শাসনতন্ত্র: সংবিধান সংশোধন নিয়ে সংশয়

বদিউল আলম মজুমদার | তারিখ: ২০-০৪-২০১১

সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে সরকার গত জুলাই মাসে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। কমিটির ১২ জন সদস্যই সরকারদলীয়। অন্য সদস্যরাও মহাজোটের অংশীদার। বিরোধী দল বিএনপিকে কমিটির একটি সদস্যপদ দেওয়া হলেও তারা তা গ্রহণ করেনি। কমিটি এখন তার সুপারিশ চূড়ান্ত করছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, সম্ভবত আগামী মে মাসে সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশনে এগুলো উত্থাপন ও পাস করা হবে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত কমিটির সুপারিশগুলো নিয়ে অনেক নাগরিকের মনে বহু গুরুতর সংশয় সৃষ্টি হয়েছে; প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে কমিটির কার্যক্রম ও এখতিয়ার তথা সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি নিয়ে।সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো হলো: কেন এই কমিটি? কী এর উদ্দেশ্য ও কার্যপরিধি? শুধু ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের প্রতিনিধিদের নিয়ে সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনা কি যৌক্তিক? মহাজোট সরকার কি মৌলিক পরিবর্তনের জন্য ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত? এ ব্যাপারে এত তাড়াহুড়োই বা কেন?

আমাদের জানামতে, কমিটির জন্য কোনো কার্যপরিধি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। তবে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করতে গিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন—সামরিক ফরমান জারি করে অতীতে সংবিধানকে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে; আর সে জন্যই সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের বুকে যাতে সামরিক শাসনের জগদ্দল পাথর আর চেপে বসতে না পারে, সে ব্যবস্থা নিতেই এই কমিটি। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার অনুসরণে সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে এটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটি প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে এ বিষয়ে তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করবে। (প্রথম আলো, ২১ জুলাই ২০১০)। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী কমিটির উদ্দেশ্য মূলত আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং অবৈধ ক্ষমতা দখল রোধ করা।

পরবর্তী সময়ে কমিটির সভাপতি এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সংবিধান সংশোধনের কয়েকটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের কথা বলেন: অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বন্ধ করা; জনগণের স্বাধীন-সার্বভৌম ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা; মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত ও সংরক্ষণ করা; আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোটের নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ ও জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট বাস্তবায়ন এবং সর্বোচ্চ আদালতের রায় কার্যকর করা। (যুগান্তর, ২৩ জুলাই ২০১০)।

এখানে জনগণের স্বাধীন-সার্বভৌম ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত ও সংরক্ষণ করা দ্বারা সুস্পষ্টভাবে কী বোঝানো হয়েছে, তা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। এ ছাড়া এ দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়নই ছিল ১৯৭২-এর সংবিধানের অন্যতম উদ্দেশ্য, যা বাস্তবে রূপায়িত হয়নি। এমন ব্যর্থতার আলোকে আমাদের কর্তব্য হওয়া উচিত সংশোধনের আগে বিশেষজ্ঞদের দিয়ে বিদ্যমান সংবিধানের কার্যকারিতা গভীরভাবে মূল্যায়ন করা। কেন বর্তমান সংবিধান লক্ষ্য দুটি বাস্তবায়নে সফল হয়নি, তা নিরূপণ করা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সীমিত উদ্দেশ্য নিয়ে কমিটি গঠনের কথা বললেও গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী কমিটি যেন সংবিধানের অনেক কিছুরই আমূল পরিবর্তনের সুপারিশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেমন, তারা বিচার বিভাগকে সংসদের কাছে দায়বদ্ধ করার কথা বলছে। বলছে, সংবিধানে যুগপৎভাবে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ও ধর্মনিরপেক্ষতার বিধান রাখার এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের কথা। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনার, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা খর্ব করার, সংরক্ষিত নারী আসনসংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে সংসদের আসনসংখ্যা ৪০০-তে বৃদ্ধি করারও ইঙ্গিত দিচ্ছে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল রোধের লক্ষ্যে কমিটির সুপারিশে মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকছে। কোনো সুনির্দিষ্ট কার্যপরিধি ছাড়াই কমিটি এতগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সুপারিশ তৈরি করছে।

সুপারিশগুলো সংসদে অনুমোদিত হলে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন সূচিত হবে। কিন্তু এসব পরিবর্তনের জন্য কি মহাজোট সরকার ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত? বর্তমান সংসদ সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে ‘গণপরিষদ’ হিসেবে নির্বাচিত হয়নি। তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংবিধানে সংশোধন আনার এখতিয়ার অবশ্যই সরকারের রয়েছে।

উপরন্তু, বিচার বিভাগকে সংসদের কাছে দায়বদ্ধ করা হলে ক্ষমতার পৃথক্করণের নীতি লঙ্ঘন করা হবে। এতে রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগের—নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা ও বিচার বিভাগ—একে অপরের ওপর নজরদারিত্বের কাঠামো ভেঙে পড়বে। বিচার বিভাগ ধ্বংসের মুখোমুখি হবে এবং নিরঙ্কুশ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হবে। আর নিরঙ্কুশ ক্ষমতা স্বৈরতন্ত্র সৃষ্টি করবে, যার পরিণতি অমঙ্গলকর হতে বাধ্য।

সংবিধান গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ। গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা আমাদের সাংবিধানিক অঙ্গীকার। তাই সংবিধানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই হতে হবে। সুতরাং অন্যান্য দলের, বিশেষত প্রধান বিরোধী দল বিএনপির, যারা গত সাধারণ নির্বাচনে এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ভোট পেয়েছে, যথার্থ সম্পৃক্ততা ছাড়া সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত হবে না। এ ব্যাপারে শুধু বিরোধী দলের নেত্রীকে কমিটির সভায় ডাকলেই হবে না। আর উদ্দেশ্য যত মহৎই হোক, পদ্ধতি সঠিক না হলে তার পরিণতি শুভ হয় না। তাই একদলীয়, এমনকি জোটগতভাবেও সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনা সমীচীন হবে না। এ ছাড়া পঞ্চম সংশোধনী মামলার রায় সত্ত্বেও জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তির বহিঃপ্রকাশ এবং দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে সংবিধানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের জন্য গণভোটের আয়োজনও যৌক্তিক হবে।

উপরন্তু, সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন আনতে হলে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি হওয়া আবশ্যক। যেমন জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাদ দিলে কিংবা এতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনলে আরও জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। এতে আগামী নির্বাচনই অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। এর মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি সংবিধান সংশোধনের এক অশুভ প্রতিযোগিতারও সূচনা হতে পারে। সংসদীয় বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দলের যথার্থ প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে সমাজের সব স্তরের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করাও জরুরি।

বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সুপারিশ গ্রহণের লক্ষ্যে সবচেয়ে উত্তম পন্থা হতো সংসদের বাইরে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিশন গঠন, যেমন প্রতিবেশী ভারতে অতীতে করা হয়েছে। যেমন, ২০০০ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি এম এন ভেনকাটাচালিয়ার নেতৃত্বে ১১ সদস্য নিয়ে সংবিধানের কার্যকারিতা পর্যালোচনার জন্য একটি কমিশন গঠন করা হয়, যাতে কোনো সাংসদ ছিলেন না। কমিশনের নির্ধারিত কার্যপরিধি ছিল, ‘সংসদীয় গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে একটি দক্ষ, নির্ঝঞ্ঝাট ও কার্যকর শাসনব্যবস্থা গড়ার এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা পূরণে সংবিধান কতটুকু ভূমিকা পালন করে, গত ৫০ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে তা পর্যালোচনা করা। একই সঙ্গে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো বা বৈশিষ্ট্য ঠিক রেখে, প্রয়োজন মনে করলে এর বিধানে পরিবর্তনের সুপারিশ করা।’ ব্যাপক আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে কমিশন দুই বছরে তাদের সুপারিশমালা প্রস্তুত করে। সংসদীয় কমিটি গঠনের আগে আমাদেরও এমন একটি কমিশন গঠন যুক্তিযুক্ত হতো।

সাংবিধানিক বিধানের মাধ্যমে অবৈধ ক্ষমতা দখল রোধের বিষয়ে আসা যাক। ১৯৭৩ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর নেতৃত্বে প্রণীত পাকিস্তানের সংবিধানে অবৈধ ক্ষমতা দখলকে ‘হাই ট্রিজন’ বা চরম দেশদ্রোহিতা বলে চিহ্নিত করে এর জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হয়। কিন্তু নিয়তির এমন পরিহাস যে অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী জেনারেল জিয়াউল হক ফাঁসির কাষ্ঠে জুলফিকার আলী ভুট্টোকেই ঝোলান এবং তিনি নিজে আমৃত্যু পাকিস্তানের রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে যান। পরে অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী জেনারেল পারভেজ মোশাররফের ‘হাই ট্রিজনের’ দায়ে কিছুই হয়নি।

আমাদের দণ্ডবিধির ১২৪ ধারায় রাষ্ট্রপতিকে আইনানুগ ক্ষমতা প্রয়োগে বাধা দানের শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু সে বিধান কখনো প্রয়োগ করা হয়নি; বরং ক্ষেত্রবিশেষে অবৈধ দখলকারী পুরস্কৃত হয়েছেন। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ জেনারেল এরশাদ, যিনি বর্তমান মহাজোট সরকারের অংশীদার। তাই নির্বাচিত সরকারকে উৎখাতের অভিযোগে এরশাদের বিচার না করে অবৈধ ক্ষমতা দখলের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে একধরনের পক্ষপাতদুষ্ট ও নৈতিকতাবিবর্জিত পদক্ষেপ।

অভিজ্ঞতার আলোকে এটি সুস্পষ্ট যে, সংবিধানে কঠোর বিধান করে অবৈধ ক্ষমতা দখল রোধ করা যায় না। নির্বাচিত সরকার যখন জনস্বার্থ বিসর্জন দেয় এবং অগণতান্ত্রিক আচরণ করে, তখনই অনির্বাচিত ব্যক্তিদের ক্ষমতা দখলের সুযোগ সৃষ্টি হয়। আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা স্বাধীনতার ৪০ বছর পরও কার্যকর হয়নি, প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয়নি। নির্বাচিত সরকারগুলো জনকল্যাণের পরিবর্তে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর স্বার্থে শাসনকার্য পরিচালনা করেছে, সংবিধান অমান্য করেছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছে। শাসকশ্রেণীর স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে তারা সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেছে। এসব অপারগতার কারণেই আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভেঙে পড়েছে এবং অগণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতা দখলের সুযোগ পেয়েছে। এ ছাড়া আমাদের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলই পালাক্রমে অগণতান্ত্রিক সরকারের জন্য হয় লালগালিচা বিছিয়ে দিয়েছে, না হয় স্বাগত জানানোর জন্য ফুলের তোড়া হাতে নিয়ে অপেক্ষা করেছে।

মনে হয় যেন সংবিধান সংশোধনের, বিশেষত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার সংস্কার ও অবৈধ ক্ষমতা দখলের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান এতে অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে মূলত গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের ঘটনাবলির প্রেক্ষাপটে এবং এগুলোর প্রতিক্রিয়ায়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুসংহত করা কিংবা জনস্বার্থকে সমুন্নত রাখার পরিবর্তে দ্রুত ক্ষমতায় যাওয়া এবং অগণতান্ত্রিক ও জনস্বার্থ পরিপন্থী আচরণ সত্ত্বেও ক্ষমতায় টিকে থাকাই যেন এর মূল উদ্দেশ্য। আমাদের আশঙ্কা, এ ধরনের স্বার্থ-প্রণোদিত সিদ্ধান্ত জনগণের কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না।

তাই আমরা মনে করি, নতুন বিতর্ক এড়ানো ও আদালতের নির্দেশনার আলোকে সংবিধানে যতটুকু পরিবর্তন আনা যৌক্তিক, তা-ই বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। একই সঙ্গে সরকারের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত, জনকল্যাণে নিবেদিত হয়ে মানুষের হূদয়-মন জয় করা এবং আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের লক্ষ্যে উদ্যোগী হওয়া। তা হলেই ক্ষমতার জবরদখলকারীদের ভবিষ্যতে রোধ করা যাবে; যা করাও অতি গুরুত্বপূর্ণ।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক।

সূত্র: প্রথম আলো, ২০ এপ্রিল ২০১১

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s