সুজন-এর উদ্যোগে ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০১৬: একটি সার্বিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

Picture‘ব্যাপক সহিংসতাসহ বিভিন্ন ধরনের নির্বাচনী অনিয়মের কারণে বাংলাদেশের ইতিহাসে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সবচেয়ে মন্দ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন’ বলে মন্তব্য করেছেন সুজনÑসুশাসনের জন্য নাগরিক-এর নেতৃবৃন্দ। গত ১৬ জুন ২০১৬ সকাল ১১.০০টায়, রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সুজন আয়োজিত ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২০১৬: একটি সার্বিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে সুজন নেতৃবৃন্দ এ মন্তব্য করেন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত নির্বাচনপূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষ এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক বিরোধের জেরে ১৪৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আহতের সংখ্যা অন্তত এগারো হাজার ছাড়িয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সুজন সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য জনাব সৈয়দ আবুল মকসুদ ও প্রকৌশলী মুসবাহ আলীম, জাতীয় কমিটির সদস্য মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর এবং সুজন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে দিলীপ কুমার সরকার বলেন, “এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিশেষত্ব ছিল, এই প্রথমবার রাজনৈতিক দলভিত্তিকভাবে এবং দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা সুজন-এর পক্ষ থেকে অনেক আগে থেকেই দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিরোধিতা করে আসলেও, এর সপক্ষে আইন প্রণীত হয় এবং উক্ত আইনের ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আমরা মনে করি, ব্যাপক সহিংসতা ও অনিয়মের মধ্য দিয়ে এবারে যে মন্দ নির্বাচনের দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হলো, এর প্রধান কারণ দলভিত্তিক নির্বাচন। উল্লেখ্য, অতীতে রাজনৈতিক দলগুলো স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে দলীয় অবয়ব দেওয়ার চেষ্টা করলেও একই দল থেকে একাধিক প্রার্থী অংশ নেওয়ায় নির্বাচনগুলো বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কখনই পুরোপুরি রাজনৈতিক পরিচিতি পায়নি।”

নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণহানি সম্পর্কে তিনি বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রাণহানির তথ্য অনুসন্ধানে করে দেখা যায় যে, ১৯৭৩, ১৯৭৭, ১৯৮৩ ও ১৯৯২-এ প্রাণহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি। ১৯৮৮ সালে ৮০ জন, ১৯৯৭ সালে ৩১ জন, ২০০৩ সালে ২৩ জন এবং ২০১১ সালে ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানা যায়। ইতোপূর্বে অধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে ১৯৮৮ সালে। ঐ নির্বাচনটিকেই সবচেয়ে মন্দ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করা হতো।

প্রাণহানির ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হলো এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রণীত তালিকা অনুযায়ী, এবার নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত নির্বাচনপূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষ এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক বিরোধের জেরে ১৪৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

বিভাগভিত্তিক প্রাণহানির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩২ জন, ঢাকা বিভাগে ২৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ২০, বরিশাল বিভাগে ১৭ জন, জন, খুলনা বিভাগে ১৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৬ জন, রংপুর বিভাগে ৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। জেলাভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, ৬৪টি জেলার সবগুলোতেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেই প্রাণহানি ঘটেছে ৪৬টিতে।

নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণহানির পাশাপাশি ব্যাপক সংখ্যক মানুষ আহতও হয়েছেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত  সাড়ে এগারো হাজারেরও অধিক মানুষ আহত হয়েছে।”

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া সম্পর্কে দিলীপ কুমার সরকার বলেন, “অতীতে কোনো নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে আমরা দেখেছি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে। নির্বাচনী আইনানুযায়ী এটা দোষের না। তবে অতীতের সকল রেকর্ড ম্লান হয়ে গিয়েছে এবারের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের সংখ্যার কাছে। নবম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এই সংখ্যা ২১৪। প্রথম ধাপে ৫৪ জন, দ্বিতীয় ধাপে ৩৪ জন, তৃতীয় ধাপে ২৯ জন, চতুর্থ ধাপে ৩৫ জন, পঞ্চম ধাপে ৩৯ জন এবং ষষ্ঠ ধাপে ২৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এদের মধ্যে মাত্র ২ জন স্বতন্ত্র এবং অবশিষ্ট ১১২ জনই ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত।”

নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন ব্যবস্থার ফলে নির্বাচনী আইনানুযায়ী এখন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হয়েছে। আর এই মনোনয়ন দিতে গিয়েই ঘটছে বাণিজ্যের ঘটনা। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলসমূহের মনোনয়ন বাণিজ্যের প্রবণতা এমনভাবে ছড়িয়ে পড়ছে যে, প্রতিদিনই তা গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশিত ও প্রচারিত হচ্ছে। মনোনয়ন বাণিজ্যের ঘটনা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলে ঘটার অভিযোগ পাওয়া গেলেও, আওয়ামী লীগে এর ব্যাপকতা বেশি।’

নির্বাচনী ফলাফল সম্পর্কে তিনি বলেন, “্যাপক সহিংসতা ও অনিয়মসহ বিভিন্ন কারণে এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হয়নি। তাই, ফলাফল হয়েছে একপেশে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন কমিশন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী মোট ৬ ধাপে নির্বাচন হয়েছে ৪১০৪ টি। ফলাফল ঘোষিত হয়েছে ৪০০০টি ইউনিয়নের। স্থগিত আছে ১০৪টি ইউনিয়নের ফলাফল। ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৬৬৭টি (৬৬.৬৭%), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ৩৬৭টি (৯.১৭%), জাতীয় পার্টি-জাপা ৫৭টি (১.৪২%), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ৮টি (০.২০%), জাতীয় পার্টি-জেপি ৫টি (০.১২%), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি (০.১২%), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৩টি (০.০৭%), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ১টি (০.০২%), জাকের পার্টি ১টি (০.০২%) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৮৮৮টি (২২.২%) ইউনিয়নে জয়ী হয়েছে।”

মনোনয়ন প্রদানে নারীদের উপেক্ষা সম্পর্কে তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের কথা বলে আসলেও বাস্তবে আমরা উল্টো চিত্রটি দেখতে পাই। এ নির্বাচনে ২৯ জন নারী নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রথম ধাপে ৮জন, দ্বিতীয় ধাপে ৪জন, তৃতীয় ধাপে ২জন, চতুর্থ ধাপে ৩জন, পঞ্চম ধাপে ৭জন ও ষষ্ঠ ধাপে ৫জন নারী নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত ২৯জনের মধ্যে ২৪জন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং ১জন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। এছাড়া ৪জন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত ২৪ জনের মধ্যে ৬ জনই বিনা প্রতিন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও কার্যকর স্থানীয় সরকারের বিষয়টি এক করে ভাবলে আমাদের সামনে দুটি অবশ্য করণীয় রয়েছে। তা হচ্ছে, এক. স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ, দুই. ব্যাপক সংস্কারের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে সুস্থতা ফিরিয়ে আনা। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণের ক্ষেত্রে প্রয়োজন একটি বলিষ্ট বিকেন্দ্রীকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে আরও ক্ষমতা, দায়িত্ব ও সম্পদ দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে প্রকৃত অর্থেই শক্তিশালী করা। এক্ষেত্রে জাতীয় বাজেটের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নামে বরাদ্দ এবং জনসংখ্যার ভিত্তিতে বণ্টন; জনঅংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি, প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রকৃত চাহিদার ভিত্তিতে জনবল বৃদ্ধি; জনপ্রতিনিধিদের ভাতা যৌক্তিকতার নিরিখে সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করা; সংসদীয় রীতিতে প্রথমে সকলকে সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করে পরে তাঁদের ভেতর থেকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মেয়র, চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা; নারীদের জন্য ঘুর্ণায়মান পদ্ধতির আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা; স্থানীয় সরকার কমিশন গঠন করা; স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে সংসদ সদস্যদের প্রভাবমুক্ত করা; জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোনো মামলায় অভিযোগ গঠনের সাথে সাথেই সদস্যপদ বাতিলের বিধান বাতিল করা ইত্যাদি উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এছাড়াও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে আইনানুযায়ী পদ্ধতিগতভাবে পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। এক্ষেত্রে ওয়ার্ড সভা, উন্মুক্ত বাজেট অধিবেশন, নিয়মানুযায়ী কর নির্ধারণ ও নিয়মিত কর আদায়, স্থায়ী কমিটি গঠন ও সক্রিয়করণ, হস্তান্তরিত বিভাগসমূহকে সংশ্লিষ্ট সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর ইত্যাদি বিষয়সমূহকে আইনানুযায়ী বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।”

এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, “ইউপি নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনের যে ধারা বা ট্রেন্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা নিয়ে আমরা সকলেই উদ্বিগ্ন। সহিংসতা, হানাহানি, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ওপর নির্যাতন ও হয়রানি, পুলিশের উপস্থিতিতে ভোট কারচুপি প্রভৃতি আমরা এবারের নির্বাচনে ব্যাপক আকারে দেখতে পেয়েছি। নির্বাচনের সময় সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানই নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে বাধ্য। কিন্তু আমাদের নির্বাচন কমিশন বলেছে যে, তারা সরকারের ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা পায়নি, যা অত্যন্ত দুখজনক।”

সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, “আমাদের দেশে গত দেড়শ বছন যাবৎ ইউপি নির্বাচন হচ্ছে। এখান থেকেই গণতন্ত্রের সূচনা। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে এবং সবচেয়ে মন্দ নির্বাচন হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে।” তিনি বর্তমান নির্বাচনকে ভৌতিক গণতান্ত্রিক নির্বাচন বলে    মন্তব্য করেন। ভৌতিক এ কারণে যে, ভোটাররা ভয়ে নির্বাচনে ভোট দিতে যেতে পারেননি। গণতান্ত্রিক নির্বাচন এ অর্থে যে, বহুদল অংশগ্রহণ করেছে এবং জীবিত অনেক ব্যক্তি ভোট দিতে পারেননি, কিন্তু মৃত ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছেন। তাই এ নির্বাচন একটি ভৌতিক গণতান্ত্রিক নির্বাচন।”

ইউপি নির্বাচনে দেশজুড়ে সহিংসতার সঠিক চিত্র তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যমের কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর বলেন, ‘নির্বাচনের যে মডেল বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা করেছে তাতে ২০১৯ সালের নির্বাচনেও যে ক্ষমতাসীনরাই পুনরায় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে যাবে, যা গণতন্ত্র চর্চার ক্ষেত্রে মঙ্গল বয়ে আনবে না।’ এ পেক্ষাপটে তিনি একটি জাতীয় ভিত্তিতে একটি সংলাপ হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন। নির্বাচনের পর এখন নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সংস্কার তথা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা দরকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মূল প্রবন্ধ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s