সুশাসন: কেউ কথা রাখেনি

samakal_logo

বদিউল আলম মজুমদার

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কবিতা ‘কেউ কথা রাখেনি’। তেত্রিশ বছর পার হওয়ার পরও দাদাঠাকুরকে দেওয়া কথা কেউ রাখেনি। বোষ্টমি কথা দিয়ে পঁচিশ বছর পরও ফিরে আসেনি। অনেক বড় হওয়ার এবং বহু অপেক্ষার পরও নাদের আলী তাকে তিন প্রহরের বিল দেখাতে নিয়ে যায়নি। বাবার কথা দেওয়া সত্ত্বেও আর রয়্যাল গুলি কেনা, লাঠি লজেন্স চোষা এবং রাস উৎসবে অংশগ্রহণ করা তার হয়নি। বহু কাঠখড় পোড়ানো এবং ১০৮টি নীলপদ্ম আনার পরও বরুণার কাছ থেকে প্রেমের প্রতিদান সে পায়নি। তেমনিভাবে স্বাধীনতার প্রায় চলি্লশ বছর পরও বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূলের প্রতিশ্রুতি কেউ রক্ষা করেনি।

উদাহরণস্বরূপ, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তার ‘দিনবদলের সনদ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহারে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা’ গ্রহণকে অগ্রাধিকারের পাঁচটি বিষয়ের মধ্যে দ্বিতীয়, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি প্রতিরোধের পরই_ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করেছে। নির্বাচনী ইশতেহারে অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে অঙ্গীকার করা হয়েছে : ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে শক্তিশালী করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। ক্ষমতাধরদের বার্ষিক সম্পদের বিবরণ দিতে হবে। দুর্নীতি উচ্ছেদ, অনুপার্জিত আয়, ঋণখেলাপি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, কালো টাকা ও পেশিশক্তি নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’ এছাড়াও ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে, বিশেষত দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও পেশিশক্তি নির্মূলে তার দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা বারবার উচ্চারণ করে আসছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তার ‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহারে সুস্পষ্টভাবে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে : ‘সমাজের সর্বস্তরে এবং সব শ্রেণীর মধ্যে দুর্নীতির প্রসার ঘটেছে। এ বিষয়ে দেশে ও বিদেশে ব্যাপক এবং অনেক ক্ষেত্রে অতি প্রচারণা হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ সৎ ও নৈতিক জীবনযাপন করলেও বিশেষত বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তন আনতে হবে। সেই লক্ষ্যে বিএনপি নির্বাচিত হলে দুর্নীতি দমন এবং দুর্নীতির উৎসগুলো রুদ্ধ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেবে; রাষ্ট্রীয় ও রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সব প্রতিষ্ঠানের ক্রয়-বিক্রয় এবং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। এসব ক্ষেত্রে যে কোনো ধরনের অন্যায় প্রভাব বিস্তারের অপচেষ্টা নির্দয়ভাবে দমন করা হবে। বিগত বিএনপি আমলে প্রতিষ্ঠিত দুর্নীতি দমন কমিশনকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য ব্যাপক প্রচারণা কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে এবং এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো, মিডিয়া ও জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা হবে। নির্বাচনের পর শপথ গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে সব নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করতে হবে।’

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আমাদের দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল। গত বিশ বছরে দল দুটি দুই দুইবার রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রের নাগরিকদের বিরাট অংশ তাদের কর্মী-সমর্থক। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার অনেক অঙ্গীকার তারা অতীতে করেছে। এবারও তারা একই আশ্বাস দিয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত অতীতের মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধে নির্বাচনী ইশতেহারে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবারও তারা এ পর্যন্ত রক্ষা করেনি।

স্মরণ করা যেতে পারে, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের একশ’ দিনের কর্মসূচি ঘোষণাকালে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। এবারও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা বলেছে। দুর্ভাগ্যবশত, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো সর্বাত্মক যুদ্ধ এ পর্যন্ত আমাদের চোখে পড়েনি। বলা বাহুল্য, দুর্নীতি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ নয়, এটি সব নাগরিকের স্বার্থহানিকর গুরুতর অপরাধ।

দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূল করতে হলে প্রথমে দলকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। দুর্নীতিগ্রস্তদের দিয়ে কোনোভাবেই দুর্নীতি দমন সম্ভব নয়। তাই দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে হলে দলে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা আবশ্যক। কিন্তু দু’বছরের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের জেল-জুলুমের দুঃখজনক অভিজ্ঞতার পরও কোনো দল থেকেই দুর্বৃত্ত-দুর্নীতিবাজদের বাদ দেওয়ার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি; বরং তাদের অনেককে পুনর্বাসন করা হয়।

আওয়ামী লীগ কিছু বিতর্কিত ব্যক্তিকে মন্ত্রিসভা থেকে দূরে রাখলেও, অনেককেই তারা সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করেছে। তবে বিএনপি তা আরও ঢালাওভাবে করেছে। বস্তুত শুদ্ধি অভিযান তো দূরের কথা, বলতে গেলে বিএনপি দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত কাউকেই বাদ দেয়নি; বরং কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠিত জাতীয় সম্মেলনে প্রায় সব বিতর্কিতকে গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত করেছে। অনেককে পুরস্কৃতও করেছে। বস্তুত বিতর্কিতরাই এখন বিএনপির চালকের আসনে (প্রথম আলো, ৩ জানুয়ারি, ২০১০)।

দু’দলের কথা না রাখার একটি সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট উদাহরণ হলো নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সম্পদের হিসাব না দেওয়া। বিএনপি তার নির্বাচনী ইশতেহারে নির্বাচনের পর শপথ গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যে সব নির্বাচিত প্রতিনিধির সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করার অঙ্গীকার করেছে। কিন্তু শপথ গ্রহণের পর প্রায় ১৫ মাস অতিবাহিত হলেও বিএনপির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এ ব্যাপারে তারা কিছু বলছেও না। ক্ষমতায় যাওয়া না যাওয়ার ওপর এ অঙ্গীকার নির্ভর করে না। তাই জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের সম্পদের বিবরণ দেওয়াও জরুরি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও এ ব্যাপারে তাদের কথা রাখেনি। নির্বাচনী ইশতেহারে তারা প্রতি বছর ক্ষমতাধরের সম্পদের হিসাব প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। গত বছরের প্রথম দিকে অর্থমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে একটি উদ্যোগের কথা আমরা সংবাদপত্রে পড়েছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আজ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি দেখা যায় না। শোনা যায়, বিষয়টি নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে, তবে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবার সম্পদের হিসাব প্রদানের ব্যাপারে নির্দেশ প্রদান করেছেন। এখন শোনা যায়, জুন মাসের মধ্যে মন্ত্রী-এমপিদের সম্পদের হিসাব প্রদান করা হবে। তবে সম্পদের বিবরণ প্রদান করলেই হবে না, বিবরণ হতে হবে বিস্তৃত ও তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।

দুর্নীতি নির্মূলের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি : ১. যথাযথ আইনি কাঠামো; ২. কার্যকর প্রতিষ্ঠান এবং ৩. সামাজিক প্রতিরোধ। আর এ জন্য প্রয়োজন সুদৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা। দিনবদলের সনদে সুস্পষ্ট অঙ্গীকার করলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক সদিচ্ছা এখনও পরিপূর্ণভাবে প্রদর্শন করতে পারেনি।

উদাহরণস্বরূপ, প্রধানমন্ত্রী আইন সংশোধন করে দুদককে শক্তিশালী করার ঘোষণা সংসদে প্রদান করলেও, বাস্তবে তার প্রতিফলন হচ্ছে না বলেই অনেকের আশঙ্কা। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী গত বছরের মাঝামাঝি দুদকের আইন পর্যালোচনা ও সুপারিশের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদের অধীনে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। অনেকগুলো বৈঠকের পর কমিটি বেশ কয়েকটি আইন পরিবর্তনের লক্ষ্যে কতগুলো সুপারিশ করে, যা নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

দুদককে রাষ্ট্রপতির কাছে দায়বদ্ধ করা কমিটির সুপারিশের মধ্যে অন্যতম, যার যৌক্তিকতা জনমনে অনেক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমাদের সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ‘কেবল প্রধানমন্ত্রী ও… প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।” তাই দুদককে রাষ্ট্রপতির কাছে দায়বদ্ধ করলে প্রতিষ্ঠানটি মূলত প্রধানমন্ত্রী বা নির্বাহী বিভাগের কাছে দায়বদ্ধ হয়ে যাবে এবং এর মাধ্যমে কমিশনের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হবে। দুদকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই আপত্তি জানানো হয়েছে। বস্তুত দুদককে নখ ও দন্তহীন বাঘে পরিণত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে দুদক চেয়ারম্যান সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন।

পর্যালোচনা কমিটির সবচেয়ে বিতর্কিত সুপারিশটি হলো সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে সরকারের পূর্ব অনুমোদন গ্রহণের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি। উল্লেখ্য, অতীতের এমনই একটি বিধান ২০০৪ সালের আইনের মাধ্যমে রহিত করা হয়, যা আগের দুর্নীতি দমন ব্যুরোকে সম্পূর্ণ অকার্যকর করে ফেলে। সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত কমিটির এমন সুপারিশ সম্পূর্ণ বৈষম্যমূলক ও প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। সরল বিশ্বাসে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে সরকারি কর্মকর্তারা দায়মুক্ত হতে পারলে, অন্য নাগরিকদের বেলায়ও তা প্রযোজ্য হবে না কেন? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন গণপরিষদের শেষ অধিবেশনে প্রদত্ত তার ভাষণে বলেছিলেন, সরকারি কর্মকর্তারা ভিন্ন গোত্র নন এবং তারা সাধারণ মানুষ থেকে বেশি অধিকার ভোগ করতে পারেন না।

কমিটির আরেকটি সুপারিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যে বাধা অপসারণের লক্ষ্যে দুদকের পক্ষ থেকে ২০০৪ সালের আইনের ১৯(১) এ ‘আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন’ শব্দগুলো সংযোজনে দুদকের পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়। কমিটি এ প্রস্তাবের বিপক্ষে সুপারিশ করে। আমরা মনে করি, দুর্নীতি দমন কার্যক্রমকে সত্যিকারার্থে জোরদার ও ফলপ্রসূ করতে হলে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিধানাবলিকে অন্যান্য আইনের ওপর প্রাধান্য দেওয়া যুক্তিযুক্ত হবে না। দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশও সরকারের দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। শোনা যায়, আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক হয়রানির অজুহাতে এ পর্যন্ত ৪ সহস্রাধিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে কয়েকশ’ দুর্নীতির মামলা রয়েছে। মামলা যদি সত্যিকারার্থে হয়রানিমূলক হয়, তাহলে বিচার প্রক্রিয়ায়ই অভিযুক্তরা নির্দোষ বলে প্রমাণিত হবেন। তাই দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ কোনোভাবেই সরকারের দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমকে জোরদার করার সাক্ষ্য বহন করে না। তবে আমরা আনন্দিত, দুদক মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এ পর্যন্ত সম্মতি প্রদান করেনি।

পরিশেষে এটি সুস্পষ্ট, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার। তা সত্ত্বেও আমাদের সমাজে দুর্নীতি ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করেছে। তাই কঠোরভাবে দুর্নীতি দমন এখন সময়ের দাবি। কারণ দুর্নীতি আমাদের আর্থ-সামাজিক অগ্রযাত্রাকে দারুণভাবে ব্যাহত করছে। বস্তুত বর্তমানে বিরাজমান বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানিসহ অন্যান্য সংকট বহুলাংশে সর্বগ্রাসী দুর্নীতির দুষ্ট ছোবলেরই পরিণাম। তাই আমরা আশা করি, সরকার ও বিরোধী দল এ ব্যাপারে তাদের সদিচ্ছা প্রদর্শন করবে এবং দুর্নীতির করালগ্রাস থেকে জাতিকে রক্ষার জন্য জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ হাতে নেবে।
-ড. বদিউল আলম মজুমদার : সম্পাদক
সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক

সূত্র: সমকাল, ৮ এপ্রিল ২০১০

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s