নতুন নির্বাচন কমিশনের সামনে চ্যালেঞ্জ

বদিউল আলম মজুমদার | তারিখ: ০৪-০৩-২০১২

বহু জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাবেক সচিব কাজী রকিবউদ্দিন আহমদকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবু হাফিজ, সাবেক যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জাবেদ আলী ও সাবেক দায়রা জজ মোহাম্মদ শাহনেওয়াজকে নিয়োগ প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই নিয়োগ দেওয়া হয়, যদিও কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বেশ বিতর্ক রয়েছে। প্রশ্ন রয়েছে নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে।

নবগঠিত কমিশন দুই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি: প্রাতিষ্ঠান সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ ও কার্যক্রম সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ। কমিশনের সামনে সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ হলো এর সংখ্যা। অতীতে কোনো কমিশনেই তিনজনের বেশি সদস্য ছিলেন না এবং এই তিনজনও অনেক সময় একত্রে কাজ করতে পারেননি। নবনিযুক্ত কমিশনারদের সবাই অভিজ্ঞ এবং তাঁদের প্রত্যেকেরই অনেক বিষয়ে সুস্পষ্ট মতামত থাকা স্বাভাবিক। দুই-তিনজনের মতামতের মধ্যে সমন্বয় করা যত সহজ, পাঁচজনের ক্ষেত্রে তা অনেক বেশি দুরূহ। তাই পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট বর্তমান কমিশনের ক্ষেত্রে একটি বড় ঝুঁকি হলো তাঁদের মধ্যে সম্ভাব্য মতানৈক্য। তবে যেহেতু কমিশনকে বিরোধী দলের চাপের মুখে কাজ করতে এবং কাজের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আস্থা অর্জন করতে হবে, ফলে এ সমস্যা তেমন প্রকট হবে না বলেই আমাদের বিশ্বাস।

নবনিযুক্ত কমিশনারদের জন্য আরেকটি চ্যালেঞ্জ হলো তাঁদের পটভূমি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সচিব এবং অন্য একজন অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করলেও, কমিশনের অন্য সদস্যরা কর্মজীবনে সর্বোচ্চ যুগ্ম সচিব পদমর্যাদায় ছিলেন। অর্থাৎ পাঁচজনের মধ্যে তিনজনই সর্বোচ্চ যুগ্ম সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন হওয়ার কারণে সরকার কমিশনের ‘গুরুত্ব’ খর্ব করেছে বলে অনেকের ধারণা। প্রসংগত, পুনর্গঠিত কমিশনে একজনও নারী এবং সমাজের অন্য ক্ষেত্রের প্রতিনিধিত্ব না থাকার কারণেও অনেকে অসন্তুষ্ট।

নির্বাচন কমিশনের জন্য অন্য একটি চ্যালেঞ্জ হলো তাঁদের অপরিচিতি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়া অন্য চারজন কমিশনার সম্পর্কে বলতে গেলে দেশের অধিকাংশ মানুষ তেমন কিছুই জানে না। সৎ ও যোগ্য সচিব হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সুনাম রয়েছে। অন্য দুজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা সম্পর্কে শোনা যায় যে কর্মজীবনে তাঁরা সততার পরিচয় দিয়েছেন। তবে তাঁরা চাকরিজীবনে বঞ্চিত ছিলেন বলে কিছু কানাঘুষা রয়েছে এবং আশা করি, এ বঞ্চনার অভিজ্ঞতা তাঁদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব ফেলবে না। অতীতের মতো নির্বাচন কমিশনার হিসেবেও তাঁরা সততা এবং নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করতে সক্ষম হবেন।

পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশনের সামনে আরও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো কমিশনের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা। অনেকেরই স্মরণ আছে যে অতীতে কমিশনের সচিবালয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে আইন করে স্বাধীনতা দেওয়া যায়, কিন্তু সে স্বাধীনতা প্রয়োগ করতে হয়। বিগত কমিশন বহু প্রতিকূলতার মুখেও স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হয়েছে। আশা করি, নতুন কমিশন সেই ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখতে পারবে।

অনেকেরই স্মরণ আছে, চারদলীয় জোট সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশন একটি চরম বিতর্কিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। অনেকের মতে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে কমিশনই সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিগত কমিশন তাদের অনমনীয়তা, নিরপেক্ষতা ও সফলতার মাধ্যমে জনগণের ব্যাপক আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। কমিশনকে একটি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে পেরেছে। এই অবস্থান ধরে রাখাও নতুন কমিশনের সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
ব্যক্তিগতভাবে নিরপেক্ষতা ও দৃঢ়তা প্রদর্শন এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা দূর করলেই হবে না, পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশনকে সফল হতে হলে, তাদের দায়িত্ব পালনেও সাফল্য দেখাতে হবে। আর এ জন্য প্রয়োজন হবে যথাযথ পদ্ধতি। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান, যার জন্য একটি যুগোপযোগী সিস্টেম বা আইনি কাঠামো এবং আইনের প্রতি সংশ্লিষ্ট সবার শ্রদ্ধাশীলতা আবশ্যক।

জাতীয় নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলো হলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (আরপিও); ভোটার তালিকা আইন, ২০১০; নির্বাচনী এলাকা সীমানা নির্ধারণ আইন, ২০১০; রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১; জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪; নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ ইত্যাদি। এ ছাড়া রয়েছে আচরণবিধিসহ আরও অনেক বিধিমালা। উপরস্তু, স্থানীয় সরকারের সব আইনেই নির্বাচনী বিধান রয়েছে। গত নির্বাচন কমিশন এসব আইনের নির্বাচনসংক্রান্ত বিধিবিধানের অনেক সংস্কার করেছে। তাদের নেতৃত্বে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে আরপিও এবং ভোটার তালিকা আইনে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে তারা বিদ্যমান আইনে আরও কতগুলো সংশোধনীর প্রস্তাব করেছে। নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে আমাদেরও কিছু সুপারিশ রয়েছে।

আরপিও সংশোধনের লক্ষ্যে বিগত নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলো হলো: (১) কোনো আদালত ও ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক পলাতক ঘোষিত এবং মনোনয়নপত্র বা হলফনামায় সজ্ঞানে মিথ্যা তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপনকারীদের সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা; (২) বিদ্যমান পদ্ধতির পাশাপাশি (সম্ভব হলে) ইভিএম পদ্ধতির ব্যবহার; (৩) নির্বাচনী ব্যয়সীমা ১৫ লাখের পরিবর্তে ২৫ লাখ টাকা বৃদ্ধি; (৪) হলফনামায় মিথ্যা তথ্য প্রদানের দায়ে নির্বাচন-পরবর্তীকালে সংসদ সদস্যপদ বাতিল; (৫) নির্বাচনকালে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পূর্বালোচনা ব্যতীত নির্বাচনসংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি ইত্যাদি।

নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে আমাদের সুপারিশগুলো হলো: (১) ‘না-ভোটের’ পুনঃপ্রবর্তন; (২) সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন রাজনৈতিক দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের দ্বারা নির্ধারণ বা অন্তত তাদের তৈরি প্যানেলের ভিত্তিতে চূড়ান্তকরণের বাধ্যবাধকতার পুনঃপ্রবর্তন; (৩) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রার্থীদের হলফনামায় প্রদত্ত তথ্য এবং নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব যাচাই-বাছাই করার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি; (৪) রাজনৈতিক দল প্রদত্ত নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব কমিশন কর্তৃক যাচাই-বাছাইপূর্বক মিথ্যা তথ্য প্রদানকারী দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ; (৫) নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারীদের হলফনামাসহ একটি আবেদন দাখিল ও কমিশন কর্তৃক প্রকাশ; (৬) মনোনয়নপত্র অনলাইনে দাখিল; (৭) বিরুদ্ধ হলফনামা দাখিল; (৮) সংরক্ষিত মহিলা আসনের ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা ও আয়কর বিবরণী দাখিল; (৯) সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে প্রদান; (১০) দলের প্রাথমিক সদস্যদের নাম ওয়েবসাইটে প্রকাশ ও নিয়মিত আপডেট করার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি; (১১) নির্বাচন কমিশনের আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি সম্পর্কিত বিধান সংশ্লিষ্ট আইনে অন্তর্ভুক্তিকরণ। এ ছাড়া সদাচরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলের সংস্কার, নির্বাচনে টাকার খেলা বন্ধ এবং রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের অনুপ্রবেশ রোধের লক্ষ্যেও আইনের সংস্কার আবশ্যক।

সংস্কার ধারণাগুলো একত্রিত এবং চূড়ান্ত করে এগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসা নির্বাচন কমিশনের জন্য অদূরভবিষ্যতে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারব্যবস্থা নিয়ে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা না হলে বিরোধী দল কমিশনের আহ্বানে সাড়া দেবে বলে মনে হয় না। তাই কমিশন আমাদের বিরাজমান অসহযোগিতা ও কলহপ্রবণ রাজনীতির কাছে অনেকটা জিম্মি হয়ে পড়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সামনে আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জের উৎস হলো নির্বাচনী আইন মানার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের বিরাজমান অনীহা। যেমন, নিবন্ধিত দলের অঙ্গ/সহযোগী সংগঠন এবং বিদেশি শাখা থাকা আইনের লঙ্ঘন। রাজনৈতিক দলের, বিশেষত ক্ষমতাসীনদের অঙ্গ/সহযোগী সংগঠনের তাণ্ডবে আমাদের শিক্ষাঙ্গনে আজ চরম অরাজকতা বিরাজ করলেও এবং প্রধান দুটি দলের বৈদেশিক শাখার বিশৃঙ্খল আচরণের কারণে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হলেও, দলগুলো আইনের বিধান উপেক্ষা করেই চলছে। তাই সফল হতে হলে কমিশনকে কঠোর এবং দলগুলোকে আইন মানতে বাধ্য করতে হবে।

আমাদের সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ প্রদানের বিধিবিধান সুনির্দিষ্ট করার লক্ষ্যে একটি আইন করার নির্দেশনা রয়েছে, গত ৪০ বছরেও যা বাস্তবায়িত হয়নি। বিগত নির্বাচন কমিশন এ লক্ষ্যে একটি আইনের খসড়া তৈরি করে রেখে গিয়েছে। নতুন কমিশনের সামনে আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো আইনটি পাস করার ব্যাপারে সরকারকে রাজি করানো, যার ফলে ভবিষ্যতে কমিশনে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক বিতর্ক এড়ানো যাবে।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন আমাদের সামনে, বিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের দুটি নির্বাচন যার অন্যতম। জেলা পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করাও জরুরি। যথাসময়ে এসব নির্বাচন নিরপেক্ষতা, দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করাও কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রসঙ্গত, আমাদের বেশ কয়েকটি নির্বাচনী আইন ইংরেজিতে। বিশেষত মূল নির্বাচনী আইন আরপিও ইংরেজি ভাষায় রচিত। এগুলোর বাংলা করা জরুরি।

পরিশেষে, বিগত নির্বাচন কমিশন অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ও দুরূহ কাজ করে গিয়েছে, যার অন্যতম হলো ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন। রাজনৈতিক দলের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সংস্কার, প্রার্থীদের তথ্য প্রদানের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ, কমিশনের স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা ইত্যাদিও—যা একটি মোটামুটি গ্রহণযোগ্য আইনি কাঠামো সৃষ্টি করেছে—কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ অবদান। এ ছাড়া বিগত কমিশন একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে এবং এটি বাস্তবায়নের জন্য অর্থের সংস্থানও করে গিয়েছে। উপরন্তু নির্বাচনী আইনের অধিকতর সংস্কারের লক্ষ্যে তারা ‘হোম ওয়ার্ক’ করে কিছু নতুন সংস্কার প্রস্তাবও রেখে গিয়েছে। নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকেও আমাদের কিছু প্রস্তাব রয়েছে। এসব প্রস্তুতি নতুন সুযোগের সৃষ্টি করেছে এবং পুনর্গঠিত কমিশনের কাজকে সহজ করে দিয়েছে বলে আমাদের বিশ্বাস। এসব অগ্রগতির ওপর দাঁড়িয়ে নতুন কমিশনকে এখন সততা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে সামনের দিকে এগোতে হবে।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক।

সূত্র: প্রথম আলো, ৪ মার্চ ২০১২

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s