টেকসই সমাধান কোন পথে?

prothom-alo-logo_v4

বদিউল আলম মজুমদার | আপডেট: ০০:৩৫, জানুয়ারি ১৪, ২০১৫

গত ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন ও বিতর্কিত নির্বাচনের কারণে বাংলাদেশে এক অস্বাভাবিক, অস্বস্তিকর ও সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তবে বিগত কয়েক দিনের রাজনৈতিক সংঘাতের কারণে তা আর সম্ভাব্য নয়, বরং বাস্তবে রূপ নিয়েছে। এ সংকট থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া জরুরি। তা না হলে আমরা এক চরম সংঘাতময় ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হতে পারি। কিন্তু এই মুহূর্তে একটি নির্বাচন, এমনকি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়। আমরা মনে করি, বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা এড়াতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সংলাপে বসা ও সমঝোতায় আসা অত্যন্ত জরুরি। অর্থাৎ বিরাজমান সংকটের টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে মোটাদাগে তিনটি ক্ষেত্রে জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি হওয়া প্রয়োজন।

প্রথমত প্রয়োজন, পরবর্তী নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে একটি ঐকমত্য, যা নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করবে। দ্বিতীয়ত প্রয়োজন, নির্বাচনকালীন ব্যবস্থা নিয়ে ঐকমত্য, যাতে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য হয়। ঐকমত্যের তৃতীয় ক্ষেত্রটি হতে হবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত পরবর্তী সরকারের জন্য করণীয় সম্পর্কে। ঐকমত্যের প্রথম দুটি ক্ষেত্রে চিহ্নিত করণীয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আশু পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হলেও নতুন সরকারের জন্য করণীয় বিষয়গুলো বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচনের পরবর্তী সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এই তিনটি ক্ষেত্রে ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি ‘জাতীয় সনদ’ প্রণীত ও স্বাক্ষরিত হতে পারে, যা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের বিরাজমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূরীভূত; সামাজিক সম্প্রীতি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের পথ সুগম হবে।

নির্বাচনকালীন সরকার
সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহে দলতন্ত্রের ভয়াবহ প্রভাব বিস্তারের কারণে ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোও যে কারচুপি ও কারসাজিমুক্ত হবে না, তা প্রায় নিশ্চিত করেই বলা যায়। তাই ভবিষ্যতের নির্বাচন যাতে দলীয় প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে, সেই লক্ষ্যে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই মুহূর্তেই নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে একটি সমঝোতা হওয়া জরুরি।

সংশ্লিষ্ট সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে গঠিত নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব হবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের (যেমন ৯০ দিনের) মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা। কিন্তু সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের এবং কমিশনের সদস্যরা যোগ্য ও নিরপেক্ষ না হলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আশা করা দুরাশামাত্র। তাই সঠিক ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। এ লক্ষ্যে অবশ্য কমিশনে নিয়োগদান-সম্পর্কিত একটি আইন প্রণয়ন করতে হবে, যে ব্যাপারে সুস্পষ্ট সাংবিধানিক (অনুচ্ছেদ ১১৮) বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ‘হুদা কমিশন’-এর রেখে যাওয়া আইনের একটি খসড়া কাজে লাগানো যেতে পারে। কমিশন পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে একটি অনুসন্ধান কমিটির সহায়তা নিতে হবে, যে কমিটি স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নিয়োগদানের জন্য সুপারিশ করবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি কমিশনে নিয়োগ প্রদান করবেন।

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন কমিশনকে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হবে। একটি সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন এই দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া কমিশনকে নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ ও একটি যুগোপযোগী আচরণবিধি প্রণয়ন করতে হবে। আচরণবিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে ১৯৯০ সালে প্রণীত ও ‘তিন জোটের রূপরেখা’য় অন্তর্ভুক্ত আচরণবিধিটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে।

নির্বাচনকালীন ব্যবস্থা
সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য শুধু নির্বাচনকালীন সরকারের নিরপেক্ষতা এবং নির্বাচন কমিশনের দক্ষতাই যথেষ্ট নয়, এর জন্য নির্বাচনকালীন আইনকানুন ও বিধিবিধানও যথার্থ হতে হবে। বিদ্যমান আইনি কাঠামো বহুলাংশে গ্রহণযোগ্য হলেও এগুলোতে কিছু সংস্কার আনতে হবে এবং নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে মোটাদাগের কিছু সংস্কারের ব্যাপারেও আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আরপিওতে ‘না–ভোটের’ এবং দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নের সুস্পষ্ট বিধান অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া নির্বাচনী ব্যয়ে লাগাম টানার লক্ষ্যেও আইনি সংস্কারের প্রয়োজন হবে। আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনকে কলুষমুক্ত করতে হলে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার মানদণ্ড আরও কঠোর এবং হলফনামার মাধ্যমে তাঁদের প্রদত্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনের জন্য পদ্ধতিগতভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করতে হবে।

নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের করণীয়
নির্বাচনকালীন একটি নিরপেক্ষ সরকার এবং সেই সরকার কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারলেও আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরাজমান অসহিষ্ণুতা ও হানাহানি তথা দৈন্যের সমস্যা দূরীভূত হবে না। এর জন্য প্রয়োজন হবে নির্বাচন-পরবর্তী সরকারের করণীয় সস্পর্কে একটি ঐকমত্য সৃষ্টি করা। আর তা করতে পারলেই আমরা সমস্যার টেকসই সমাধান আশা করতে পারি। যথাযথ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের জন্য মোটাদাগে বাধ্যতামূলক করণীয় বিষয়গুলো হতে পারে:
(১) যুদ্ধাপরাধের বিচার দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা।
(২) জাতীয় সংসদকে নির্বাহী বিভাগের প্রভাবমুক্ত একটি স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা, যাতে সংসদ যথাযথভাবে সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পারে। একই সঙ্গে সাংসদদের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়ন এবং সংবিধান নির্দেশিত সংসদ ও সাংসদদের জন্য একটি বিশেষ অধিকার আইন বা প্রিভিলেজ অ্যাক্ট প্রণয়ন করা।
(৩) রাজনৈতিক দলের সংস্কারের মাধ্যমে দলগুলোকে গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ করা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সব স্তরে দলতন্ত্রের অবসান ঘটানো। রাজনৈতিক দলগুলোকে সহিংসতা পরিহার করার এবং সাম্প্রদায়িকতা, উগ্রবাদ ও সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্যও অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে তাদের বিশ্বাসী হতে হবে।
(৪) রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন বিলুপ্ত করা এবং লেজুড়ভিত্তিক শিক্ষক, ছাত্র ও শ্রমিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা।
(৫) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা। বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উচ্চ আদালতে বিচারকদের দক্ষতা, যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। বিচার বিভাগের সত্যিকার পৃথক্করণের মাধ্যমে নিম্ন আদালতের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকেও রাজনৈতিক বিবেচনায় মামলা প্রত্যাহারের অপসংস্কৃতি বন্ধের অঙ্গীকার করতে হবে।
(৬) আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং যোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগদানের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশনসহ সব সংবিধিবদ্ধ সংস্থাকে শক্তিশালী ও কার্যকর করা।
(৭) একটি সিভিল সার্ভিস অ্যাক্ট প্রণয়ন, পুলিশ আইনের আধুনিকায়ন এবং সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সংস্কারের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা, পেশাদারি ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে দৈনন্দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজের পরিবর্তে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য র্যাবকে সামরিক বাহিনীর অধীনে একটি কমান্ডো ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলা।
(৮) প্রশাসনিক ও আর্থিক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে একটি বলিষ্ঠ কর্মসূচি গ্রহণ করা এবং এ লক্ষ্যে অন্তত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ন্যূনতম ৫০ শতাংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে ব্যয় করা। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্থানীয় সাংসদদের অযাচিত হস্তক্ষেপ তথা এমপিতন্ত্র ও দলতন্ত্রের অবসান ঘটানো এবং যথাসময়ে সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন নিশ্চিত করা।
(৯) সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা, যে কমিটির সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে পরবর্তী সরকার উদ্যোগ নেবে। সংবিধান সংশোধনের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো হতে পারে: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনা; ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ রোধে একই ব্যক্তির একাধারে প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা ও দলের প্রধান হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা; সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের সংস্কার করা ইত্যাদি। বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ সংসদে অনুমোদনের পর তা গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানে সংযোজন করা যেতে পারে।
(১০) গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং নাগরিক সমাজের কাজের পরিধি যাতে সংকুচিত না হয়, সে ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
(১১) গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে সংখ্যালঘুসহ সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখা।
(১২) প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে ‘পলিটিক্যাল ফাইন্যান্স’ বা রাজনীতির অর্থায়ন-প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা, যাতে নির্বাচনী ব্যয় ও রাজনৈতিক দলের আয়-ব্যয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভবপর হয়।
(১৩) একটি নতুন ‘সামাজিক চুক্তি’তে উপনীত হওয়া, যাতে সমাজের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় সম্পদে তাদের ন্যায্য হিস্যা পায় এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
(১৪) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করা।

উপরিউক্ত প্রস্তাবগুলো গত ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৪ সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিকের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে গৃহীত হয়। আমরা আশা করি, আমাদের সম্মানিত রাজনীতিবিদেরা জাতির বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক সংকটের টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন, সংলাপে নিয়োজিত হবেন, সমঝোতায় উপনীত হবেন এবং একটি জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করবেন। একই সঙ্গে তাঁরা বহুদলীয় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের আলোকে পরস্পরের সঙ্গে সহাবস্থানের ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবেন।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক।

প্রকাশিত: দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ই জানুয়ারি, ২০১৫

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s