নিরবচ্ছিন্ন গণতন্ত্রের জন্যই দরকার শক্তিশালী স্থানীয় সরকার

prothom-alo-logo_v4

বদিউল আলম মজুমদার | তারিখ: ০৩-০৪-২০১৩

সম্প্রতি একটি স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের জন্য গণতন্ত্র অপরিহার্য (প্রথম আলো, ২১ মার্চ ২০১৩)। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা রেখেই বলতে হয়, বিষয়টি আসলে সম্পূর্ণ উল্টো, নিরবচ্ছিন্ন গণতন্ত্রের জন্যই শক্তিশালী স্থানীয় সরকার অপরিহার্য। বস্তুত বর্তমান নির্বাচনসর্বস্ব, ভঙ্গুর, অস্থিতিশীল ও অকার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য আমাদের ক্রমাগত দুর্বল ও নামসর্বস্ব স্থানীয় সরকারব্যবস্থা বহুলাংশে দায়ী। আর স্থানীয় সরকারের বর্তমান দুরবস্থার জন্য মূলত দায়ী আমাদের দুই প্রধান দলের নেতা-নেত্রীদের প্রজ্ঞাহীনতা, স্বার্থপরতা ও আইন-আদালতের প্রতি অশ্রদ্ধা।

আমাদের সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র’। আর গণতন্ত্রকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে: ‘আইনানুযায়ী নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।’ অর্থাত্ ইউনিয়নে নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলায় নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ এবং জেলায় নির্বাচিত জেলা পরিষদ শাসনকার্য পরিচালনা করবে। বস্তুত, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতে, স্থানীয় সরকারের উদ্দেশ্যই হলো স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় বিষয়াদির ব্যবস্থাপনা [কুদরত-ই-ইলাহী পনির বনাম বাংলাদেশ, ৪৪ডিএলআর(এসি)(১৯৯২)]। একইভাবে জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত সংসদ এবং সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সংখ্যাগরিষ্ঠ দল রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্যে নির্বাহী দায়িত্ব পালন করবে। তাই সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য শুধু মন্ত্রী-সাংসদদের নির্বাচনই যথেষ্ট নয়; এর জন্য আরও প্রয়োজন সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সর্বস্তরে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শাসন প্রতিষ্ঠা।
প্রসঙ্গত, সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ‘“প্রশাসনিক একাংশ” অর্থ জেলা কিংবা এই সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য-সাধনকল্পে আইনের দ্বারা অভিহিত অন্য কোন এলাকা।’ আর প্রত্যেক প্রশাসনিক একাংশে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান থাকা সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক হলেও সংবিধান প্রণয়নের ৪০ বছরের মধ্যে একবারও জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। বরং ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর, বিজয় দিবসের প্রাক্কালে, জেলা পরিষদে অনির্বাচিত দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগ দানের মাধ্যমে বর্তমান সরকার আমাদের গণতন্ত্রের কফিনে একটি বড় পেরেক ঠুকে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই নিয়োগ দানের সময় অঙ্গীকার করা হয়েছিল যে কয়েক মাসের মধ্যে নির্বাচন দিয়ে জেলা পরিষদ গঠন করা হবে। কারণ, নির্বাচন না হলে পরিষদ গঠিত হয় না। সে অঙ্গীকার আজও রক্ষা করা হয়নি।

দীর্ঘ ১৮ বছর পর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অনমনীয়তার কারণে ২০০৯ সালের প্রথম দিকে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আর সেই বহু প্রতীক্ষিত উপজেলা পরিষদকেও কোটারি স্বার্থে সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর করে রাখা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন দীর্ঘ প্রায় আট বছর পর ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়। মেয়াদোত্তীর্ণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বাদ দেওয়ার জন্য ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুই ভাগে ভাগ করা হলেও প্রায় ১১ বছর পরও এগুলোতে নির্বাচন দেওয়া হয়নি। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন নিয়ে এ ধরনের টালবাহানা দেশে পরিপূর্ণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েমের ব্যাপারে আমাদের রাজনীতিবিদদের অনীহা ও দায়িত্বহীনতারই শুধু প্রতিফলন নয়, এর মাধ্যমে তাঁরা আমাদের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনাও অমান্য করে আসছেন। অনেকেরই মনে থাকার কথা যে উপজেলা পরিষদ বাতিলের মামলার রায়ে সুদূর ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ছয় মাসের মধ্যেই সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশনা দেন (কুদরত-ই-ইলাহী পনির বনাম বাংলাদেশ), যা আজও অনেকাংশে অপূর্ণ রয়ে গেছে।

সর্বস্তরে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের অনুপস্থিতি আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করেছে। কারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ জাতীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতির খুঁটিস্বরূপ আর খুঁটিহীন গণতন্ত্র শূন্যে ঝুলন্ত, ফানুসতুল্য এক ব্যবস্থায় পরিণত হয়, যা অস্থিতিশীল ও অকার্যকর হতে বাধ্য। বস্তুত দেশে এখন একধরনের আংশিক, অবিন্যস্ত ও ভারসাম্যহীন ‘ধোঁকাবাজির’ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।

একটি ধোঁকাবাজি হলো সর্বস্তরে জনপ্রতিনিধিদের শাসন কায়েম না করেও শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবি করা। আর সবচেয়ে বড় ধোঁকাবাজি হলো যেগুলোতে নির্বাচন হয়েছে, সেসব নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকেও ক্ষমতাহীন ঠুঁটো জগন্নাথ করে রাখা। পাকিস্তানের কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থায় আমাদের চরমভাবে বঞ্চিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সৃষ্টি এবং শক্তিশালী স্থানীয় সরকার গঠনের লক্ষ্যে আমাদের সংবিধানে বলিষ্ঠ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা সত্ত্বেও গত ৪২ বছরে আমাদের দেশে ক্ষমতা দিন দিন কেন্দ্রীভূত হয়ে গেছে। ফলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও সম্পদ থেকে ক্রমাগত বঞ্চিত হয়েছে। আর এই কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থায় গরিব মানুষ চরমভাবে বঞ্চিত ও শহর-গ্রামে ব্যাপক বৈষম্য তৈরি হয়েছে; বস্তুত বাংলাদেশে আজ এক অসম সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।

কেন্দ্রীভূত শাসনের অংশ হিসেবেই আমলাতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ আমাদের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের ওপর জেঁকে বসেছে এবং এগুলো মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত হস্ত হিসেবে কাজ করে আসছে। এই নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবেই, উদাহরণস্বরূপ, প্রধান নির্বাহী হিসেবে নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান থাকতে গত বছর, আইন সংশোধনের মাধ্যমে, উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের উপজেলা পরিষদের ‘সচিব’ থেকে ‘মুখ্য নির্বাহী’ করা হয়েছে। এ ছাড়া ‘সার্কুলারতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ওপরও আমলাদের খবরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের মতে, ‘যদি সরকারি কর্মকর্তা বা তাদের তল্পিবহদের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য নিযুক্ত করা হয়’, তথা সত্যিকারের স্বায়ত্তশাসিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত না হয়, ‘তাহলে এগুলোকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাখা যুক্তিযুক্ত হবে না’ (কুদরত-ই-ইলাহী পনির বনাম বাংলাদেশ)।

একের পর এক সরকার স্থানীয় সরকারের ওপর কর্মকর্তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, বিএনপি সরকার ১৯৯১ সালে উপজেলাব্যবস্থাই বাতিল করে দেয়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো আইনের মাধ্যমে সাংসদদের উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা করে উপদেষ্টার পরামর্শ মানা বাধ্যতামূলক করে। এর ফলে শুধু সাংসদদেরই নয়, এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর ক্ষমতাসীন দলেরও অবাঞ্ছিত আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আইনের এ বিধান আমাদের সংবিধানের ওপর এক নগ্ন হামলা। কারণ, আইন পরিষদের সদস্য হয়ে সাংসদেরা স্থানীয় সরকার তথা নির্বাহী বিভাগের কাজে জড়িত হতে পারেন না। এর মাধ্যমে ক্ষমতার বিভাজননীতি (Principles of separation of powers), যা আমাদের সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর (Basic structure) অংশ, চরমভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে।

শুধু তা-ই নয়, উপজেলা পরিষদের ওপর সাংসদদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা তথা স্থানীয় উন্নয়নে তাঁদের জড়িত করার মাধ্যমে উচ্চ আদালতের নির্দেশও নগ্নভাবে অমান্য করা হয়েছে। অনেকেরই জানা আছে, গত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ‘জেলা মন্ত্রী’ পদ সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে তত্কালীন সাংসদ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আদালতের শরণাপন্ন হন। তিনি আরজি করেন যে জেলা মন্ত্রী পদ সৃষ্টির কারণে তিনি সাংসদ হিসেবে তাঁর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারছেন না। বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ও বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ ২০০৬ সালে সুস্পষ্টভাবে রায় দেন যে সাংসদদের স্থানীয় উন্নয়নে জড়িত হওয়া সম্পূর্ণভাবে সংবিধানের পরিপন্থী [আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বনাম বাংলাদেশ, ১৬ বিএলটি (এইচসিডি)(২০০৮)]। তা সত্ত্বেও বর্তমান সরকার আইন করে ২০০৯ সালে সাংসদের কর্তৃত্ব উপজেলা পরিষদের ওপর আরোপ করে। আর স্থানীয় উন্নয়নে জড়িত হওয়ার মাধ্যমে আমাদের সাংসদদের অনেকেই এখন ‘নব্য জমিদারে’ পরিণত হয়েছেন এবং হেন অপকর্ম নেই, যাতে তাঁরা জড়িত হয়ে পড়েননি, যার মাশুল আগামী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলকে গুনতে হবে বলে আমাদের আশঙ্কা।

প্রসঙ্গত, বর্তমান সরকার ‘দিনবদলের’ অঙ্গীকার নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের ২৩টি অগ্রাধিকারের মধ্যে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী ও কার্যকর করা হলো ষষ্ঠ অগ্রাধিকার। আর দারিদ্র্য ঘোচানো ও বৈষম্য রোখা এবং কৃষি ও পল্লিজীবনে গতিশীলতা অর্জন পাঁচটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। শেষোক্ত অগ্রাধিকারদ্বয় অর্জনের জন্য প্রয়োজন ছিল বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে কার্যকরকরণ।
প্রধানমন্ত্রীর নিজের ভাষায় বলতে গেলে: ‘দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য যে ধরনের উন্নয়ন-চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা দরকার, তার সামর্থ্য বা সদিচ্ছা কোনটাই … আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার নেই, একমাত্র বিকেন্দ্রীভূত রাষ্ট্রব্যবস্থাই দারিদ্র্য দূরীকরণের কর্মসূচি দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন ও তাতে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারে এবং এটা করার জন্য দক্ষ প্রতিনিধিত্বশীল একটি স্থানীয় সরকার কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।’ গড়ে তুলতে হবে ‘স্থানীয় পর্যায়ে স্বশাসিত সরকার’ [শেখ হাসিনা, দারিদ্র্য দূরীকরণ: কিছু চিন্তা-ভাবনা, ১৯৯৫।]

পরিশেষে, এটি সুস্পষ্ট যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করার পক্ষে সাংবিধানিক অঙ্গীকার, নির্বাচনী ওয়াদা ও অভিজ্ঞতালব্ধ উপলব্ধি থাকা সত্ত্বেও, বর্তমান সরকারের আমলে অতীতের মতো এগুলোকে অকার্যকর করেই রাখা হয়েছে। এর ফলে তৃণমূলের জনগণকে সেবা প্রদান, দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জিত হয়নি। আর প্রধানমন্ত্রী এ জন্য নিরবচ্ছিন্ন গণতন্ত্রের অভাবকেই দুষে ‘উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে’ চাপানোর চেষ্টা করছেন। বস্তুত সর্বস্তরে নির্বাচিত ও কার্যকর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও নিরবচ্ছিন্নতা অর্জন করেনি এবং ফলপ্রসূও হয়নি। কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নও অর্জিত হয়নি। আর এ জন্য দায়ী কোটারি স্বার্থ ও আমাদের নেতা-নেত্রীদের দূরদর্শিতার অভাব।
 ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক।

সূত্র: প্রথম আলো, ৩ এপ্রিল ২০১৩

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s