মাননীয় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপেষু

ড. ব দি উ ল আ ল ম ম জু ম দা র
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের একজন ক্ষুদ্র নাগরিক হিসেবে আমি আপনাকে আমাদের দেশে আন্তরিক স্বাগত জানাই। আপনাকে ধন্যবাদ জানাই এ ঐতিহাসিক সফরের জন্য, যে সফরে আমাদের প্রতিবেশী পাঁচটি প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আপনার সঙ্গে রয়েছেন। আপনার সহযাত্রী টিমের দিকে তাকালেই বোঝা যায়, ভারত সরকার এ সফরের প্রতি কত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এ সফর আমাদের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত আমরা বিশ্বাস করি, এর মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে।

বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পার্থক্য সত্ত্বেও আমাদের দুটি দেশ বহুলাংশে একই উত্তরাধিকার, সংস্কৃতি, এমনকি ভাষার ধারক। আমাদের শত্রুও এক এবং অনেকাংশে অভিন্ন- দারিদ্র্য, বৈষম্য, দুর্নীতি, উগ্রবাদ, জ্বালানি সংকট, সম্ভাব্য পরিবেশ বিপর্যয়, ‘ডেমোক্রেটিক ডেফিসিট’ বা গণতন্ত্রের সীমাবদ্ধতাই আমাদের ‘কমন এনিমি’। এছাড়াও আমরা প্রতিবেশী, যার পরিবর্তন ঘটান অসম্ভব। তাই আমাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতম সম্পর্ক গড়ে ওঠাই স্বাভাবিক এবং কাম্য। উভয় দেশের বৃহত্তর স্বার্থেও এ ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠা জরুরি।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বিরাজ করলে উভয় দেশই লাভবান হবে। আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। উভয় দেশের উৎপাদকরা প্রায় ১৩৫ কোটি জনসংখ্যার বাজারের সুবিধা পাবে, যা হবে চীনের বাজারের সমতুল্য। একজন স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদ হিসেবে আপনি জানেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পেছনে শুল্ক ও বাধাহীন আন্ত-অঙ্গরাজ্য বাণিজ্য (inter-state commerce) ঐতিহাসিকভাবে একটি বিরাট ভূমিকা রেখেছে। আর এ ধরনের সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যেই পরবর্তীকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সৃষ্টি। এছাড়াও আমাদের দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পাশাপাশি অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছা গেলে পানি, বিদ্যুৎ, পরিবেশ, এমনকি উগ্রবাদের সমস্যারও কার্যকর সমাধানের পথ উন্মোচিত হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

কিন্তু বাস্তবতা যা-ই হোক না কেন, দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আজ একটি চরম অসম সম্পর্ক বিরাজ করছে। এ ধারণা শুধু তথাকথিত অতি নগণ্যসংখ্যক ভারত বিদ্বেষীদের মধ্যেই নয়, যারা ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে আন্তরিকভাবে বিশ্বাসী, তাদের মনেও বাংলাদেশ সম্পর্কে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করেন, ঐতিহাসিকভাবে ভারত, অর্থনীতির ভাষায় ‘বেগার-দাই-নেইবার’ বা প্রতিবেশীকে দরিদ্র করার এক ভয়ানক নীতি অবলম্বন করেছে। আর ‘ধারণা’ বা ‘পারসেপশান’ বাস্তবতা থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষ সাধারণত তাদের ধারণা দ্বারা পরিচালিত হয়।

গত ৬০ বছরে ভারত নিজের স্বার্থে অনেকগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার ফলে গুরুতরভাবে বাংলাদেশের স্বার্থহানি ঘটেছে। যেমন- ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ বাংলাদেশের জন্য আজ বড় রকমের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারত একতরফাভাবে উজানে বাঁধ দিয়ে আমাদের এককালের প্রমত্তা নদীগুলোকে শুকনো মৌসুমে প্রায় শুকিয়ে ফেলেছে। আমাদের উত্তরবঙ্গে মরুকরণের আলামত সৃষ্টি হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় নোনা পানির আগ্রাসন শুরু হয়েছে। একতরফাভাবে কিছু করবে না বলে ভারতের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বাস দেয়া সত্ত্বেও টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের কাজ অগ্রসর হচ্ছে বলেই শোনা যায়। ভারতের আন্তঃনদী সংযোজন প্রকল্প, যার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত নই, বাংলাদেশের জন্য ভবিষ্যতে এক মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ভারত আমাদের পণ্য আমদানিতে অনেক অযাচিত বাধা সৃষ্টি করছে, যার ফলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য ঘাটতি বেসামাল পর্যায়ে পৌঁছেছে। এসব সিদ্ধান্ত ভারতের বেগার-দাই-নেইবার নীতিরই প্রতিফলন বলে অনেকের ধারণা। তবে আমরাও সম্পূর্ণভাবে নির্দোষ নই- আমরাও আমাদের নিজেদের সম্পদগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারিনি।

আজ দুই দেশের সম্মিলিত স্বার্থেই বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার অসম সম্পর্কের বিরাজমান ধারণা বদলাতে হবে। সৃষ্টি করতে হবে এমন ধারণা যে, ভারত তার অতীতের ‘একলা চল’ নীতি থেকে সরে এসেছে। ভবিষ্যতের পরাশক্তি এ বিশাল রাষ্ট্রটি বাংলাদেশ তথা সব প্রতিবেশীর স্বার্থ রক্ষায় বদ্ধপরিকর। তারা দ্বিপাক্ষিকের পরিবর্তে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সমস্যার বহুপাক্ষিক সমাধানে নিবেদিত। ভারত নিজের ক্ষুদ্র ও সাময়িক স্বার্থের পরিবর্তে সবার বৃহত্তর ও দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষায় এগিয়ে এসেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের যা কিছু দেয়ার তা আমরা ভারতকে দিচ্ছি বা দিতে প্রস্তুত। দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠী ভারতকে ট্রানজিট দিতে আগ্রহী। আমরা আপনাদের আমাদের বন্দর ব্যবহার করতে দিতেও প্রস্তুত। সর্বোপরি, বর্তমান সরকার ভারতের প্রতি বন্ধুত্বের হাত আশাতীতভাবে প্রসারিত করেছে, এতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি নতুন স্তরে নেয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের জন্য এখন সেই সুযোগের সদ্ব্যবহারের সময়। আমরা মনে করি, ভারত অতীতে অনেক ‘নিয়েছে’, আপনাদের এখন ‘দেয়ার’ পালা। তাই আমাদের সবগুলো বিরাজমান সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য আপনাদের এগিয়ে আসা আজ জরুরি।

আমরা আমাদের পানি সমস্যার সমাধান চাই। আমরা চাই সব অভিন্ন নদীর পানি তিনভাগে ভাগ করা হোক, যার একভাগ পাবে ভারত, আরেক ভাগ পাবে বাংলাদেশ, আর বাকি অংশ থাকবে নদীর জন্য। আমরা চাই ভারত ফারাক্কাসহ উজানের বাঁধগুলো ভেঙে দিক। আমরা চাই আপনাদের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্পের পরিহার। কারণ প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে খেলার প্রতিক্রিয়ায় প্রকৃতি যদি প্রতিশোধ নিতে উদ্যত হয়, তাহলে তার মাসুল বাংলাদেশকেও দিতে হবে। আমরা আরও চাই, পরিবেশগতভাবে টেকসই হলে, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে হিমালয় পাদদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্মিলিত উদ্যোগ।

ট্রানজিট ও বন্দর সুবিধা দেয়ার ফলে ভারত ব্যাপকভাবে লাভবান হবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আমরা চাই লাভের একটি অংশ, শুধু ট্রানজিট ফি নয়। এছাড়াও আমরা চাই বাংলাদেশের সড়ক, নৌ ও রেলের অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারতের অনুদানভিত্তিক বিনিয়োগ, ঋণ নয়। ভারতের বদান্যতার ফলে বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়ন অর্জিত হলে উভয় দেশই উপকৃত হবে। প্রসঙ্গত আমাদের ধারণা, ভারত ট্রানজিটের সুবিধা নিতে বহুলাংশে আমাদের জলপথ ব্যবহার করবে। তাই আমাদের নদীগুলো নাব্যতা হারালে ভারত ট্রানজিটের সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারবে না।

আমরা শুনেছি, আপনার সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে অনেকগুলো চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। অসম হলে দীর্ঘমেয়াদিভাবে এসব চুক্তি টিকে থাকবে না। বরং এর ফলে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন সৃষ্টি হবে। আর চুক্তিগুলোর ব্যাপারে স্বচ্ছতাও থাকতে হবে। এছাড়াও চুক্তিগুলো হতে হবে সব সমস্যার সার্বিক সমাধানের অংশ।

উগ্রবাদ আমাদের উভয় দেশেরই ‘কমন এনিমি’। আমাদের বর্তমান সরকার উগ্রবাদ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, যা প্রশংসনীয়। তবে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা ইত্যাদি উগ্রবাদ বিস্তারের জন্য একটি উর্বর ক্ষেত্র প্রস্তুত করে। ভারতের সহায়তায় আমাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হলে আমাদের পক্ষে উগ্রবাদের আগ্রাসন প্রতিরোধ করা সহজ হবে। আপনার অজানা নয়, উগ্রবাদের উত্তপ্ত নিঃশ্বাস ইতিমধ্যেই আমাদের ঘাড়ে পড়ছে।

একথা বলার অপেক্ষা রাখে না, আমরা উগ্রবাদ প্রতিহত করতে না পারলে ভারতও এর অশুভ প্রভাব থেকে রক্ষা পাবে না। অনেকে বলেন, আমরা ভারতের ‘সফ্‌ট আন্ডার ব্যালি’ বা পেটের সমতুল্য। তাই বাংলাদেশে বিরাজমান শান্তি, শৃংখলা ও স্থিতিশীলতা হতে পারে ভারতের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ সম্প্রীতির অন্যতম রক্ষাকবচ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আরও দুটি বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এর একটি হল বাংলাদেশীদের জন্য ভারতীয় ভিসাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে জটিলতা। আমাদের দুটি দেশের মধ্যকার সুসম্পর্ক বহুলাংশে নির্ভর করে জনগণের মধ্যে সম্প্র্রীতির সম্পর্কের ওপর। আর সত্যিকারের সম্প্রীতির সম্পর্ক নির্ভর করে ‘পিপল-টু-পিপল’ বা মানুষে-মানুষে সরাসরি যোগাযোগের ওপর। এ যোগাযোগ যত ঘনিষ্ঠ হবে, সব ভুল বোঝাবুঝির তত দ্রুত অবসান ঘটবে এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বন্ধুত্বের বন্ধনও তত সুদৃঢ় হবে।

এ ব্যাপারে আমার একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা রয়েছে। কয়েক বছর আগে আমি ইউনিয়ন পরিষদের একদল চেয়ারম্যান ও মেম্বার নিয়ে ভারতীয় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার কার্যকারিতা দেখার জন্য পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালা যাই। কেরালায় আমাদের সফরকারী প্রতিনিধি দলের প্রত্যেকের এক রাতের জন্য স্থানীয় এক পরিবারের সঙ্গে থাকার সুযোগ হয়। সে অভিজ্ঞতা আজও অনেকের মনে অম্লান। অনেকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়। আমার মনে আছে, আমাদের মধ্যকার একজনের ‘হোস্ট’ ১৯৭১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অফিসার হিসেবে বাংলাদেশে যুদ্ধ করেছেন। যুদ্ধের গল্প শুনতে শুনতে আমার সহযাত্রীর সঙ্গে সে পরিবারের এক সুদৃঢ় ও সুদূরপ্রসারী বন্ধুত্বের সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।

কিন্তু ভারতীয় ভিসা আজ যেন অনেকটা সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে। অনেক অসুস্থ ব্যক্তি ভিসাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অযথা বিলম্বের সন্মুখীন হচ্ছে। অনেক বিশিষ্ট নাগরিকও অতীতে ভারতীয় ভিসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে আমরা শুনেছি। এছাড়াও ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে কড়াকড়ির মাধ্যমে যাদের ভারতে যাওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা হয়, তারা ভিসা ছাড়াই অবাধে সীমান্তের এপাশ-ওপাশ যাতায়াত করতে পারে। তাই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভিসাহীন যাতায়াতের ব্যবস্থা করা আপনার সফরের অন্যতম সফলতা হিসেবে আমরা দেখতে চাই।

আরেকটি বিষয় হল সীমান্তে প্রাণহানি- এ পর্যন্ত ৯ শতাধিক বাংলাদেশী ভারতীয় সীমান্তরক্ষাকারী বাহিনীর হাতে প্রাণ হারিয়েছে বলে আমরা শুনেছি। এটি একটি অতি স্পর্শকাতর বিষয় এবং এটি বাংলাদেশীদের ও তাদের জীবনের প্রতি ভারতীয় সীমান্তরক্ষাকারী বাহিনীর অবজ্ঞারই প্রতিফলন। আর অবজ্ঞা ও অসমতা সুসম্পর্ক সৃষ্টির ক্ষেত্রে বিরাট প্রতিবন্ধকতা।

তবে আমরা আনন্দিত, সম্প্র্রতি ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ ধরনের হত্যা বন্ধের অঙ্গীকার করেছেন। আশা করি এ প্রতিশ্রুতি কঠোরভাবে পালন করা হবে। এছাড়াও সীমান্তে ভারত কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে। আমরা মনে করি, এ বেড়া আমাদের দুটি দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে একটি আকাশচুম্বী বাধা। এছাড়াও এ ধরনের বেড়া উভয় দেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে ‘রেন্ট সিকিং’ বা উৎকোচ গ্রহণের প্রবণতা বাড়িয়ে দেবে।

পরিশেষে, আমরা মনে করি, বাংলাদেশের প্রায় সব নাগরিকই ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে আগ্রহী। কারণ তারা বিশ্বাস করে, এমন সম্পর্ক উভয় দেশের জনগণের জন্য অভাবনীয় কল্যাণ বয়ে আনবে। এছাড়াও আমরা ভুলিনি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারতের বিরাট অবদান ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর চরম আত্মত্যাগের কথা। তাই বাংলাদেশের সব নাগরিকই ভারতের সম্ভাব্য বন্ধু, শত্রু নয়। আর ভারত বন্ধুর মতো আচরণ করলে, একটি ‘উইন উইন’ সম্পর্ক গড়ে তুললে এবং এর সুফল আমাদের জনগণের ঘরে উঠলে, তাদের ভারতের প্রতি বৈরীভাব প্রদর্শনের কোন সময়, সুযোগ এবং ইনসেনটিভই থাকবে না। অর্থনীতিবিদ হিসেবে আপনি ইনসেনটিভের গুরুত্ব নিজেই অনুধাবন করেন।
ড. বদিউল আলম মজুমদার : সম্পাদক, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)

সূত্র: যুগান্তর, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১১

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s