নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-২০১১

সুজন পরিচালিত কার্যক্রমসমূহের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত একটি নির্দলীয় নাগরিক সংগঠন। ২০০২ সালের ১২ নভেম্বর এদেশের একদল সচেতন নাগরিকের উদ্যোগে সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কার, নাগরিকদের অধিকার সচেতন, সংগঠিত ও সোচ্চার করা এবং বিভিন্ন ইস্যুতে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্যে সংগঠনটি  কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থী নির্বাচনে বিভিন্নমূখী কর্মকান্ডসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পরিচালনা করে আসছে। উল্লেখ্য যে, ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি অনুষ্ঠিত সকল জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে সুজন ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করে। গত ৩০ অক্টোবর-২০১১ অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখেও সুজন ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করে। কার্যক্রমসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল নাগরিক সংলাপ; মনোনয়নপত্রের সাথে প্রার্থীগণ প্রদত্ত তথ্য একত্রিকরণ ও তুলনামূলক চিত্র তৈরী করে ভোটারদের মাঝে বিতরণ; প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণকে এক মঞ্চে এনে জনগণের মুখোমুখি করা; অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু  নির্বাচনের দাবিতে এবং প্রার্থীদের তথ্য বিশ্লেষণ ও তা প্রকাশের জন্য সংবাদ সম্মেলন, সমগ্র সিটি কর্পোরেশন এলাকায় পোস্টারিং ও লিফলেটিং; সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থী নির্বাচনের আহ্বানে মানববন্ধন ইত্যাদি। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ‘সুজন’ কর্তৃক পরিচালিত কার্যক্রমসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে প্রদত্ত হলো:

১. নাগরিক সংলাপ: গত ১৭ সেপ্টেম্বর-২০১১, বিকাল টায়, নারায়ণগঞ্জ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে, নারায়ণগঞ্জের সুধীজনদের নিয়ে এক নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা সুজনের সভাপতি অধ্যক্ষ আবুল বাশারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপটিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। সংলাপটিতে নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট নাগরিকগণ নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন বিশেষত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে তাঁদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

২. সংবাদ সম্মেলন: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সুজন নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির উদ্যোগে দু’টি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলন দু’টির সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে প্রদত্ত হলো।

২.১ অবাধ, নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি: গত অক্টোবর-২০১১,  সকাল ১১টায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সুজন নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির উদ্যোগে অবাধ, নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ মহানগর সুজন এর যুগ্ম-আহবায়ক এডভোকেট শামীম হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনটিতে কেন্দ্রীয় সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার নির্বাহী সদস্য, বিশিষ্ট লেখক, গবেষক কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির সদস্য সচিব জনাব শরীফ উদ্দিন সবুজ এবং মতামত তুলে ধরেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর সুজন এর উপদেষ্টা জনাব আব্দুর রহমান, জেলা ‘সুজন’ সম্পাদক ডাঃ আব্দুল জাব্বার চিশ্‌তি কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। এছাড়াও এই নির্বাচনকে সামনে রেখে সুজন কর্তৃক যেসকল কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার কথা সে সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরা হয়।

২.২ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীগণের তথ্য উপস্থাপন: গত ১৩ অক্টোবর-২০১১, বিকাল ৩টায়, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীগণের তথ্য উপস্থাপনের জন্য সুজন নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ মহানগর সুজন এর আহবায়ক এডভোকেট আহসানুল করিম চৌধুরী বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের তথ্য তুলে ধরেন সুজন কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সুজন জাতীয় কমিটির সদস্য বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব মুনীর হায়দার, নারায়ণগঞ্জ মহানগর সুজন এর উপদেষ্টা জনাব আব্দুর রহমান, যুগ্ম-আহ্বায়ক এডভোকেট শামীম হোসেন, জেলা সুজন এর সম্পাদক ডাঃ আব্দুল জাব্বার চিশ্‌তি কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।

৩. জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠান: সুজন এর উদ্যোগে ১০টি ওয়ার্ডের সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এবং এবং একটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থীগণকে নিয়ে জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ১৮ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর ২০১১ উক্ত অনুষ্ঠানসমূহ অনুষ্ঠিত হয়। ১৮ অক্টোবর ১৭ নং ওয়ার্ড, ১৯ অক্টোবর ১৬ নং ওয়ার্ড, ২০ অক্টোবর ১৮ নং ওয়ার্ড, ২১ অক্টোবর ১৪ নং ওয়ার্ড, ২২ অক্টোবর ১২ নং ওয়ার্ড, ২৩ অক্টোবর ১৫ নং ওয়ার্ড, ২৪ অক্টোবর ২২ নং ২৩ নং ওয়ার্ড, ২৬ অক্টোবর নং নং ওয়ার্ড এবং ২৭ অক্টোবর সংরক্ষিত নং (সাধারণ ১৩, ১৪ ১৫) ওয়ার্ডে জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ১১টি অনুষ্ঠানে সর্বমোট ৭৫ জন সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ১২ জন নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নিয়ে অনুষ্ঠান হলেও ১৪, ৭ নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানসমূহে উপস্থিত সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীগণকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ১৫ নং ওয়ার্ডের অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসাবে সুজন’ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জনাব এম হাফিজ উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানের আর একটি বিশেষ দিক ছিল প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. টি এম শামসুল হুদা রিটার্নিং অফিসার বিশ্বাস লুৎফর রহমান, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতি। তাঁরা সকলেই দর্শক সারিতে বসে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। অনুষ্ঠানসমূহে প্রার্থীগণ যেমন তাঁদের বক্তব্যে প্রত্যাশা, পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন, অপরদিকে ভোটাররাও বিভিন্ন প্রশ্ন করে উত্তর জেনে নেয়ার সুযোগ পান। প্রার্থীগণের বক্তব্যের পূর্বে তুলনামূলক চিত্রে প্রকাশিত তাঁদের তথ্যসমূহ উপস্থাপন করা হয় এবং ভোটারদের মধ্যে তা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জনস্বার্থেরকে  বিবেচনায় রেখে সুজন কর্তৃক প্রণীত অঙ্গীকারনামা পাঠ করে শোনানো হয় এবং একমত পোষণ সাপেক্ষে অঙ্গীকারনামায় প্রার্থীদের স্বাক্ষর নেয়া হয়। অঙ্গীকারসমূহের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণের পরস্পরের হাত ধরে শপথ বাক্য উচ্চারণ ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ। শুধুম
ত্র প্রার্থীরাই নন অনুষ্ঠানের আর একটি আকর্ষণ ছিল ভোটারদের শপথ। অনুষ্ঠানে ভোটাররা এই মর্মে শপথ করেন যে, ভোট প্রদানকে পবিত্র দায়িত্ব মনে করে সৎ, যোগ্য জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীর সপক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবো। অর্থ বা অন্য কিছুর বিনিময়ে অথবা অন্ধ আবেগের বশবর্তী হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবো না। দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মিথ্যাচারী, যুদ্ধাপরাধী, নারী নির্যাতনকারী, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারী, সাজাপ্রাপ্ত আসামী, ঋণ খেলাপী, বিল খেলাপী, ধর্মব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, কালোটাকার মালিক অর্থাৎ কোন অসৎ, অযোগ্য গণবিরোধী ব্যক্তিকে ভোট দেবো না, দেবো না, দেব না।

৪. সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং স, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থী নির্বাচনের আহ্বানে মানববন্ধন: গত ২৫ অক্টোবর-২০১১, মঙ্গলবার, সকাল ১০:৩০ টা থেকে ১১:৩০ পর্যন্ত, চাষাঢ়া শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকায়  সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থী নির্বাচনে আহ্বানে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সুজন এর কর্মীবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন সমমনা সংগঠন ও সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন থেকে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে স্ব স্ব অবস্থানে থেকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহবান জানানো হয়। পাশাপাশি অর্থ বা অন্য কিছুর বিনিময়ে অথবা অন্ধ আবেগের বশবর্তী হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ না করার এবং দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মিথ্যাচারী, যুদ্ধাপরাধী, নারী নির্যাতনকারী, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারী, সাজাপ্রাপ্ত আসামী, ঋণ খেলাপী, বিল খেলাপী, ধর্মব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, কালোটাকার মালিক অর্থাৎ কোন অসৎ, অযোগ্য গণবিরোধী ব্যক্তিদের বর্জন করে সৎ, যোগ্য জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীদের নির্বাচিত করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

৫. ভোটারদের মাঝে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তথ্য বিতরণসহ যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের আহ্বান সম্বলিত পোস্টারিং লিফলেটিং: ‘সুজন’ এর উদ্যোগে ভোটারদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রণীত তুলনামূলক চিত্র বিতরণসহ সমগ্র সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সৎ যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের আহ্বান সম্বলিত পোস্টারিং লিফলেটিং করা হয়। মেয়র পদসহ মোট ১১টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীগণের তথ্যের ভিত্তিতে এই তুলনামূলক চিত্র প্রণীত হয়। ওয়ার্ডসমূহ হচ্ছে ৭, ৮, ১২, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ২২, ২৩ সংরক্ষিত (১৩, ১৪, ১৫)। তুলনামূলক চিত্রে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, বর্তমান অতীতের ফৌজদারী মামলার তথ্য, আয়ের উৎস, সম্পদের বিবরণ, দায়-দেনার তথ্য আয়কর সংক্রান্ত তথ্য ইত্যাদি সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও তথ্যসীটের একপাশে পোস্টারের রেপ্লিকা অপর পাশে ভোটারদের প্রতি ভালো মানুষকে নির্বাচিত করার আহ্বান রয়েছে। পোস্টারে গণবিরোধীদের বর্জন এবং সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীদের নির্বাচিত করার আহ্বান রয়েছে। এছাড়াও লিফলেটে বিবেককে প্রশ্ন করে প্রার্থীদের সম্পর্কে জেনে-শুনে-বুঝে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানানো হয়ে।

সকল কাজেই-

আমার ভোট আমি দেব

জেনে-শুনে-বুঝে দেব

-যোগ্য প্রার্থীকে দেব

এই চেতনায় ভোটারদের বলীয়ান করার একটা উদ্যোগ ছিল।

Advertisements