স্বচ্ছতা: তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের শুরুতেই গোপনীয়তা!

palo_logo

বদিউল আলম মজুমদার
গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকেরা বহুদিন থেকেই একটি তথ্য অধিকার আইন প্রণয়নের দাবি করে আসছে। এ ব্যাপারে ব্যাপক জনমতও সৃষ্টি হয়েছে। জনমতের কারণে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে ব্যাপক আলোচনার ভিত্তিতে এ লক্ষ্যে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশটি কিছু সংশোধনীসহ অনুমোদন করা হয় এবং এ জন্য আমরা সরকারকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি। বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি আইনের মুখবন্ধে যেসব বলিষ্ঠ ও প্রগতিশীল ধারণা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার জন্য।

এ যুগান্তকারী আইনটির উদ্দেশ্য জনগণের ক্ষমতায়ন। আমাদের সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক। মালিকদের এ ক্ষমতা কার্যকরভাবে প্রয়োগ এবং নজরদারি যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে তাদের তথ্য জানা আবশ্যক। কারণ তথ্যের ভিত্তি হলো ‘সত্য’। অর্থাৎ তথ্য জানার অধিকার মালিকদের সত্য জানার অধিকার। উল্লেখ্য, আমাদের আইনের মুখবন্ধে সুস্পষ্টভাবে এ অধিকারের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে−‘যেহেতু জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক এবং জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা আবশ্যক।’

বিভিন্ন দেশের আদালত তথ্য জানার অধিকারকে বাক্ ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার তথা মৌলিক অধিকারের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। যেমন, ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া বনাম অ্যাসোসিয়েশন অব ডেমোক্রেটিক রিফর্মস মামলার [(২০০২)৫এসসিসি] রায়ে নির্বাচনে প্রার্থী সম্পর্কে ভোটারদের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে রায় দিয়েছেন। আদালতের মতে, ভোটাররা তাঁদের মত প্রকাশ করেন ভোটের মাধ্যমে, তাই তাঁদের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার মত প্রকাশের অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের উচ্চ আদালতও একই ধরনের রায় প্রদান করেন (আব্দুল মোমেন চৌধুরী এবং অন্যান্য বনাম বাংলাদেশ, রিট পিটিশন নম্বর-২৫৬১, ২০০৫)। আমাদের আইনের মুখবন্ধেও এর সুস্পষ্ট স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

যেহেতু তথ্য জানা মালিকের সত্য জানার অধিকার, তাই মালিকের কাছ থেকে সত্য গোপন করার অধিকার কারোরই নেই। বিখ্যাত স্টেট অব ইউ পি বনাম রাজ নারায়ণ মামলার [এআইআর(১৯৭৫)এসসি৮৬৫] রায়ে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কে কে মেথিউ বলেন: ‘In a government … like ours, where all the agents of the public must be responsible for their conduct, there can be but few secrets. The people of this country have a right to know every public act, everything that is done in a public way, by their public functionaries. They are entitled to know the particulars of every public transaction in all its bearing.� Justice Mathew, State of U.P. v. Raj Narayan (‘আমাদের মতো … সরকার পদ্ধতিতে, যেখানে জনগণের এজেন্ট তাদের আচরণের জন্য দায়বদ্ধ, সেখানে খুব সামান্য কিছুই গোপন রাখা সংগত। সকল পাবলিক বা সার্বজনিক উদ্যোগ, যেসব উদ্যোগ কোনো পদাধিষ্ঠিত ব্যক্তি সার্বজনিকভাবে সম্পাদন করেন, তা জানার অধিকার এ দেশের জনগণের রয়েছে। সকল সার্বজনিক কার্যক্রমের এবং এর বিস্তারিত দিক জানা তাদের অধিকার।’)

আমাদের তথ্য অধিকার আইনটি ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। আইনটির কার্যকারিতা প্রদানের জন্য অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক, ৯০ দিনের মধ্যে একজন প্রধান তথ্য কমিশনারসহ তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তথ্য কমিশন গঠন যার অন্যতম। আইনের ১৪ ধারায় প্রধান তথ্য কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারপতির সভাপতিত্বে মন্ত্রী পরিষদের সচিব, সরকার ও বিরোধী দলের একজন করে মোট দুজন প্রতিনিধি এবং সরকার মনোনীত সম্পাদক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন একজন সাংবাদিক অথবা গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্কিত একজন বিশিষ্ট নাগরিক নিয়ে মোট পাঁচ সদস্যের একটি বাছাই কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি কমিশনারদের নিয়োগ প্রদান করবেন।

আইনটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন যথার্থ প্রস্তুতির। আর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রয়োজন প্রশিক্ষণের, বিশেষত দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি তথ্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের, কারণ সরকারই অধিকাংশ তথ্যের সংগ্রহকারী ও রক্ষক এবং সরকারি দপ্তর-অধিদপ্তরের কাছেই তথ্যপ্রাপ্তির অধিকাংশ অনুরোধ আসবে বলে আমাদের ধারণা। এ জন্য আরও প্রয়োজন আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্যের যথাযথ বিন্যাস ও সংরক্ষণ, যাতে নাগরিকেরা তথ্য চাইলে তা সহজে প্রদান করা সম্ভবপর হয়ে ওঠে।

তথ্য অধিকার আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির পাশাপাশি আরও আবশ্যক সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, যাতে তথ্য গোপনের সংস্কৃতির অবসান ঘটে। তথ্য জানা জনগণের মৌলিক অধিকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং জনগণের এজেন্ট হিসেবে তাদের কাছ থেকে পদাধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের তথ্য গোপনের কোনো এখতিয়ার নেই−এমন দৃষ্টিভঙ্গির সৃষ্টি হলেই তথ্য গোপনের সংস্কৃতির অবসান ঘটবে। সৃষ্টি হবে স্বপ্রণোদিত হয়ে সর্বাধিক তথ্য প্রকাশের (voluntary maximum disclosure) সংস্কৃতির।

স্বপ্রণোদিত হয়ে সর্বাধিক তথ্য প্রকাশের উদ্যোগ আইনটি বাস্তবায়নের শুরু থেকেই চর্চা করা দরকার, তা না হলে ভবিষ্যতে এর যথাযথ বাস্তবায়ন আশা করা যায় না। দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের গোড়াতেই যেন গলদ হয়ে গেল−তথ্য কমিশন ও বাছাই কমিটি গঠনের ক্ষেত্রেই আমরা গোপনীয়তার সংস্কৃতিরও ঊর্ধ্বে উঠতে পারলাম না। শোনা যায় যে কমিশনারদের নাম সুপারিশের জন্য ইতিমধ্যে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হয়েছে, কিনতু জনগণ জানে না কখন, কাদের নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে বলে আমরা শুনিনি।

আইনটির কার্যকারিতা বহুলাংশে নির্ভর করবে কারা কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান। যদি সৎ, যোগ্য, নির্ভীক ও জনকল্যাণকামী ব্যক্তিরা কমিশনে নিয়োগ প্রাপ্ত হন, তাহলেই জনস্বার্থ রক্ষিত এবং আইনটির অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জিত হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছা সর্বাধিক জরুরি। শুরুতেই সরকার সদিচ্ছা প্রদর্শন করতে পারত বাছাই কমিটির নামগুলো প্রকাশ করার মাধ্যমে, যাতে নাগরিকদের পক্ষ থেকে কমিটির কাছে বিভিন্ন ব্যক্তির নাম সুপারিশ করা সম্ভব হতো। তাহলেই বাছাই করার জন্য কমিটির সামনে অধিকসংখ্যক ব্যক্তির নাম থাকত, যা থেকে সর্বাধিক যোগ্য ব্যক্তি চিহ্নিত করা সহজ হতো।

বাছাই পদ্ধতিতেও স্বচ্ছতা প্রদর্শন করা আবশ্যক। আমরা আশা করি যে কমিটি মূল্যায়নের কতগুলো, যতটুকু সম্ভব, ‘অবজেকটিভ’ বা বস্তুনিষ্ঠ মানদণ্ড চিহ্নিত করবে এবং এসব মানদণ্ডের ভিত্তিতে সম্ভাব্য প্রত্যেক সুপারিশকৃত ব্যক্তির মূল্যায়ন করবে। যাঁদের মূল্যায়ন করা হয়েছে তাঁদের নাম এবং তাঁদের প্রাপ্ত স্কোর ওয়েবসাইটে এবং গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশ করবে। কমিটির পক্ষ থেকে এ ধরনের উদ্যোগ স্বচ্ছতা প্রদর্শন ও তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। এর ফলে আক্ষরিক অর্থেই নয়, আইনের চেতনাগত দিকও বাস্তবে রূপায়িত হবে। সর্বোপরি এর মাধ্যমে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সকল সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা অর্জনের ‘দিনবদলের সনদে’ প্রদত্ত সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে। আমরা আশা করি যে সরকার এ সুযোগটি হাতছাড়া করবে না।

তথ্য অধিকার আইনের সফল বাস্তবায়নের জন্য অবশ্যই সরকারের গুরুত্বপূর্ণ করণীয় রয়েছে। বস্তুত, সংসদে পাস করা এ আইন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা সরকারের দায়িত্ব। তবে এটি এমন একটি আইন, সরকারের ওপর নির্ভর করে থাকলে যার যথার্থ বাস্তবায়ন সম্পর্কে আশাবাদী হওয়া যায় না। সরকারি কর্মকর্তারা কর্মজীবনের শুরু থেকেই গোপনীয়তার সংস্কৃতির বলয়ে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন এবং তাঁরা বলতে গেলে ‘অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট’-এর অধীনে গোপনীয়তা রক্ষার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই তাঁদের পক্ষে এ সংস্কৃতির দেয়াল ভেঙে বাইরে আসা সহজ হবে না।

বস্তুত, তথ্য অধিকার আইনটি এমন বিষয় সম্পর্কিত যা বাস্তবায়নের দায়িত্ব নাগরিকদের এবং নাগরিক সংগঠনগুলোকেই মূলত নিতে হবে। প্রতিবেশী ভারতের অভিজ্ঞতা অন্তত তা-ই বলে। উদাহরণস্বরূপ, ভারতের এমকেএসএসসহ বহু সংগঠন আইনটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তারা জনগণকে আইনটি সম্পর্কে সচেতন করেছে এবং তথ্য অধিকারের দাবিতে সোচ্চার করেছে। ফলে ভারতীয় সাধারণ নাগরিকদের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে−‘হামারা পয়সা, হামারা হিসাব’ (আমার পয়সা, আমার হিসাব)। নাগরিক সংগঠনগুলোর উদ্যোগে সৃষ্ট নাগরিক সক্রিয়তাই ভারতের তথ্য অধিকার বাস্তবায়নের সফলতার অন্যতম কারণ।

তথ্য অধিকার আইনটি বাস্তবায়নের জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকাও কোনোভাবেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। গণমাধ্যমের অগ্রণী ভূমিকা ছাড়া জনগণকে সচেতন ও সক্রিয় করা অসম্ভব। এ ছাড়া গণমাধ্যম তথ্য অধিকার বাস্তবায়নের সফল দৃষ্টান্ত প্রকাশ করে অন্যদের উৎসাহিত করতে পারে। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের সংবাদকর্মীদের পাঠিয়ে আইনের বাস্তবায়নের বাস্তব চিত্র জনসম্মুখে তুলে ধরতে পারে। এভাবে একদিকে সফলতার চিত্র তুলে ধরে, অন্যদিকে আইনের বাস্তবায়ন সম্পর্কে ফলোআপ রিপোর্ট প্রকাশ করে গণমাধ্যম আইনটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে। আমরা আশা করি যে আমাদের দৈনিকগুলো তাদের একটি পৃষ্ঠা নির্ধারিত এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো প্রতিদিন অন্তত একটি ঘণটা আইনটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যয় করবে।

তবে সরকারকে নিষ্ত্রিকয় হলে চলবে না। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সরকারকে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টসহ অনেক আইন হয় বাতিল করতে নতুবা এগুলোর ব্যাপক সংশোধন করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারকে কিছু প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। যেমন, ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘গ্রাম-সভা’ বা ‘ওয়ার্ড-সভা’র বিধান আইনে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর ২০০৫ সালে লিখিত দারিদ্র্য দূরীকরণ: কিছু চিন্তাভাবনা গ্রন্থে এ ধরনের কাঠামোর প্রস্তাব করেছিলেন। আশা করি, ইউনিয়ন পরিষদের এবং অন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন আইনে এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সৃষ্টির বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

পরিশেষে, এটি সুস্পষ্ট যে একটি স্বচ্ছ, দায়বদ্ধ ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কায়েম তথা জনগণের সত্যিকারের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন অসাধারণ অবদান রাখতে পারে। মহাত্মা গান্ধীর ভাষায়, ‘সত্যিকারের স্বরাজ প্রতিষ্ঠিত হবে না, কতিপয় ব্যক্তির কাছে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার মাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত হবে ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার সকলের সক্ষমতা অর্জিত হলে।’ বস্তুত, তথ্য অধিকার আইনের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের গণতান্ত্রিক পদ্ধতিকে কার্যকর করার ব্যাপারে একটি নতুন দিগন্ত উন্নোচিত হতে পারে। এর প্রমাণ ইতিমধ্যে আমরা অন্তত কিছুটা হলেও পেয়েছি। ‘সুজন−সুশাসনের জন্য নাগরিক’-এর মতো সংগঠনের উদ্যোগে এবং আদালতের নির্দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সম্পর্কে ভোটারদের জানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার ফলে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে নির্বাচনী অঙ্গন থেকে দূরে রাখা গেছে। নির্বাচন কমিশনের কড়াকড়ি এবং আদালতের সহায়তা পেলে এর থেকে ভবিষ্যতে আরও সুফল পাওয়া যাবে। আশা করি, এ গুরুত্বপূর্ণ সফলতার ওপর দাঁড়িয়ে এবং এর ওপর ভিত্তি করে তথ্য অধিকার আইনের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাই এগিয়ে আসবেন।
বদিউল আলম মজুমদার, সম্পাদক, সুজন−সুশাসনের জন্য নাগরিক।
তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ২৭ জুন ২০০৯

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s