্তবে রূপায়িত হয়নি। তাই শুধু গণতন্ত্রকে সুসংহত করার খাতিরেই নয়, জাতির আত্মমর্যাদাবোধ সমুন্নত এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেও আজ জরুরি ভিত্তিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক। আর এ জন্য প্রয়োজন কালক্ষেপণ না করে দুর্নীতি দমন কমিশনকে সত্যিকার অর্থে একটি স্বাধীন, শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। একই সঙ্গে প্রয়োজন চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার-প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন−সুশাসনের জন্য নাগরিক।
তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ২৫ মে ২০০৯

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s