সংসদ কি সার্বভৌম?

jugantor_logo

ড. ব দি উ ল আ ল ম ম জু ম দা র
২২ আগস্ট, ২০০৯ তারিখের দৈনিক যুগান্তরে আমাদের দেশের একজন প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও সাবেক সচিব হাসনাত আবদুল হাইয়ের ‘জাতীয় সংসদের সার্বভৌমত্ব’ শিরোনামের লেখাটি আমি পড়েছি। লেখাটি তিনি শুরু করেছেন এই বলে : ‘একটি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক এবং রক্ষাকারী যে সে দেশের পার্লামেন্ট বা বিধান সভা এ দেশে এ নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। বিশেষ করে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে। পার্লামেন্টই সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।’ তার এ বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে সঠিক নয়, কারণ বিষয়টি নিয়ে ইতিহাসে তুমুল বিতর্ক বিদ্যমান। এছাড়া ইতিহাসের রায়ও তার মতামতের বিপক্ষে।

আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ লাসা ওপেনহাইমের মতে : ‘সম্ভবত সার্বভৌমত্ব ধারণা থেকে বেশি বিতর্কিত আর কিছু নেই। এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এ ধারণাটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার শুরু থেকে এ পর্যন্ত এর অর্থ সম্পর্কে সার্বজনীনভাবে ঐকমত্যে উপনীত হওয়া সম্ভবপর হয়নি।’ তবে সাম্প্রতিককালে এ বিতর্কের অনেকটা অবসান ঘটেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেসব দেশে লিখিত সংবিধান রয়েছে, সেসব দেশে জাতীয় সংসদ নিঃসন্দেহে একটি অগাধ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান, কিন্তু সার্বভৌম নয়।

আমরা জানি না হাই কী অর্থে আমাদের জাতীয় সংসদকে সার্বভৌমত্বের প্রতীক বলে অভিহিত করেছেন। ব্লাকের ল’ ডিকশনারি অনুযায়ী, বৃহত্তর অর্থে সার্বভৌমত্বের অর্থ সর্বোচ্চ (supreme), নিরঙ্কুশ (absolute), নিয়ন্ত্রণহীন (uncontrollable) ও সর্বময় (absolute) ক্ষমতা- নিরঙ্কুশভাবে শাসন করার অধিকার। ‘পার্লামেন্টারি সোভ্‌রিনিটি’ বা সংসদীয় সার্বভৌমত্বের ধারণার উৎপত্তি হয় ইংল্যান্ডে। কারও কারও মতে ষষ্ঠদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে গির্জার ওপর পার্লামেন্টে পাস করা আইনের শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এর উৎপত্তি। অন্যদের মতে, সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতাব্দীতে রাজা নির্ধারণ ও বিতাড়নে সংসদের ক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এর উদ্ভাবন।

ব্রিটিশ সংবিধান বিশেষজ্ঞ আলবার্ট ডাইসি তার Introduction to the Law of the Constitution গ্রন্থে ‘সংসদীয় সার্বভৌমত্ব’ ধারণার তত্ত্ব প্রথম উপস্থাপন করেন। তিনি দাবি করেন, পার্লামেন্টের যে কোন বিষয়ে আইন প্রণয়নের অধিকার রয়েছে। এছাড়াও ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস করা কোন আইন রহিত ও বাতিল করার অধিকার ব্রিটিশ আইনানুযায়ী কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নেই। সাংবিধানিক সার্বভৌমত্বের মূল কথা হল : (ক) সংসদ যে কোন বিষয়ে আইন প্রণয়ন করতে পারে; (খ) সংসদ প্রণীত আইন যে কোন স্থানে যে কোন ব্যক্তির আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে; (গ) কোন সংসদ ভবিষ্যৎ সংসদের ওপর কোন কিছু বেঁধে দিতে পারে না, অর্থাৎ সংসদ এমন কোন আইন পাস করতে পারে না, যা ভবিষ্যৎ সংসদ পরিবর্তন করতে পারবে না; এবং (ঘ) সংসদ আইন প্রণয়নে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী এবং সংসদে পাস করা বৈধ আইন সম্পর্কে আদালত কোন প্রশ্ন তুলতে পারে না।

সংসদীয় সার্বভৌমত্বের ধারণা দিন দিন দুর্বল হয়েছে, এমনকি ব্রিটেনেও। এমনকি ডাইসি নিজেও, যিনি এক অর্থে এ ধারণার জনক, সংসদের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার স্বীকৃতি দিয়েছেন- তিনি তার জীবদ্দশায় ব্রিটেনে গণভোট ব্যবহারের পক্ষে মত দিয়েছেন। এছাড়া ব্রিটেনেও সাধারণত আদালত মূল আইন রহিত করতে না পারলেও, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে ‘জুডিশিয়াল রিভিউ’ বা বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা প্রযোজ্য। উপরন্তু সংসদ যে কোন বিষয়ে আইন প্রণয়ন করতে পারে না এবং সব আইন পালন বাধ্যতামূলকও হতে পারে না। সামাজিক রীতি-নীতি, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিধি-নিষেধ আরোপ করে। আন্তর্জাতিক আইনও- যেমন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন প্রণীত আইন- সংসদের আইন-প্রণয়নের ক্ষমতাকে খর্ব করে।

ব্রিটেনে লিখিত সংবিধান নেই। নেই কোন প্রধান বিচারপতি। এছাড়াও ব্রিটিশ হাউস অব লর্ডস অনেকটা বিচারালয়ের মতো কাজ করে। তাই ব্রিটিশ পার্লামেন্ট একাধারে আইনসভা ও বিচারালয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এমন প্রেক্ষাপটেই ব্রিটেনে সংসদীয় সার্বভৌমত্বের ধারণার উৎপত্তি।

লিখিত সংবিধান নেই বলে ব্রিটেনে সংসদীয় সার্বভৌমত্বের ধারণা সীমিতভাবে প্রযোজ্য হলেও, যেসব রাষ্ট্রে লিখিত সংবিধান রয়েছে, সেখানে এটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। এ প্রসঙ্গে ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের একটি মতামত বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। কেশব সিংহ বলে এক ব্যক্তিকে উত্তর প্রদেশ প্রাদেশিক পরিষদ কর্তৃক পরিষদ অবমাননার দায়ে জেলে প্রেরণের এবং এ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টির কারণে ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রেরিত একটি রেফারেন্সের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় সুপ্রিমকোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ মতামত [এআইআর (১৯৬৫) এসসি ৭৪৫] দেন যে : “এটি মনে রাখা প্রয়োজন যে, যদিও সংসদের অগাধ ক্ষমতা রয়েছে, তবুও সংসদকে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের বিধানের আওতার মধ্যে থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। লিখিত সংবিধানের আওতায় পরিচালিত একটি গণতান্ত্রিক দেশে সংবিধানই শ্রেষ্ঠ ও সার্বভৌম। তাই এতে কোন সন্দেহ থাকার কথা নয় যে, ইংল্যান্ডের পার্লামেন্ট যে সার্বভৌমত্ব দাবি করতে পারে, ভারতে কোন সংসদই আক্ষরিক ও নিরঙ্কুশ অর্থে তা দাবি করতে পারে না।” (“t it is necessary to remember that though our Legislatures have plenary powers, they function within the limits prescribed by the material and relevant provisions of the Constitution. In a democratic country governed by a writen Constitution, it is the Constitution which is supreme and sovereign. Therefore, there can be no doubt that the sovereignty which can be claimed by the Parliament in England, cannot be claimed by any Legislature in India in the literal absolute sense.)

নেকে দাবি করেন, সংসদ সংবিধানও সংশোধন করতে পারে, তাই সংসদই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী এবং সার্বভৌম। এটিও একটি ভ্রান্ত ধারণা, কারণ সংবিধানের প্রদত্ত ক্ষমতা বলেই সংসদ তা করতে পারে। তাও সাংবিধানিক পদ্ধতি অনুসরণ করেই। উদাহরণস্বরূপ, আমাদের সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে (যেমন, দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে) সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। তাই এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, লিখিত সংবিধানই সংসদের ক্ষমতার উৎস।

সম্প্রতি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায়ও একজন ভারতীয় বিচারক একই ধরনের মতামত ব্যক্ত করেন। গত ২০০৫ সালে ১১ জন ভারতীয় আইন প্রণেতাকে লোকসভা ও রাজ্যসভা থেকে বহিষ্কারের প্রেক্ষাপটে দায়ের করা রাজা রামপাল বনাম স্পিকার মামলার [(২০০৭)৩এসিসি] রায়ে সংখ্যাগরিষ্ঠদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণকারী বিচারক রাভিনড্রান অভিমত দেন : ুব্রিটিশ পার্লামেন্টের মতো, ভারতীয় পার্লামেন্ট সার্বভৌম নয়। সংবিধানই সর্বোচ্চ ও সার্বভৌম এবং পার্লামেন্টকে সংবিধানে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।” (ÒUnlike British Parliament, Indian Parliament is not sovereign. It is the Constitution which is supreme and sovereign and Parliament will have to act within the limitations imposed by the Constitution.Ó)

হাসনাত আবদুল হাই আরও দাবি করেছেন, ‘এই সার্বভৌমত্ব তার (পার্লামেন্টের) ওপর অর্পিত হয়েছে জনগণ কর্তৃক, জনগণই সার্বভৌম ক্ষমতা ধারণ করে। নির্বাচনের মাধ্যমে তারা এই সার্বভৌম ক্ষমতা পার্লামেন্টের কাছে হস্তান্তর করে।’ এ বক্তব্যও সঠিক নয়।

আমাদের সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘(১) প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে। (২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে। সংবিধানের এ অনুচ্ছেদে জনগণ সব ক্ষমতার মালিক, অর্থাৎ তাদের সার্বভৌমত্বের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু সার্বভৌমত্ব হস্তান্তরের কথা বলা হয়নি।

উপরন্তু সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে জনগণের পক্ষে ক্ষমতা প্রয়োগের কথা বলা হয়েছে। জনগণের পক্ষে ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকার শুধু সংসদ বা আইনসভাকেই দেয়া হয়নি, সাংবিধানিকভাবে অন্যদেরও সুনির্দিষ্ট করে তা দেয়া হয়েছে। যেমন, নির্বাহী বিভাগকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বিচার বিভাগকে দেয়া হয়েছে বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব। এমনিভাবে নির্বাচন কমিশন ও মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককেও সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। লক্ষণীয়, সংবিধানে প্রত্যেকের ক্ষমতা সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে দেয়া আছে এবং এই পরিধির গণ্ডিতেই তাদের দায়িত্ব পালন করতে হয়।

সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদে আইনসভার ক্ষমতা মোটাদাগে সুনির্দিষ্ট করা আছে। এতে বলা হয়েছে, ু‘জাতীয় সংসদ’ নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হবে।” আইন প্রণয়ন বলতে সাধারণত নতুন আইন অনুমোদন, বিদ্যমান আইন পরিবর্তন-সংশোধন ও রহিতকরণ, নীতিনির্ধারণী বিষয়ে বিতর্ক অনুষ্ঠান, বাজেট অনুমোদন, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি বুঝায়। অর্থাৎ জনগণ তাদের অন্তর্নিহিত ক্ষমতার অংশবিশেষ- তাদের স্বার্থ-সংরক্ষণের লক্ষ্যে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা- সংসদের ওপর অর্পণ করেছে। পরিপূর্ণ ক্ষমতা সংসদের কাছে হস্তান্তর করেনি। তাই জনগণ তাদের সার্বভৌমত্ব সংসদের কাছে হস্তান্তর করেছে বলা কোনভাবেই সমীচীন হবে না।

সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ শুধু আক্ষরিক অর্থেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, এর আরও গূঢ় তাৎপর্য রয়েছে। আমাদের সাবেক এটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলামের মতে, ৭ অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট বিধান ও তাৎপর্য হল : (ক) জনগণই সার্বভৌম এবং জনপ্রতিনিধিত্বমূলক (republican) বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আমাদের রাষ্ট্র ও সরকার; (খ) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে প্রতিফলিত সংবিধানই সর্বোচ্চ; (গ) সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সব আইন অকার্যকর; (ঘ) সীমিত ব্যাপ্তির সরকার (limited government) প্রতিষ্ঠা আমাদের লক্ষ্য যেখানে সরকারের তিনটি অঙ্গ (organ) সংবিধানের অধীনে এবং ক্ষমতাবলে ক্রিয়াশীল; (ঙ) তিনটি পরস্পর নির্ভরশীল অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার বিভাজন (separation of powers) বিদ্যমান। [Constitutional Law of Bangladesh, দ্বিতীয় সংস্করণ, মল্লিক ব্রাদার্স, ২০০৮, পৃ. ৬৭] বলা বাহুল্য, ক্ষমতা যখন এভাবে সংবিধানের অধীনে এবং ক্ষমতাবলে প্রয়োগ করা হয়, তখন ক্ষমতার যথেচ্ছ ব্যবহারের সুযোগ থাকে না।

পরিশেষে এটি সুস্পষ্ট যে, হাসনাত আবদুল হাইয়ের দাবি সত্ত্বেও পার্লামেন্টই সব ক্ষমতার অধিকারী সে ধারণা সঠিক নয়। ব্রিটেনে, যেখানে লিখিত সংবিধান নেই এবং পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ বিচারিক দায়িত্ব পালন করে, সংসদীয় সার্বভৌমত্বের ধারণা আংশিকভাবে প্রযোজ্য হলেও, আমাদের মতো দেশে তা অপ্রাসঙ্গিক। আমাদের লিখিত সংবিধানই ‘সুপ্রিম’ বা সর্বোচ্চ। আমাদের সংবিধান অনুযায়ী, জনগণই সব ক্ষমতার উৎস ও সার্বভৌম এবং আমাদের জাতীয় সংসদ জনগণের পক্ষে এবং সংবিধানের অধীনে ও ক্ষমতাবলে সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা- আইন প্রণয়নের ক্ষমতা- উপভোগ করে। এক্ষেত্রে সংসদের ক্ষমতা অগাধ হলেও, সংসদ সার্বভৌম নয়। বস্তুত, আমাদের সংবিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল ক্ষমতার বিভাজন ও ভারসাম্য। এর মূল লক্ষ্য হল ক্ষমতা কুক্ষিগত যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করা, কারণ কুক্ষিগত ক্ষমতাই স্বৈরতন্ত্রের উৎস। তাই আধুনিক রাষ্ট্রে সরকারের কোন অঙ্গেরই সার্বভৌম হওয়ার সুযোগ নেই।
ড. বদিউল আলম মজুমদার : সম্পাদক, সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক

তথ্য সূত্র: দৈনিক যুগান্তর, ৩১ আগষ্ট ২০০৯

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s