সুশাসন: বাজেট কি দিনবদলের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ

samakal_logo

বদিউল আলম মজুমদার

অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ২০১০-১১ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেছেন। প্রাক্কলিত বাজেটের পরিমাণ ১ লাখ ৩২ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। উন্নয়ন বাজেট ৩৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু বাজেটটি কি আওয়ামী লীগের ‘দিনবদলের সনদ’-এর অঙ্গীকারগুলোর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ? এ বিশাল আকারের বাজেট বাস্তবায়ন কি সম্ভব?

দুর্ভাগ্যবশত আওয়ামী লীগের দিনবদলের সনদের আলোকে প্রস্তাবিত বাজেটটি বিশ্লেষণ করা দুরূহ। কারণ আমাদের জানামতে দিনবদলের সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কোনো ‘ওয়ার্ক প্ল্যান’ বা সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়নি। যদিও ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই এ বিষয়ের প্রতি আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম। দিনবদলের সনদে শুধু কিছু কিছু ক্ষেত্রেই সুস্পষ্ট টার্গেট বা সংখ্যানুপাতিক লক্ষ্যমাত্রা নির্দিষ্ট করা আছে। এছাড়াও সংখ্যানুপাতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্যও একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা দরকার। আমাদের আশঙ্কা, কর্মপরিকল্পনার অভাব দিনবদলের সনদ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াবে।

উপরোক্ত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমরা দিনবদলের সনদের আলোকে বাজেটের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিকের ওপর আলোকপাত করতে চাই। বাজেটে কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা নিঃসন্দেহে দিনবদলের সনদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। যেমন_ বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বাজেটে ৬ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা বর্তমান বছরের সংশোধিত বাজেট থেকে ৬১.৫ শতাংশ বেশি। শিক্ষাখাতেও সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা, যা ২০০৯-১০ সালের সংশোধিত বরাদ্দ থেকে ১৩.৫ শতাংশ বেশি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বাজেটে চাল, ডাল, গম, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ ইত্যাদির ওপর শূন্যহারের কর অব্যাহত রাখা হয়েছে। যদিও ২০০৯-১০ অর্থবছরে এ ধরনের শুল্কহার বিরাট সুফল বয়ে আনেনি। এক্ষেত্রে সফলতা বহুলাংশে নির্ভর করবে পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি রোধ, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সরবরাহ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে টিসিবির তৎপরতা। বিদ্যুৎ ও শিক্ষা খাতে সফলতাও নির্ভর করবে ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতার ওপর।

অর্থমন্ত্রী বিশ্বমন্দা মোকাবেলার লক্ষ্যে গত বছর ৩ হাজার ৪২৪ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার কথা তার বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও তিনি রফতানি খাতে সহায়তা/ভর্তুকি হিসেবে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা বিতরণের তথ্য প্রদান করেছেন। উপরন্তু গত অর্থবছরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি বস্ত্রশিল্প খাতে দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণার কথাও উল্লেখ করেছেন। কয়েক সহস্র কোটি টাকার এসব প্রণোদনা প্যাকেজ আগামী অর্থবছরেও অব্যাহত থাকবে বলে বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে।

বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এসব প্রণোদনা প্যাকেজ প্রদান সম্ভবত যুক্তিযুক্ত। যদিও এগুলোর যথার্থতা সম্পর্কে অনেকের প্রশ্ন রয়েছে। অনেকের দাবি, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশের যোগসূত্র অত্যন্ত ক্ষীণ এবং আমাদের শিল্প ও বাণিজ্য খাতের ওপর বিশ্বমন্দার বড় কোনো প্রভাব পড়েছে বলে মনে হয় না। যদিও বিদেশে কর্মরত কিছু শ্রমিককে দেশে ফিরে আসতে হয়েছে কিংবা বেকার অবস্থায় তারা বিদেশে অবস্থান করছে। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুসারেই, ‘মন্দার কারণে ২০০৯ যেখানে বিশ্বব্যাপী পণ্য ও সেবা রফতানি ২০.৪ শতাংশ সংকুচিত হয়, সেখানে আমরা গত অর্থবছরে রফতানি খাতে ১০.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হই।’ এছাড়াও মুক্তবাজার অর্থনীতিতে মালিকরাই যেখানে সব লাভ-লোকসানের মালিক, সেখানে প্রয়োজন ছাড়া জরুরি সহায়তা প্রদানের যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া দুরূহ। উপরন্তু বিশ্বমন্দার বিরূপ প্রভাবও অনেকাংশে কেটে গেছে। তাই প্রণোদনা প্যাকেজ ভবিষ্যতে অব্যাহত রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশের দরিদ্রদের এবং বিদেশে চাকরি হারানোদের কোনো ‘লবি’ বা তাদের পক্ষে কথা বলার কেউ নেই, তাই তারা এ ধরনের বিশেষ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

দুর্নীতির কথায় আসা যাক। দিনবদলের সনদে সুস্পষ্টভাবে অঙ্গীকার করা হয় : ‘দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে শক্তিশালী করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। ক্ষমতাধরদের বার্ষিক সম্পদ বিবরণ দিতে হবে। রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে ঘুষ, দুর্নীতি উচ্ছেদ, অনুপার্জিত আয়, ঋণখেলাপি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, কালো টাকা ও পেশিশক্তি প্রতিরোধ এবং নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

অর্থমন্ত্রী দুর্নীতি দমন কমিশনের বাজেট মাত্র ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা বাড়িয়ে ২৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছেন, যার মাধ্যমে কোনোভাবেই দুর্নীতি নির্মূলে সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেনি। এক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে আমরা বিশেষভাবে নিরাশ হয়েছি। তিনি বলেছেন : ‘… অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রতিবন্ধক হলো দুর্নীতি। দুর্নীতি দূর না হলে সুশাসন নিশ্চিত হবে না… দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য ইতিমধ্যে দুর্নীতি দমন আইনের কতিপয় সংশোধনী এনে মন্ত্রিসভায় একটি সংশোধনী নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। এ প্রস্তাবিত আইন দ্বারা বিদ্যমান আইনের ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর হবে। বর্তমানে এ ধরনের আইনের সঙ্গে অন্যান্য দেশের আইন মিলিয়ে এটিকে দেখা হচ্ছে। তাছাড়া দুর্নীতি দমন আইন প্রণয়নের কারণে যাতে কোনো ক্ষেত্রে মৌলিক মানবাধিকার ক্ষুণ্ন না হয় সে বিষয়ে আমরা সজাগ রয়েছি। আমরা চাই, দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীন থাকবে, কিন্তু তাকেও অবশ্য দায়বদ্ধ থাকতে হবে। তদন্তে এবং অভিশংসনে তাদের স্বাধীনতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে।’

আমরা আশা করেছিলাম, দুদকের আইন সংশোধনের উদ্যোগের ব্যাপক সমালোচনার মুখে সরকার এ ব্যাপারে পিছপা হবে, কিন্তু অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য পড়ে আমাদের কাছে মনে হয়েছে, সরকার এ ব্যাপারে এখনও অনমনীয়। এছাড়াও অর্থমন্ত্রী বলেছেন, সরকার অভিযুক্তদের মৌলিক মানবাধিকার সংরক্ষণের ব্যাপারে সজাগ। কিন্তু দুর্নীতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার যে প্রতিনিয়ত খর্ব হচ্ছে (যেমন_ আইলাদুর্গত এলাকার মানুষের মানবেতর জীবনযাপন), সে ব্যাপারে কি সরকার সজাগ? এছাড়াও দুদক একটি দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইন দ্বারা সৃষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান। তাই দায়বদ্ধতার নামে শৃঙ্খলিত করলে দুদক কীভাবে ক্ষমতাধরদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করবে?

সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দিনবদলের সনদে অঙ্গীকার করা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সম্পদের হিসাব ও আয়ের উৎস প্রতি বছর জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে… একটি সর্বসম্মত আচরণবিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’ অর্থমন্ত্রী অতীতে একাধিকবার সম্পদের হিসাব প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি বলেছেন, এসব হিসাব বাজেট অধিবেশনের আগে প্রকাশ করা হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তা করা হয়নি। সংবাদপত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, মে মাসের আগ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো নির্দেশনাও প্রদান করা কিংবা কোনো প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়নি (দৈনিক সমকাল, ৩০ মে ২০১০)। এছাড়া সংসদ সদস্যদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়নের কোনো উদ্যোগও এ পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। তা হলে আমাদের সমাজের ক্ষমতাধররা কি দায়বদ্ধ হতে চান না?

দিনবদলের সনদে আরও বলা হয়, ‘ক্ষমতার বিকেন্দ্রায়ন করে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদকে শক্তিশালী করা হবে।’ স্থানীয় সরকার বিষয়ে বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কথা সবারই জানা। তবুও অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে উপজেলা পরিষদের কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে।’ এছাড়াও তিনি বিকেন্দ্রায়নের প্রয়োজনীয়তার এবং ‘জেলা পরিষদকে ঢেলে সাজিয়ে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা’ করার কথা বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন। তিনি আরও বলেছেন, ‘এ বিষয়টি বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সবিশেষ নজরে আছে।’ অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের আশাবাদী হওয়া কি যুক্তিযুক্ত হবে? এছাড়াও অর্থমন্ত্রীর আশাবাদ তার প্রস্তাবিত বাজেট বরাদ্দে প্রতিফলিত হয়নি। যেমন_ নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের জন্য প্রস্তাবিত থোক বরাদ্দ মাত্র ৭৮৫ কোটি টাকা, যা প্রস্তাবিত এডিপির ২.০৩ শতাংশ মাত্র। পক্ষান্তরে বর্তমান অর্থবছরের থোক বরাদ্দ ছিল সংশোধিত এডিপির ২.৭২ শতাংশ।

প্রতিরক্ষা বাজেটের বিষয়ে আসা যাক। অর্থমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেটে ১ হাজার ৫১২ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়িয়ে প্রতিরক্ষা খাতের বাজেট মোট ১০ হাজার ৬৯৫ কোটিতে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন। অনেকের প্রশ্ন : এটি কি আমাদের জন্য উন্নয়ন খাত? এছাড়া অনেকেরই হয়তো জানা নেই যে, আমেরিকান ‘ফরেন পলিসি’ ম্যাগাজিন (জুলাই-আগস্ট, ২০০৯) অনুযায়ী, ২০০৬-০৭ সালে বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর অষ্টম বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক_ ওই বছর বাংলাদেশ ৪৩৭ মিলিয়ন ডলার অস্ত্র আমদানিতে ব্যয় করেছিল। ব্যয় বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আরও সুসজ্জিত ও শক্তিশালী করা কি দিনবদলের সনদ তথা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হবে? প্রসঙ্গত অনেকের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান পরিণতির অন্যতম কারণ রাষ্ট্রীয় অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানের তুলনায় সামরিক বাহিনীর শক্তি, সম্পদ ও অস্ত্রশস্ত্রের অসম আধিক্য।

পরিশেষে অর্থমন্ত্রী বলেছেন : ‘আমাদের দিনবদলের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন একটি আধুনিক, দক্ষ, দুর্নীতিমুক্ত ও সেবাপরায়ণ জনপ্রশাসন। এ কারণে জনপ্রশাসনে ব্যাপক সংস্কার অপরিহার্য। আমরা সে সংস্কার কার্যক্রম হাত নিয়েছি।’ একের পর এক সরকার কর্তৃক দলীয়করণ এবং অপব্যবহারের কারণে আমাদের প্রশাসনিক কাঠামো আজ প্রায় ভেঙে পড়েছে, যা গড়ে তোলা অতি জরুরি। কিন্তু সংসদ উপ-নেতা যখন বলেন, প্রশাসনে বিএনপি-জামায়াতের লোক থরে থরে সাজানো। ‘প্রধানমন্ত্রী, আপনি এদের প্রতি দয়া দেখাবেন না। এদের অপসারণ না করলে উন্নয়নের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাবে। প্রশাসনকে শয়তানিমুক্ত করতে হবে, আপনাকে শক্ত হতে হবে’ (যুগান্তর, ১৩ জুন ২০১০)। তখন নাগরিক হিসেবে আমরা চিন্তিত হয়ে পড়ি, কারণ লোম বাছতে কম্বল উজাড় হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও দলীয়করণের সমাধান দলীয়করণ নয়। উপরন্তু এ ধরনের বক্তব্যের কারণে জনপ্রশাসন আজ চরমভাবে আতঙ্কিত আর শঙ্কিত কর্মকর্তাদের দিয়ে এ বিশাল বাজেটের সুষ্ঠু ও পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন দুরূহ হয়ে পড়বে।

ড. বদিউল আলম মজুমদার : সম্পাদক সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক

সূত্র: সমকাল, ১৭ জুন ২০১০

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s