ছাত্রসংগঠন: নিবন্ধিত দলের অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠন থাকা বেআইনি

palo_logo

বদিউল আলম মজুমদার
সম্প্রতি ছাত্রদলের নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটি নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে অভিযোগ করছেন যে ছাত্রদলের কমিটিতে অনেক বয়স্ক ও অছাত্র স্থান পেয়েছে। আবার অনেকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলছেন। নিঃসন্দেহে এসব অভিযোগ গুরুতর। তবে আমরা মনে করি যে বিএনপির পক্ষ থেকে ছাত্রদলের কমিটি গঠনই আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তেমনিভাবে আওয়ামী লীগও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলো বিলুপ্ত না করে আইন অমান্য করছে।

নবনির্বাচিত নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে যে কয়টি আইন পাস হয়েছে, এর মধ্যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (সংশোধিত) আইন, ২০০৯ অন্যতম। এ আইনের ৯০বি(১)(বি) অনুযায়ী, ‘যদি কোনো রাজনৈতিক দল…কমিশনের অধীনে নিবন্ধিত হতে চায়, তাহলে তার গঠনতন্ত্রে নিম্নের সুস্পষ্ট বিধান থাকতে হবে,−যেমন,…(iii) কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অথবা ছাত্র অথবা আর্থিক, বাণিজ্যিক অথবা শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী-কর্মকর্তা অথবা শ্রমিকদের অথবা অন্য কোনো পেশার সদস্যদের নিয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠন হিসেবে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ রাখবার: তবে শর্ত থাকে যে, কোনো কিছুই তাদেরকে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে সংগঠিত হবার অথবা সংগঠন, সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন ইত্যাদি গঠন করবার এবং সকল প্রকার গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার চর্চা করবার, এবং ব্যক্তি হিসেবে, বিদ্যমান আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবার ক্ষেত্রে বাধা হবে না।’ অর্থাৎ নিবন্ধিত দলের জন্য অঙ্গ অথবা সহযোগী সংগঠন থাকা বেআইনি।

স্নরণ রাখা প্রয়োজন যে, নির্বাচন কমিশন একতরফাভাবে এ আইনি বিধানটি করেনি। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে এ বিধানটি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ২০০৮-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনে এটি আইনে পরিণত করা হয়। অর্থাৎ এটি মহান জাতীয় সংসদে পাস করা একটি আইন। আর আইন অমান্য করলে কোনোভাবেই রাষ্ট্রে আইনের শাসন কায়েম হবে না এবং আমাদের রাজনীতিতে নতুন সংস্কৃতিও সৃষ্টি হবে না।

এখন প্রশ্ন হলো, আইনটি প্রয়োগের দায়িত্ব কার? আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে আমাদের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিলোপ করবে, এটাই নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষা। তারা তা না করলে নিঃসন্দেহে সরকারের কর্তব্য এটির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। সরকার যদি তা না করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটির দায়িত্ব হবে সরকারকে জবাবদিহির কাঠগড়ায় দাঁড় করানো। কারণ সংসদীয় কমিটিগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সংসদে যেসব আইন পাস হয়, সেগুলো যাতে সততা, স্বচ্ছতা ও কৃচ্ছ্রর সঙ্গে বাস্তবায়িত হয় তা নিশ্চিত করা। এটিই ‘পার্লামেন্টারি ওভারসাইট’ বা সংসদীয় নজরদারির মূলকথা।

এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের নীরবতাও আমাদের কাছে বোধগম্য নয়। আইন অনুসরণ করে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন বিলুপ্ত না করে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিবন্ধনের শর্ত লঙ্ঘন করেছে। তাই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো আইনের এ বিধানের প্রতি রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদের সতর্কীকরণ করা। এর পরও কোনো রাজনৈতিক দল তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বাতিল না করলে কমিশনের কর্তব্য হবে সে দলের নিবন্ধন বাতিলে উদ্যোগ গ্রহণ। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণমুক্ত স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের কাছে নাগরিকদের এটাই প্রত্যাশা।

কেন রাজনৈতিক দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন বিলুপ্তির এ বিধান? এর প্রধান কারণ হলো, এগুলো ছাত্র-শ্রমিক ও পেশাজীবীদের স্বার্থ সংরক্ষণ না করে মূলত রাজনৈতিক দলের স্বার্থেই কাজ করে। বস্তুত অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো এখন ছাত্র-শ্রমিক ও পেশাজীবীদের ‘ব্যবহার করার’ রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তারা ব্যবহৃত হন রাজনৈতিক দলগুলোর এবং এই সব সংগঠনের এক ধরনের নেতৃত্বের দ্বারা।
অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মাধ্যমে ছাত্র-শ্রমিক-পেশাজীবীরা কীভাবে মূল রাজনৈতিক দল দ্বারা ব্যবহৃত হন তা সুস্পষ্ট হয় দলগুলোর গঠনতন্ত্রের দিকে তাকালে। যেমন: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) গঠনতন্ত্রের ১৩ অনুচ্ছেদ দলটিকে অঙ্গসংগঠন গঠন করার এখতিয়ার প্রদান করেছে। অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘অঙ্গ-সংগঠন: দলের এক বা একাধিক অঙ্গ-সংগঠন থাকতে পারে। এই সকল অঙ্গ-সংগঠনের নিজস্ব ঘোষণাপত্র, গঠনতন্ত্র, পতাকা ও কার্যালয় থাকবে এবং এই সকল অঙ্গ-সংগঠন মূল দলের শৃঙ্খলার আওতাধীন থাকবে। দলের চেয়ারম্যান শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য কিংবা সংগঠন পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের জন্য কিংবা অসদাচরণের জন্য যে কোনো সময় অঙ্গ-সংগঠনের কর্মকর্তা বা সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং সংগঠন থেকে তাঁকে বহিষ্কার করতে কিংবা সাময়িকভাবে সদস্যপদ স্থগিত করতে কিংবা তিরস্কার করতে নির্দেশ বা পরামর্শ দিতে পারবেন।

‘অঙ্গ-সংগঠন হিসাবে দলের চেয়ারম্যানের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত কোনো সংগঠন জাতীয়তাবাদী দলের অঙ্গ-সংগঠন হিসাবে বিবেচিত হবে না। অনুমোদনের তারিখ হতে অঙ্গ-সংগঠনের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হবে। দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে প্রত্যেক অঙ্গ-সংগঠন সম্পর্কিত একজন সম্পাদক থাকবে। দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নের সহযোগিতা করাই হবে অঙ্গ-সংগঠনের মূখ্য উদ্দেশ্য এবং এ উদ্দেশ্যে নিজ নিজ ক্ষেত্রে দলের প্রভাব বিস্তার কিংবা দলের নীতির প্রসার করার উদ্দেশ্যে এ সংগঠন তাদের নিজস্ব কর্মসূচি প্রণয়ন করবে। তবে অঙ্গ-সংগঠনসমূহের ঘোষণাপত্র, গঠনতন্ত্র এবং পতাকা চেয়ারম্যান কর্তৃক পূর্বেই অনুমোদিত হতে হবে এবং যদি কোনো অঙ্গ-সংগঠন তাদের ঘোষণাপত্র, গঠনতন্ত্র বা পতাকার কোনো প্রকার পরিবর্তন, পরিবর্ধন বা সংশোধন করতে চায় তাহলে চেয়ারম্যানের পূর্বানুমোদন ছাড়া তার কোনটাই কার্যকর করা যাবে না।’

এটি সুস্পষ্ট যে, বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মূল দলের, বিশেষত চেয়ারম্যানের নিয়ন্ত্রণে অঙ্গসংগঠন গঠিত হওয়ার কথা, আর এগুলোর কাজ হলো চেয়ারম্যানের অভিপ্রায়-আকাঙ্ক্ষা এবং দলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। এগুলো মূলত দলের লেজুড় হিসেবে কাজ করে। সাধারণ ছাত্র-শ্রমিক-পেশাজীবীদের স্বার্থ দেখা এগুলোর কাজ নয়। এসব সংগঠনের নামে ভর্তি, নিয়োগ, বদলির ক্ষেত্রে অতীতে যেসব নৈরাজ্যমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ও হচ্ছে এবং সহিংসতা ঘটেছে ও ঘটছে, তা কোনোভাবেই তাদের স্বার্থের অনুকূলে নয়। দুর্বৃত্তায়িত ছাত্ররাজনীতির ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজটও অগণিত ছাত্রছাত্রীর এবং তাদের পরিবারদের অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করছে।

বিএনপির মতো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রেও অনেকটা একই বিধান রয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনকে ‘সহযোগী সংগঠন’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। এ ছাড়া চেয়ারম্যানের পরিবর্তে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন দলের কার্যনির্বাহি কমিটির কাছে দায়বদ্ধ। আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে ‘(১) সহযোগী সংগঠন: (ক) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নীতি-নির্ধারণ করিবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সম্পাদক সংশ্লিষ্ট সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম তদারক ও সমন্বয় সাধন করিবেন। সহযোগী সংগঠন তাহাদের কার্যক্রমের জন্য আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট সম্পাদকের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন।’

ছাত্র-শ্রমিক-পেশাজীবীরা এসব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের দ্বারাও ব্যবহৃত হন, কারণ নেতাদের অনেকেই মূল দলের ছত্রচ্ছায়ায় টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, যৌন নিপীড়নসহ অনেক গর্হিত কাজে লিপ্ত হয়। বর্তমানে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নামে যেসব বাড়াবাড়ি চলছে এবং অতীতে ছাত্রদল ও বিএনপির অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নামে যেসব অপকর্ম হয়েছে, সেগুলো সম্ভব হতো না, যদি মূল দলগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা না থাকত। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন দলকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে না পারলে অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতারা অন্যায় করে পার পেয়ে যেতে পারত না। যেমন, ছাত্রদলের নেতারা এখন চাঁদা-টেন্ডারবাজিতে লিপ্ত হতে সাহস পাচ্ছে না, কারণ তাদের মূল দল এখন ক্ষমতায় নেই এবং দলের নাম ব্যবহার করে তারা পার পেয়ে যেতে পারবে না। অন্যভাবে বলতে গেলে, অঙ্গসংগঠনগুলোর মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দলবাজির দুষ্ট ছোবলের বিস্তার ঘটে।

দলবাজির মাশুল পুরো জাতিকে দিতে হয়। রাজনৈতিক দল গণতন্ত্রের চালিকাশক্তি এবং গণতান্ত্রিক স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতন্ত্র কার্যকর হতে পারে না। কিনতু দলবাজি−দলের প্রতি অনুগতদেরই মূলত সব বৈধ-অবৈধ সুযোগ-সুবিধা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান−সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত এবং গণতন্ত্রকে দুর্বল করে।

পরিশেষে, এটি সুস্পষ্ট যে রাজনৈতিক দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের লেজুড়বৃত্তির রাজনীতি মূলত ছাত্র-শ্রমিক ও পেশাজীবীদের ব্যবহারের রাজনীতি। এগুলো রাজনৈতিক দলের স্বার্থ হাসিল করে। হাসিল করে এসব সংগঠনের নেতা-নেত্রীদের স্বার্থ−মূল দলের নাম ভাঙিয়ে অন্যায় করে তাঁরা পার পেয়ে যেতে পারেন। এগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতারও সৃষ্টি হয়। তাই নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অঙ্গসংগঠনগুলো বিলুপ্ত করার উদ্দেশ্য হলো এগুলোর সঙ্গে মূল দলের ‘এম্বেলিকাল কর্ড’ বা নাড়ি কেটে দেওয়া, যাতে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এসব সংগঠনের নেতা-নেত্রীরা গর্হিত কাজে লিপ্ত হতে না পারে। আমরা বিশ্বাস করি যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছাত্রলীগের ‘নেতৃত্ব’ থেকে সরে দাঁড়ানো এবং দু-একজন অন্যায়কারীকে গ্রেপ্তার করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না, কারণ এতে বড় ধরনের ‘হালুয়া-রুটি’র স্বার্থ জড়িত রয়েছে। আমাদের আশঙ্কা, ভবিষ্যতে এ সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। তাই দ্রুততার সঙ্গে আইনের এ বিধানটি বাস্তবায়ন করা জরুরি।

আশা করি যে আইনের শাসন কায়েমের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলো স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বিলুপ্ত করবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিও আইনি বিধানটি বাস্তবায়নের ব্যাপারে ভূমিকা নেবে। নির্বাচন কমিশনকেও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।। বস্তুত, কমিশনের দৃঢ়তা ও স্বাধীনতা প্রদর্শনের এটি একটি মোক্ষম সুযোগ। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে আমরা দুর্বৃত্তায়িত ও লেজুড়বৃত্তির ছাত্ররাজনীতির বিপক্ষে হলেও, অতীতের ন্যায় ছাত্র সংসদকেন্দ্রিক ও ছাত্রদের স্বার্থ রক্ষায় নিবিষ্ট ছাত্র সংগঠনের, যা তাদের বিকাশে সহায়তা করবে−আমরা তার পক্ষে।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন−সুশাসনের জন্য নাগরিক।
তথ্য সূত্র: প্রথম আলো, ১৩ জুলাই ২০০৯

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s